দেশে সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি)। শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব বৃষ্টির সঙ্গে সাময়িকভাবে দমকা হাওয়া বয়ে যাওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে।
এ ছাড়া রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনাও রয়েছে।
দেশজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা

বিএমডির পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী পাঁচ দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা তুলনামূলক বেশি থাকার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বৃষ্টির পাশাপাশি কোথাও কোথাও বজ্রসহ বৃষ্টি এবং সাময়িক দমকা হাওয়া দেখা দিতে পারে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে সাময়িক পরিবর্তন ঘটতে পারে।
তাপমাত্রায় বড় পরিবর্তন নেই
আগামী পাঁচ দিনে দেশের দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকলেও তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য ওঠানামার পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশের ওপর মৌসুমি বায়ু মোটামুটি সক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরের ওপর মৌসুমি বায়ু শক্তিশালী অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ
এদিকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর কাছাকাছি পশ্চিমবঙ্গ এবং উত্তর ওডিশা উপকূলীয় এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে বলে জানিয়েছে বিএমডি।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মৌসুমি অক্ষ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, লঘুচাপের কেন্দ্র হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি অংশ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের ওপর দিয়ে অবস্থান করছে।
সামগ্রিকভাবে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের ওপর শক্তিশালী থাকায় আগামী কয়েক দিন দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















