০৪:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেপ্তার, আসামি ২০০-এর বেশি

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চুরির মামলার এক আসামির হেফাজতে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

৪৩ জনের নাম উল্লেখ, অজ্ঞাত আরও দুই শতাধিক

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও দুই শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

গুজব ছড়ানোর পর থানায় উত্তেজনা

গত ৯ জুলাই চুরির একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াজ ফকির পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে আগৈলঝাড়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে রিয়াজের স্বজন এবং শত শত স্থানীয় বাসিন্দা থানার সামনে জড়ো হন।

একপর্যায়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

18 arrested over attack at Barishal's Agailjhara Police Station | The Daily  Star

পুলিশ যা বলছে

পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রিয়াজ লকআপের ভেতরে বারবার লোহার গ্রিলে মাথা আঘাত করেন। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরিবারের অভিযোগ

অন্যদিকে, রিয়াজের মা নাসরিন বেগম অভিযোগ করেছেন, কোনো কারণ ছাড়াই তার ছেলেকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাকে মারধর করা হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন।

পুলিশ বলছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

আগৈলঝাড়া থানায় হামলার ঘটনায় ১৮ জন গ্রেপ্তার, আসামি ২০০-এর বেশি

০৭:২৩:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চুরির মামলার এক আসামির হেফাজতে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের ধরতে অভিযান চলছে।

৪৩ জনের নাম উল্লেখ, অজ্ঞাত আরও দুই শতাধিক

পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় ৪৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও দুই শতাধিক অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করতে সিসিটিভি ফুটেজসহ বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। রাতভর অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

গুজব ছড়ানোর পর থানায় উত্তেজনা

গত ৯ জুলাই চুরির একটি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া রিয়াজ ফকির পুলিশ হেফাজতে মারা গেছেন—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে আগৈলঝাড়ায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে রিয়াজের স্বজন এবং শত শত স্থানীয় বাসিন্দা থানার সামনে জড়ো হন।

একপর্যায়ে থানায় হামলা, ভাঙচুর এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।

18 arrested over attack at Barishal's Agailjhara Police Station | The Daily  Star

পুলিশ যা বলছে

পুলিশের দাবি, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রিয়াজ লকআপের ভেতরে বারবার লোহার গ্রিলে মাথা আঘাত করেন। পরে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

পরিবারের অভিযোগ

অন্যদিকে, রিয়াজের মা নাসরিন বেগম অভিযোগ করেছেন, কোনো কারণ ছাড়াই তার ছেলেকে রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। পরে তাকে মারধর করা হয়, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন।

পুলিশ বলছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নজরদারিও জোরদার করা হয়েছে।