০৩:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
গ্যাস সংকটে আশুলিয়ার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, বাড়ছে লোকসান-ছাঁটাইয়ের শঙ্কা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা, গুপ্তচর সন্দেহ: নতুন চিঠিতে ‘লরেন্স অব অ্যারাবিয়া’র আক্ষেপ ব্যক্তিভিত্তিক ক্যানসার ভ্যাকসিনে যুগান্তকারী সাফল্য, ত্বকের ক্যানসার ফেরার ঝুঁকি কমার আশা ভিয়েতনামে মাত্র ৫৬৫০ ডলারে আসছে দুই আসনের বৈদ্যুতিক গাড়ি ফ্রেজার্সের হাতে হুগো বসের ৪৭.৮৯ শতাংশ শেয়ার ড. ইউনূস-আসিফ নজরুলসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা আবেদনের শুনানি, সিদ্ধান্ত পরে ঝিনাইদহে পুকুরে মিলল নিখোঁজ যুবকের মরদেহ, মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ ছিলেন ৪ দিন গোল্ডেন ডোম কি চীন-রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকাতে পারবে? মার্কিন বিশেষজ্ঞদের বড় শঙ্কা প্রতিরক্ষা ঠিকাদারদের প্রভাব নিয়ে বেইজিংকে সতর্ক করল চীনা গবেষণা ‘এতটাই খারাপ’ যে সিনেমা দেখতে ভিড়, চীনে অদ্ভুত জনপ্রিয়তা পেল ব্যর্থ অ্যানিমেশন

ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য নতুন বিধিমালার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, সহজ হবে অর্থ সংগ্রহ

ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রস্তাবকে দেশটির ক্রিপ্টো খাতের জন্য বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নিয়ম চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট কিছু ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ও টোকেন বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান কঠোর শেয়ারবাজার আইন থেকে ছাড় পাওয়া সহজ হবে।

অর্থ সংগ্রহে মিলবে নতুন সুযোগ

নতুন প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের আরও স্পষ্ট পথ তৈরি করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস বলেছেন, ডিজিটাল সম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও বাজারসংশ্লিষ্টদের জন্য কেন্দ্রীয় শেয়ারবাজার আইনের আওতায় অর্থ সংগ্রহের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কোনো ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান চার বছরের মধ্যে একবার সর্বোচ্চ ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টো টোকেন ছাড়ার সুযোগ পেতে পারে।

এ ছাড়া আরও বড় পরিসরে অর্থ সংগ্রহের জন্য পৃথক একটি ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর আওতায় প্রতি ১২ মাসে সর্বোচ্চ ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের টোকেন বিক্রির সুযোগ মিলতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক বিবরণী প্রকাশ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দেওয়ার মতো কিছু বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে।

BREAKING: SEC Releases Long-Awaited Cryptocurrency Regulations – A Major  Development

বিনিয়োগকারীদের তথ্য জানানো বাধ্যতামূলক

নতুন নিয়মে ছাড় থাকলেও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হচ্ছে না। টোকেন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানাতে হবে।

প্রস্তাবে একটি নিরাপদ আইনি কাঠামোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কোনো ক্রিপ্টো সম্পদকে বিনিয়োগ চুক্তি হিসেবে গণ্য না করার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কোন ডিজিটাল সম্পদ শেয়ারবাজার আইনের আওতায় পড়বে আর কোনটি পড়বে না—এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কিছুটা কমতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে বড় পরিবর্তন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রিপ্টো খাতের জন্য অপেক্ষাকৃত অনুকূল নীতি গ্রহণ করেছেন। তার প্রশাসনের অধীনে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

গত বছর ক্রিপ্টো সম্পদের হিসাবসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি বড় ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চলমান মামলাও খারিজ করা হয়েছে।

ক্রিপ্টো শিল্পের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, অধিকাংশ ডিজিটাল টোকেনকে শেয়ারের পরিবর্তে পণ্যের মতো বিবেচনা করা উচিত। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, সে ক্ষেত্রে এগুলোর ওপর শেয়ারবাজারের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার বর্তমান নেতৃত্বও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে।

আইন প্রণয়নের উদ্যোগ থমকে যাওয়ায় গুরুত্ব বেড়েছে

ক্রিপ্টো খাতকে আইনি স্বীকৃতির আরও পরিষ্কার ভিত্তি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রণয়নের চেষ্টা চলছে। খাতটির বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগের পক্ষে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রচার চালিয়েছে। তবে সিনেটে সংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে।

US securities regulator issues long-awaited crypto guidance - The Hindu

এই পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন প্রস্তাবটি ক্রিপ্টো শিল্পের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ আটকে থাকা অবস্থাতেও প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা স্পষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে কাজ করার সুযোগ পাবে।

তবে শিল্পসংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, কংগ্রেসে স্থায়ী আইন পাস না হলে ভবিষ্যৎ কোনো সরকার চাইলে এই বিধিমালা কঠোর করতে বা পুরোপুরি পরিবর্তন করতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তার জন্য আইন প্রণয়ন এখনো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।

জনমত দেওয়ার সুযোগ ৬০ দিন

নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রস্তাবটি এখনই চূড়ান্ত আইন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নিবন্ধনে প্রস্তাবটি প্রকাশের পর ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের মতামত জানাতে পারবে। সেই মতামত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত বিধিমালা নির্ধারণ করা হবে।

ক্রিপ্টো শিল্পের সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, নতুন কাঠামো কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল সম্পদ খাতের জন্য আরও সুস্পষ্ট ও ব্যবহারযোগ্য আইনি পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

ক্রিপ্টো সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এই পরিবর্তন তাই শুধু প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ সংগ্রহের সুযোগ বাড়ানোর বিষয় নয়; বরং বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতিতে ডিজিটাল সম্পদের ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার দিকনির্দেশও নির্ধারণ করতে পারে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস সংকটে আশুলিয়ার কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, বাড়ছে লোকসান-ছাঁটাইয়ের শঙ্কা

ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য নতুন বিধিমালার প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের, সহজ হবে অর্থ সংগ্রহ

১২:৫৪:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬

ক্রিপ্টো সম্পদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন নিয়ন্ত্রক কাঠামোর প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা। মঙ্গলবার প্রকাশিত এই প্রস্তাবকে দেশটির ক্রিপ্টো খাতের জন্য বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন নিয়ম চূড়ান্ত হলে নির্দিষ্ট কিছু ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান ও টোকেন বিক্রির ক্ষেত্রে বিদ্যমান কঠোর শেয়ারবাজার আইন থেকে ছাড় পাওয়া সহজ হবে।

অর্থ সংগ্রহে মিলবে নতুন সুযোগ

নতুন প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো ক্রিপ্টো খাতের উদ্যোক্তাদের জন্য বৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের আরও স্পষ্ট পথ তৈরি করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস বলেছেন, ডিজিটাল সম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও বাজারসংশ্লিষ্টদের জন্য কেন্দ্রীয় শেয়ারবাজার আইনের আওতায় অর্থ সংগ্রহের পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতেই এই উদ্যোগ।

প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কোনো ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠান চার বছরের মধ্যে একবার সর্বোচ্চ ৫০ লাখ ডলারের সমপরিমাণ ক্রিপ্টো টোকেন ছাড়ার সুযোগ পেতে পারে।

এ ছাড়া আরও বড় পরিসরে অর্থ সংগ্রহের জন্য পৃথক একটি ছাড়ের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এর আওতায় প্রতি ১২ মাসে সর্বোচ্চ ৭ কোটি ৫০ লাখ ডলারের টোকেন বিক্রির সুযোগ মিলতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে আর্থিক বিবরণী প্রকাশ এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দেওয়ার মতো কিছু বাধ্যবাধকতা পালন করতে হবে।

BREAKING: SEC Releases Long-Awaited Cryptocurrency Regulations – A Major  Development

বিনিয়োগকারীদের তথ্য জানানো বাধ্যতামূলক

নতুন নিয়মে ছাড় থাকলেও বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষার বিষয়টি পুরোপুরি বাদ দেওয়া হচ্ছে না। টোকেন ইস্যুকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিনিয়োগকারীদের জানাতে হবে।

প্রস্তাবে একটি নিরাপদ আইনি কাঠামোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে কোনো ক্রিপ্টো সম্পদকে বিনিয়োগ চুক্তি হিসেবে গণ্য না করার সুযোগ তৈরি হবে। এর ফলে কোন ডিজিটাল সম্পদ শেয়ারবাজার আইনের আওতায় পড়বে আর কোনটি পড়বে না—এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কিছুটা কমতে পারে।

ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে বড় পরিবর্তন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্রিপ্টো খাতের জন্য অপেক্ষাকৃত অনুকূল নীতি গ্রহণ করেছেন। তার প্রশাসনের অধীনে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসেছে।

গত বছর ক্রিপ্টো সম্পদের হিসাবসংক্রান্ত কঠোর নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। পাশাপাশি কয়েকটি বড় ক্রিপ্টো প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চলমান মামলাও খারিজ করা হয়েছে।

ক্রিপ্টো শিল্পের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, অধিকাংশ ডিজিটাল টোকেনকে শেয়ারের পরিবর্তে পণ্যের মতো বিবেচনা করা উচিত। শিল্পসংশ্লিষ্টদের মতে, সে ক্ষেত্রে এগুলোর ওপর শেয়ারবাজারের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা উচিত নয়। নিয়ন্ত্রক সংস্থার বর্তমান নেতৃত্বও এই অবস্থানের প্রতি সমর্থন দেখিয়েছে।

আইন প্রণয়নের উদ্যোগ থমকে যাওয়ায় গুরুত্ব বেড়েছে

ক্রিপ্টো খাতকে আইনি স্বীকৃতির আরও পরিষ্কার ভিত্তি দিতে মার্কিন কংগ্রেসে দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রণয়নের চেষ্টা চলছে। খাতটির বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ উদ্যোগের পক্ষে বিপুল অর্থ ব্যয় করে প্রচার চালিয়েছে। তবে সিনেটে সংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নের প্রচেষ্টা বর্তমানে অচলাবস্থায় রয়েছে।

US securities regulator issues long-awaited crypto guidance - The Hindu

এই পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার নতুন প্রস্তাবটি ক্রিপ্টো শিল্পের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নতুন বিধিমালা কার্যকর হলে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ আটকে থাকা অবস্থাতেও প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা স্পষ্ট আইনি কাঠামোর মধ্যে কাজ করার সুযোগ পাবে।

তবে শিল্পসংশ্লিষ্ট অনেক কর্মকর্তা মনে করছেন, কংগ্রেসে স্থায়ী আইন পাস না হলে ভবিষ্যৎ কোনো সরকার চাইলে এই বিধিমালা কঠোর করতে বা পুরোপুরি পরিবর্তন করতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদি নিশ্চয়তার জন্য আইন প্রণয়ন এখনো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন তারা।

জনমত দেওয়ার সুযোগ ৬০ দিন

নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রস্তাবটি এখনই চূড়ান্ত আইন নয়। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নিবন্ধনে প্রস্তাবটি প্রকাশের পর ৬০ দিনের মধ্যে সাধারণ মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো তাদের মতামত জানাতে পারবে। সেই মতামত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত বিধিমালা নির্ধারণ করা হবে।

ক্রিপ্টো শিল্পের সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়েছে। তাদের মতে, নতুন কাঠামো কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল সম্পদ খাতের জন্য আরও সুস্পষ্ট ও ব্যবহারযোগ্য আইনি পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

ক্রিপ্টো সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে এই পরিবর্তন তাই শুধু প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থ সংগ্রহের সুযোগ বাড়ানোর বিষয় নয়; বরং বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতিতে ডিজিটাল সম্পদের ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার দিকনির্দেশও নির্ধারণ করতে পারে।