মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সহড়াতলা সীমান্ত দিয়ে সাতজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং স্থানীয় গ্রামবাসীর সতর্ক অবস্থানের কারণে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভোরে সীমান্তের ১৪২ নম্বর আন্তর্জাতিক পিলারের ৫ ও ৬ এস সাব-পিলারের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, ভারতের নদীয়া জেলার বজ্রনাথপুর বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা ওই সাতজনকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে।
স্থানীয়দের নজরে আসে সাতজন
স্থানীয় সূত্র জানায়, পুশইনের চেষ্টা করা ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নারী ও ছয়জন পুরুষ ছিলেন। তবে তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তারা সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।
এলাকার বাসিন্দা রোকনুজ্জামান জানান, বুধবার মধ্যরাতের কোনো এক সময়ে ওই সাতজনকে ভারতের দিক থেকে সীমান্তের তারকাঁটা অতিক্রম করিয়ে আনা হয়। পরে তারা সীমান্ত এলাকায় ঘোরাফেরা করতে থাকলে স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পান এবং দ্রুত বিজিবিকে অবহিত করেন।
সীমান্তে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে পুশইনের আশঙ্কা বাড়ায় সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। বিজিবিও সীমান্ত পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

বিজিবির অবস্থান কঠোর
বিজিবি ৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হাসান বলেন, ভোরে বিএসএফ সাতজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। তবে বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারেনি।
তিনি আরও জানান, সীমান্ত এলাকায় বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সীমান্তে এ ধরনের ঘটনা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে বিজিবির তৎপরতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















