গ্রিস থেকে জার্মানির উদ্দেশে উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই মাঝ আকাশে একটি যাত্রীবাহী বিমানের কেবিনের জানালা খুলে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় এক যাত্রী আহত হন এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে বিমানটিকে দ্রুত যাত্রাপথ পরিবর্তন করে যেখান থেকে উড্ডয়ন করেছিল, সেখানেই নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়। দ্রুত পদক্ষেপের কারণে সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিপত্তি
স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে গ্রিসের থেসালোনিকি থেকে জার্মানির মেমিংগেনের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বিমানটি। উড্ডয়নের প্রায় ১০ মিনিট পর কেবিনের একটি যাত্রীর জানালা খুলে যায়। এর পরপরই বিমানটি ঘুরিয়ে থেসালোনিকি বিমানবন্দরের দিকে ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং কিছুক্ষণ আকাশে চক্কর দিয়ে নিরাপদে অবতরণ করে।
ঘটনার পর বিমানের ভেতরে অক্সিজেন মাস্ক নেমে আসে, যা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দেয়।
আহত হন এক যাত্রী
ঘটনার সময় এক যাত্রী আহত হন। বিমান অবতরণের পর তাকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হয়। যদিও সামাজিক মাধ্যমে এবং কয়েকটি স্থানীয় প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, জানালার কাছে বসা এক যাত্রী আংশিকভাবে বাইরে টেনে নেওয়া হয়েছিলেন, তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।

বিকল্প বিমানে যাত্রা সম্পন্ন
নিরাপদ অবতরণের পর যাত্রীদের জন্য বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর নতুন ফ্লাইটে তারা জার্মানির উদ্দেশে রওনা হন। নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রায় চার ঘণ্টা দেরিতে তারা গন্তব্যে পৌঁছান।
নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
এই ঘটনার পর উড়োজাহাজের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, উড্ডয়নের সময় কেবিনের যেকোনো কাঠামোগত ত্রুটি গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষ পরিচালনা এবং নিরাপদ অবতরণের কারণে বড় ধরনের প্রাণহানি বা আরও গুরুতর দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
মাঝ আকাশে এমন ঘটনা বিরল হলেও এটি বিমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্ব আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















