০৮:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়ের চার অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগ, দোষ স্বীকার চার তরুণের নেপাল-তিব্বত আকস্মিক বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩০০ ভারতীয়, স্বপ্নের তীর্থযাত্রায় গিয়ে দুই নারীও নিখোঁজ পাকিস্তানের অর্থনীতিতে উদযাপনের মতো তেমন কিছু নেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধাক্কায় বিশ্ব ভয়াবহ পরিবর্তনের মুখে, প্রস্তুতি নেই: বিল গেটস টানা দ্বিতীয় সপ্তাহে আদিয়ালা কারাগারে ইমরান খানের সঙ্গে বোন নূরিন নিয়াজির সাক্ষাৎ যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরদের ফেসবুক-ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে কারফিউ ও দৈনিক সময়সীমা পাঞ্জাবে ক্যানসারের উন্নত চিকিৎসা আরও বিস্তৃত, বসছে পাঁচ নতুন ক্রায়োঅ্যাবলেশন যন্ত্র মানুষের উপস্থিতিতে বদলে যায় বন্যপ্রাণীর আচরণ, ৪,৫০০ প্রাণীর গবেষণায় নতুন তথ্য হানইয়াং বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের চাকরির সেতুবন্ধন, ক্যারিয়ার মেলায় রেকর্ড অংশগ্রহণ অর্থনীতি ভালো দেখালেও কেন স্বস্তিতে নেই যুক্তরাষ্ট্রের মানুষ

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ বিষয়ে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি নির্দেশনামূলক স্মারক পাঠিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের ইন্টার্নশিপের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফেডারেল সরকার সতর্ক করে জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন হারাতে পারে।

পাঠ্যক্রমের সঙ্গে ইন্টার্নশিপের সরাসরি সম্পর্কের শর্ত

২৪ আগস্ট জারি করা ওই স্মারকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার অধীন শিক্ষার্থী ও বিনিময় দর্শনার্থী কর্মসূচি লক্ষ্য করেছে যে, পাঠ্যক্রমভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কেবল তখনই অনুমোদন করা যায়, যখন তা শিক্ষার্থীর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন হারাতে পারে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদেশি শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ধরনের কাজের অনুমোদনের আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনিশ্চয়তা

লস অ্যাঞ্জেলেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরকারি নির্দেশনা পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পাঠ্যক্রমভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অনুমোদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কার্যালয় জানিয়েছে, ২৪ আগস্টের স্মারকটি আগের নির্দেশনার তুলনায় আরও নির্দিষ্ট, সরাসরি এবং কিছু ক্ষেত্রে বেশি কঠোর। আগস্টের মাঝামাঝি সময়েও ফেডারেল সরকার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু কাজের অনুমোদনের আবেদন অদূর ভবিষ্যতে প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগেভাগেই নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে শিক্ষাগত ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের আবেদন স্বাভাবিকভাবেই প্রক্রিয়া করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। একইভাবে পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ও স্নাতকোত্তর গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের আবেদনও পুনরায় প্রক্রিয়া করা হবে।

নতুন সরকারি শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রক্রিয়া তৈরি করতে বিশ্ববিদ্যালয়টি আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।How new Trump administration rules could affect international students : NPR

সরকারের বক্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, মূল নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতাদের সতর্ক করে দিয়ে তারা বলেছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের এই সুবিধার অপব্যবহার ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আর সহ্য করা হবে না।

ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর তদন্ত ও অর্থায়ন বন্ধের হুমকি দিয়ে চাপ সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, বৈচিত্র্যবিষয়ক কর্মসূচি, জলবায়ু কর্মসূচি এবং রূপান্তরকামীদের নীতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরোধ তৈরি হয়েছে।

অধিকারকর্মীরা এসব পদক্ষেপ নিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শিক্ষাক্ষেত্রের স্বাধীনতা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিতেও চাপ

এদিকে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসেবা বিদ্যালয়ের ভর্তি নীতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছে। সরকারের দাবি, ওই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়ায় কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক আবেদনকারীরা বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের বৈচিত্র্যবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে এই তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারের অভিযোগে হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, তারা মনে করে বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতি আইন মেনেই পরিচালিত হয়েছে এবং কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এর আগে আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও একই ধরনের পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে। বিভাগটি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আদালতে মামলা করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়ের চার অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগ, দোষ স্বীকার চার তরুণের

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন পদক্ষেপ, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপে কড়াকড়ি

০৬:২০:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের সুযোগ সীমিত করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। এ বিষয়ে দেশটির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি নির্দেশনামূলক স্মারক পাঠিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের ইন্টার্নশিপের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফেডারেল সরকার সতর্ক করে জানিয়েছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের কাজের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন হারাতে পারে।

পাঠ্যক্রমের সঙ্গে ইন্টার্নশিপের সরাসরি সম্পর্কের শর্ত

২৪ আগস্ট জারি করা ওই স্মারকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থার অধীন শিক্ষার্থী ও বিনিময় দর্শনার্থী কর্মসূচি লক্ষ্য করেছে যে, পাঠ্যক্রমভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অনুমোদন দেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা বেড়েছে।

নিয়ম অনুযায়ী, এই ধরনের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কেবল তখনই অনুমোদন করা যায়, যখন তা শিক্ষার্থীর প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাক্রমের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

স্মারকে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হলে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করার অনুমোদন হারাতে পারে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেস এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিদেশি শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট ধরনের কাজের অনুমোদনের আবেদন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনিশ্চয়তা

লস অ্যাঞ্জেলেস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সরকারি নির্দেশনা পর্যালোচনা এবং পরবর্তী করণীয় নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট কিছু পাঠ্যক্রমভিত্তিক ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের অনুমোদন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বার্কলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী কার্যালয় জানিয়েছে, ২৪ আগস্টের স্মারকটি আগের নির্দেশনার তুলনায় আরও নির্দিষ্ট, সরাসরি এবং কিছু ক্ষেত্রে বেশি কঠোর। আগস্টের মাঝামাঝি সময়েও ফেডারেল সরকার এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করেছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়টির আন্তর্জাতিক কার্যালয় জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু কাজের অনুমোদনের আবেদন অদূর ভবিষ্যতে প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সংশ্লিষ্ট বিদেশি শিক্ষার্থীদের আগেভাগেই নিজেদের পরিকল্পনা ঠিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তবে শিক্ষাগত ডিগ্রি অর্জনের বাধ্যতামূলক অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের আবেদন স্বাভাবিকভাবেই প্রক্রিয়া করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। একইভাবে পিএইচডি অভিসন্দর্ভ ও স্নাতকোত্তর গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের আবেদনও পুনরায় প্রক্রিয়া করা হবে।

নতুন সরকারি শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নতুন প্রক্রিয়া তৈরি করতে বিশ্ববিদ্যালয়টি আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করবে।How new Trump administration rules could affect international students : NPR

সরকারের বক্তব্য

যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, মূল নিয়মে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয় ও নিয়োগদাতাদের সতর্ক করে দিয়ে তারা বলেছে, বিদেশি শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের এই সুবিধার অপব্যবহার ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে আর সহ্য করা হবে না।

ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে বিভিন্ন ইস্যুতে দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওপর তদন্ত ও অর্থায়ন বন্ধের হুমকি দিয়ে চাপ সৃষ্টি করেছে। ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভ, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান, বৈচিত্র্যবিষয়ক কর্মসূচি, জলবায়ু কর্মসূচি এবং রূপান্তরকামীদের নীতিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিরোধ তৈরি হয়েছে।

অধিকারকর্মীরা এসব পদক্ষেপ নিয়ে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, শিক্ষাক্ষেত্রের স্বাধীনতা এবং যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নীতিতেও চাপ

এদিকে বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাবিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যসেবা বিদ্যালয়ের ভর্তি নীতি নিয়েও অভিযোগ তুলেছে। সরকারের দাবি, ওই প্রতিষ্ঠানের ভর্তি প্রক্রিয়ায় কৃষ্ণাঙ্গ ও হিস্পানিক আবেদনকারীরা বিশেষ সুবিধা পেয়েছেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের বৈচিত্র্যবিরোধী নীতির অংশ হিসেবে এই তদন্তের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সরকারের অভিযোগে হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছে, তারা মনে করে বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। তাদের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতি আইন মেনেই পরিচালিত হয়েছে এবং কোনো ধরনের বৈষম্য করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ এর আগে আরও কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও একই ধরনের পক্ষপাতের অভিযোগ তুলেছে। বিভাগটি জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে। সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আদালতে মামলা করা হবে।