০৮:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬
ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা স্কটল্যান্ডের ছোট্ট শহরে পার্কিং মিটার ঘিরে তীব্র ক্ষোভ, রহস্যময় ‘প্রতিশোধকারী’কে খুঁজছে পুলিশ এআই কি মানুষের জীবন নিয়ন্ত্রণের পথে? নতুন নাটক ঘিরে প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যতের প্রশ্ন সৌদি আরবের আশঙ্কা, উত্তর ও দক্ষিণ—দুই দিক থেকেই হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী তরুণ অ্যান্থনি বুরডেইনের জীবন বদলে দেওয়া এক গ্রীষ্ম: ‘টনি’ চলচ্চিত্রের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ফ্রান্সে আন্তর্জাতিক কণ্ঠসংগীত প্রতিযোগিতায় দক্ষিণ কোরিয়ার ইউ সিউং-হোর সাফল্য বাড়ি থেকে কাজ: কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ কি ভার্চুয়াল, নাকি মানুষের মুখোমুখি উপস্থিতিই শেষ পর্যন্ত অপরিহার্য? বিলবোর্ডে নতুন সাফল্য ক্যাটসআইয়ের, ‘অ্যানিম্যাল’ উঠল শীর্ষ তালিকার ২৪ নম্বরে স্ট্রে কিডসের নতুন অধ্যায়, ভিন্ন স্বাদের অ্যালবাম নিয়ে ফিরল বিশ্বজয়ী দল শক্তিশালী এল নিনোর আশঙ্কা: আরও ৪ কোটি ৯০ লাখ মানুষ তীব্র খাদ্যসংকটে পড়তে পারে

ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: কীভাবে চার সদস্যের এই দল কে-পপকে বৈশ্বিক মানচিত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট। কে-পপের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের নতুন মেয়েদের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে চার সদস্যের একটি দল—জিসু, জেনি, রোজে ও লিসাকে নিয়ে ব্ল্যাকপিঙ্ক। প্রথম দিনেই ‘হুইসেল’ ও ‘বুম্বাইয়া’ গান দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, খুব কম মানুষই ধারণা করতে পেরেছিলেন যে এই দলটি পরবর্তী এক দশকে শুধু কে-পপ নয়, বিশ্ব পপসংগীতের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে।

আজ দশ বছর পূর্তিতে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়, ব্ল্যাকপিঙ্কের আত্মপ্রকাশ ছিল কেবল আরেকটি জনপ্রিয় আইডল দলের সূচনা নয়; বরং এটি ছিল কে-পপকে বৈশ্বিক মূলধারায় নিয়ে যাওয়ার এক বড় পরিবর্তনের শুরু।

আঞ্চলিক জনপ্রিয়তা থেকে বিশ্বজয়ের গল্প

ব্ল্যাকপিঙ্ককে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে একটি বিষয়—তাদের শুরু থেকেই কেবল এশিয়ার দর্শকের জন্য নয়, বিশ্বের সাধারণ পপসংগীতপ্রেমীদের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তোলা হয়েছিল। ফলে তারা খুব দ্রুত আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়।

২০২২ সালে প্রকাশিত তাদের পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ‘বর্ন পিঙ্ক’ যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড দুই শত অ্যালবাম তালিকা এবং যুক্তরাজ্যের অ্যালবাম তালিকার শীর্ষস্থান একসঙ্গে দখল করে। এই কৃতিত্ব আগে মাত্র একটি কে-পপ দল অর্জন করেছিল। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় পর কোনো নারী দল এমন সাফল্য পাওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক সংগীতজগতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

একের পর এক ইতিহাস

২০২৩ সালে ব্ল্যাকপিঙ্ক বিশ্বের অন্যতম বড় সংগীত উৎসবে প্রধান শিল্পী হিসেবে মঞ্চে ওঠা প্রথম কে-পপ দল হয়। একই বছর তাদের সরকারি ইউটিউব চ্যানেলের অনুসারীর সংখ্যা দশ কোটির বেশি ছাড়িয়ে যায়, যা বিশ্বসংগীতের ইতিহাসেও বিরল অর্জন।

BLACKPINK marks decade of rewriting K-pop's global playbook - The Korea  Times

এর পাশাপাশি বিশাল স্টেডিয়ামভিত্তিক বিশ্ব সফর, অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর বৈশ্বিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে ব্ল্যাকপিঙ্ক নিজেদের একটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক পরিচয় গড়ে তোলে।

নতুন অধ্যায়ের শুরু

২০২৩ সালের শেষ দিকে ব্ল্যাকপিঙ্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। চার সদস্য দলগত কার্যক্রমের জন্য ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করলেও ব্যক্তিগত চুক্তি আর করেননি।

এরপর প্রত্যেকে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান বা নতুন ব্যবস্থাপনায় একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। অনেকের আশঙ্কা ছিল, এতে হয়তো দলের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টোটি।

একক সাফল্যেও উজ্জ্বল চার সদস্য

রোজের আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় প্রকাশিত ‘এপিটি’ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলে এবং তাকে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয়।

জেনি তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ একক অ্যালবাম ‘রুবি’ দিয়ে নিজের শিল্পীসত্তাকে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগীত উৎসবেও তিনি প্রধান শিল্পী হিসেবে অংশ নেন।

জিসু সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেন এবং নতুন ইপি ‘অ্যামর্টেজ’ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে লিসা একক অ্যালবাম ‘অল্টার ইগো’, আন্তর্জাতিক অভিনয় প্রকল্প এবং বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবেশনার মাধ্যমে বহুমাত্রিক শিল্পী হিসেবে নিজের পরিচয় আরও বিস্তৃত করেন।

BLACKPINK marks decade of rewriting K-pop's global playbook - The Korea  Times

দলে ফিরে আরও বড় সাফল্য

একক কাজের ব্যস্ততার পর চার সদস্য আবার একত্রিত হন এবং দীর্ঘ বিরতির পর প্রকাশ করেন তৃতীয় মিনি অ্যালবাম ‘ডেডলাইন’

অ্যালবামটি প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় সতেরো লাখ সত্তর হাজার কপি বিক্রি হয়ে কে-পপের মেয়েদের দলের মধ্যে নতুন বিক্রির রেকর্ড গড়ে। প্রধান গান ‘গো’ আন্তর্জাতিক সংগীত তালিকাতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।

বিশ্লেষকদের মতে, একক ক্যারিয়ারে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তা দলীয় কার্যক্রমকে দুর্বল না করে বরং আরও শক্তিশালী করেছে।

আগামী দশকের চ্যালেঞ্জ

দশ বছর পূর্তিতে ব্ল্যাকপিঙ্কের জন্য বিশেষ স্মারক সংগ্রহও প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাবের আরেকটি উদাহরণ।

সংগীতবিশ্বের পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রথম দশকে ব্ল্যাকপিঙ্ক প্রমাণ করেছে যে একটি কে-পপ মেয়েদের দলও বিশ্ব পপসংগীতের মানদণ্ড হয়ে উঠতে পারে। এখন দেখার বিষয়, চারজন আলাদা আন্তর্জাতিক তারকা নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রেখেও আগামী বছরগুলোতে কতটা সফলভাবে ব্ল্যাকপিঙ্ক নামের ব্যানারে একসঙ্গে পথচলা চালিয়ে যেতে পারেন।

ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রথম দশকের গল্প তাই কেবল রেকর্ড, পুরস্কার বা জনপ্রিয়তার নয়; এটি কে-পপের বৈশ্বিক বিস্তারের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যার প্রভাব আগামী বহু বছর ধরে সংগীতশিল্পে অনুভূত হবে।

ব্ল্যাকপিঙ্কের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় তাদের বৈশ্বিক সাফল্য, একক ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: উদযাপনের অপেক্ষায় ভক্তরা, কিন্তু বাড়ছে হতাশা

ব্ল্যাকপিঙ্কের ১০ বছর: কীভাবে চার সদস্যের এই দল কে-পপকে বৈশ্বিক মানচিত্রে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেল

০৭:৩৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬

২০১৬ সালের ৮ আগস্ট। কে-পপের অন্যতম বড় প্রতিষ্ঠান ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের নতুন মেয়েদের দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে চার সদস্যের একটি দল—জিসু, জেনি, রোজে ও লিসাকে নিয়ে ব্ল্যাকপিঙ্ক। প্রথম দিনেই ‘হুইসেল’ ও ‘বুম্বাইয়া’ গান দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও, খুব কম মানুষই ধারণা করতে পেরেছিলেন যে এই দলটি পরবর্তী এক দশকে শুধু কে-পপ নয়, বিশ্ব পপসংগীতের ইতিহাসেও একটি নতুন অধ্যায় রচনা করবে।

আজ দশ বছর পূর্তিতে ফিরে তাকালে স্পষ্ট হয়, ব্ল্যাকপিঙ্কের আত্মপ্রকাশ ছিল কেবল আরেকটি জনপ্রিয় আইডল দলের সূচনা নয়; বরং এটি ছিল কে-পপকে বৈশ্বিক মূলধারায় নিয়ে যাওয়ার এক বড় পরিবর্তনের শুরু।

আঞ্চলিক জনপ্রিয়তা থেকে বিশ্বজয়ের গল্প

ব্ল্যাকপিঙ্ককে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে একটি বিষয়—তাদের শুরু থেকেই কেবল এশিয়ার দর্শকের জন্য নয়, বিশ্বের সাধারণ পপসংগীতপ্রেমীদের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তোলা হয়েছিল। ফলে তারা খুব দ্রুত আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়।

২০২২ সালে প্রকাশিত তাদের পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম ‘বর্ন পিঙ্ক’ যুক্তরাষ্ট্রের বিলবোর্ড দুই শত অ্যালবাম তালিকা এবং যুক্তরাজ্যের অ্যালবাম তালিকার শীর্ষস্থান একসঙ্গে দখল করে। এই কৃতিত্ব আগে মাত্র একটি কে-পপ দল অর্জন করেছিল। একই সঙ্গে দীর্ঘ সময় পর কোনো নারী দল এমন সাফল্য পাওয়ায় এটি আন্তর্জাতিক সংগীতজগতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে।

একের পর এক ইতিহাস

২০২৩ সালে ব্ল্যাকপিঙ্ক বিশ্বের অন্যতম বড় সংগীত উৎসবে প্রধান শিল্পী হিসেবে মঞ্চে ওঠা প্রথম কে-পপ দল হয়। একই বছর তাদের সরকারি ইউটিউব চ্যানেলের অনুসারীর সংখ্যা দশ কোটির বেশি ছাড়িয়ে যায়, যা বিশ্বসংগীতের ইতিহাসেও বিরল অর্জন।

BLACKPINK marks decade of rewriting K-pop's global playbook - The Korea  Times

এর পাশাপাশি বিশাল স্টেডিয়ামভিত্তিক বিশ্ব সফর, অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার এবং বিলাসবহুল ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোর বৈশ্বিক প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে ব্ল্যাকপিঙ্ক নিজেদের একটি স্বতন্ত্র আন্তর্জাতিক পরিচয় গড়ে তোলে।

নতুন অধ্যায়ের শুরু

২০২৩ সালের শেষ দিকে ব্ল্যাকপিঙ্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়। চার সদস্য দলগত কার্যক্রমের জন্য ওয়াইজি এন্টারটেইনমেন্টের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করলেও ব্যক্তিগত চুক্তি আর করেননি।

এরপর প্রত্যেকে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান বা নতুন ব্যবস্থাপনায় একক ক্যারিয়ার গড়ে তোলেন। অনেকের আশঙ্কা ছিল, এতে হয়তো দলের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টোটি।

একক সাফল্যেও উজ্জ্বল চার সদস্য

রোজের আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় প্রকাশিত ‘এপিটি’ বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তোলে এবং তাকে বড় আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দেয়।

জেনি তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ একক অ্যালবাম ‘রুবি’ দিয়ে নিজের শিল্পীসত্তাকে আরও শক্তভাবে প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগীত উৎসবেও তিনি প্রধান শিল্পী হিসেবে অংশ নেন।

জিসু সংগীতের পাশাপাশি অভিনয়েও নিজের অবস্থান আরও মজবুত করেন এবং নতুন ইপি ‘অ্যামর্টেজ’ প্রকাশ করেন।

অন্যদিকে লিসা একক অ্যালবাম ‘অল্টার ইগো’, আন্তর্জাতিক অভিনয় প্রকল্প এবং বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পরিবেশনার মাধ্যমে বহুমাত্রিক শিল্পী হিসেবে নিজের পরিচয় আরও বিস্তৃত করেন।

BLACKPINK marks decade of rewriting K-pop's global playbook - The Korea  Times

দলে ফিরে আরও বড় সাফল্য

একক কাজের ব্যস্ততার পর চার সদস্য আবার একত্রিত হন এবং দীর্ঘ বিরতির পর প্রকাশ করেন তৃতীয় মিনি অ্যালবাম ‘ডেডলাইন’

অ্যালবামটি প্রকাশের প্রথম সপ্তাহেই প্রায় সতেরো লাখ সত্তর হাজার কপি বিক্রি হয়ে কে-পপের মেয়েদের দলের মধ্যে নতুন বিক্রির রেকর্ড গড়ে। প্রধান গান ‘গো’ আন্তর্জাতিক সংগীত তালিকাতেও উল্লেখযোগ্য সাফল্য পায়।

বিশ্লেষকদের মতে, একক ক্যারিয়ারে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও জনপ্রিয়তা দলীয় কার্যক্রমকে দুর্বল না করে বরং আরও শক্তিশালী করেছে।

আগামী দশকের চ্যালেঞ্জ

দশ বছর পূর্তিতে ব্ল্যাকপিঙ্কের জন্য বিশেষ স্মারক সংগ্রহও প্রকাশ করা হয়েছে, যা তাদের সাংস্কৃতিক প্রভাবের আরেকটি উদাহরণ।

সংগীতবিশ্বের পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রথম দশকে ব্ল্যাকপিঙ্ক প্রমাণ করেছে যে একটি কে-পপ মেয়েদের দলও বিশ্ব পপসংগীতের মানদণ্ড হয়ে উঠতে পারে। এখন দেখার বিষয়, চারজন আলাদা আন্তর্জাতিক তারকা নিজেদের স্বতন্ত্র পরিচয় ধরে রেখেও আগামী বছরগুলোতে কতটা সফলভাবে ব্ল্যাকপিঙ্ক নামের ব্যানারে একসঙ্গে পথচলা চালিয়ে যেতে পারেন।

ব্ল্যাকপিঙ্কের প্রথম দশকের গল্প তাই কেবল রেকর্ড, পুরস্কার বা জনপ্রিয়তার নয়; এটি কে-পপের বৈশ্বিক বিস্তারের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যার প্রভাব আগামী বহু বছর ধরে সংগীতশিল্পে অনুভূত হবে।

ব্ল্যাকপিঙ্কের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে আলোচনায় তাদের বৈশ্বিক সাফল্য, একক ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যতের নতুন সম্ভাবনা।