০৬:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
শিশু-কিশোরীকে আত্মঘাতী হামলায় ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ, বেলুচিস্তানে উদ্ধার দুই বোনঝি দুর্যোগে যখন সব যোগাযোগ বন্ধ, পাকিস্তানে ভরসা হয়ে উঠছে পুরোনো রেডিও সন্ত্রাস মামলায় ‘মুখহীন গোপন বিচার’ চায় পাঞ্জাব, সংবিধান নিয়ে উঠছে বড় প্রশ্ন জন্মের চেয়ে মৃত্যু বেশি, জনসংখ্যা কমছে হাঙ্গেরিতে জুলাইয়ে বিদেশি সহায়তা কমেছে ১৩.৪ শতাংশ, ঋণ পরিশোধে বেড়েছে চাপ তিব্বতের বন্যায় ২৩ দেশের ২৬১ বিদেশি নিখোঁজ, নেপালে মৃত ৭৩৪ নেপাল-চীন বন্যায় নিখোঁজ প্রায় ৩ হাজার, মৃত ৬৩৩: চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান কাজাখস্তানের বড় বাজি: অস্থির বিশ্বের মধ্যে স্থিতিশীলতার রাজনীতি গুগলের পাকিস্তান প্রবেশে নতুন বিতর্ক, ৩০ বিলিয়ন ডলারের আইটি রপ্তানি নাকি বড় ডিজিটাল বাজারের লক্ষ্য? ইরানে ফের যুদ্ধের আগুন, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা

রাজধানীর সড়ক উন্নয়নে গতি, যানজট কমাতে একাধিক প্রকল্পে জোর

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল করতে একাধিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। যানজট কমানো, বিভিন্ন আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নাগরিকদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমানোই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মোহসিন রাজা নাকভির পরিকল্পনা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফের নেতৃত্বে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, রাজধানীর সড়কব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে প্রতিদিনের যাতায়াতকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করা।

এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক সম্প্রসারণ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফ ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক প্রশস্ত ও সম্প্রসারণ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, নির্মাণকাজের মান এবং অনুমোদিত প্রকৌশলগত নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা পর্যালোচনা করেন।

কর্মকর্তারা প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা এবং এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া কাজ সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। পরে তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে অনুমোদিত নকশা, কারিগরি নির্দেশনা ও নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

সোহেল আশরাফ বলেন, শুধু নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করাই সাফল্যের মাপকাঠি হতে পারে না। নির্মাণের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারিক কার্যকারিতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আজ যে অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে, তা যেন আগামী বহু বছর নাগরিকদের সেবা দিতে পারে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

যানজট ও যাতায়াতের সময় কমানোর উদ্যোগ

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও সংস্কারকে নগর পরিবহনব্যবস্থা শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান উপায় হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যস্ত মোড় ও প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো এবং যান চলাচল আরও স্বাভাবিক করাই এসব প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর সরাসরি সুফল হিসেবে নাগরিকদের দৈনন্দিন যাতায়াতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমতে পারে।

উড়ালসেতু, ভূগর্ভস্থ পথ ও পথচারী পারাপার

বড় সড়ক প্রকল্পের পাশাপাশি ইসলামাবাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভূগর্ভস্থ পথ, উড়ালসেতু এবং পথচারী পারাপারের সেতুসহ নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যস্ত সড়ক পারাপারে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আলাদা করে দেওয়ার ফলে রাজধানীর পরিবহনব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

নতুন সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণই এখানে শেষ কথা নয়। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনার লক্ষ্য রয়েছে। নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

আবাসিক এলাকা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত হলে মানুষ ও পণ্য পরিবহনও সহজ হতে পারে। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

উন্নয়নকাজে সন্তুষ্ট নগরবাসী

ইসলামাবাদের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা চলমান ও ইতোমধ্যে শেষ হওয়া সড়ক ও যান চলাচল-সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোর প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, নতুন ও বিকল্প সড়ক চালু হওয়ায় রাজধানীর এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত অনেক ক্ষেত্রে সহজ হয়েছে।

তবে ইসলামাবাদের জনসংখ্যা ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট মোকাবিলায় আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।

নগরবাসীর প্রত্যাশা, উন্নয়নকাজের গতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নগর সৌন্দর্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ভবিষ্যতের আধুনিক ইসলামাবাদের লক্ষ্য

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদকে আধুনিক, নিরাপদ, সহজগম্য, সুসংযুক্ত ও টেকসই রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মোহসিন রাজা নাকভির পরিকল্পনা এবং চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফের নেতৃত্বে এমন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেগুলো নাগরিকদের দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা দেবে।

এর বৃহত্তর লক্ষ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যতের পরিবহন চাহিদা মোকাবিলায় একটি সমন্বিত নগর অবকাঠামো গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে শুধু যানজট কমানো নয়, ইসলামাবাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানও উন্নত করার চেষ্টা চলছে।

উন্নয়নের মূল বার্তা তাই স্পষ্ট—মানসম্পন্ন নির্মাণ, সহজ যোগাযোগ এবং নাগরিকদের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের ইসলামাবাদ।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু-কিশোরীকে আত্মঘাতী হামলায় ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ, বেলুচিস্তানে উদ্ধার দুই বোনঝি

রাজধানীর সড়ক উন্নয়নে গতি, যানজট কমাতে একাধিক প্রকল্পে জোর

০৫:২১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে সড়ক যোগাযোগ আরও সহজ, নিরাপদ ও গতিশীল করতে একাধিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। যানজট কমানো, বিভিন্ন আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকার মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো এবং নাগরিকদের যাতায়াতের ভোগান্তি কমানোই এসব উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মোহসিন রাজা নাকভির পরিকল্পনা এবং রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফের নেতৃত্বে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, রাজধানীর সড়কব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করে প্রতিদিনের যাতায়াতকে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় করা।

এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক সম্প্রসারণ

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফ ইসলামাবাদ এক্সপ্রেসওয়ের পূর্ব পাশের সড়ক প্রশস্ত ও সম্প্রসারণ প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, নির্মাণকাজের মান এবং অনুমোদিত প্রকৌশলগত নীতিমালা অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা পর্যালোচনা করেন।

কর্মকর্তারা প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা এবং এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া কাজ সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। পরে তিনি সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে অনুমোদিত নকশা, কারিগরি নির্দেশনা ও নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেন।

সোহেল আশরাফ বলেন, শুধু নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প শেষ করাই সাফল্যের মাপকাঠি হতে পারে না। নির্মাণের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারিক কার্যকারিতাকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। আজ যে অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে, তা যেন আগামী বহু বছর নাগরিকদের সেবা দিতে পারে, সেদিকেও নজর দিতে হবে।

যানজট ও যাতায়াতের সময় কমানোর উদ্যোগ

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নির্মাণ, প্রশস্তকরণ ও সংস্কারকে নগর পরিবহনব্যবস্থা শক্তিশালী করার অন্যতম প্রধান উপায় হিসেবে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং রাজধানীতে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ পথগুলোর মধ্যে যোগাযোগ আরও উন্নত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যস্ত মোড় ও প্রধান সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব কমানো এবং যান চলাচল আরও স্বাভাবিক করাই এসব প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য। এর সরাসরি সুফল হিসেবে নাগরিকদের দৈনন্দিন যাতায়াতে সময় ও ভোগান্তি দুটোই কমতে পারে।

উড়ালসেতু, ভূগর্ভস্থ পথ ও পথচারী পারাপার

বড় সড়ক প্রকল্পের পাশাপাশি ইসলামাবাদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ভূগর্ভস্থ পথ, উড়ালসেতু এবং পথচারী পারাপারের সেতুসহ নানা ধরনের অবকাঠামো নির্মাণ ও উন্নয়ন করা হয়েছে।

এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে একদিকে যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, অন্যদিকে ব্যস্ত সড়ক পারাপারে পথচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

প্রয়োজন অনুযায়ী যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল আলাদা করে দেওয়ার ফলে রাজধানীর পরিবহনব্যবস্থা আরও সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ হবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও সড়কে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থাও আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিক স্বাচ্ছন্দ্যই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার।

নতুন সড়ক বা অবকাঠামো নির্মাণই এখানে শেষ কথা নয়। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনার লক্ষ্য রয়েছে। নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

আবাসিক এলাকা ও বাণিজ্যিক কেন্দ্রগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত হলে মানুষ ও পণ্য পরিবহনও সহজ হতে পারে। এর ফলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

উন্নয়নকাজে সন্তুষ্ট নগরবাসী

ইসলামাবাদের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা চলমান ও ইতোমধ্যে শেষ হওয়া সড়ক ও যান চলাচল-সংক্রান্ত প্রকল্পগুলোর প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, নতুন ও বিকল্প সড়ক চালু হওয়ায় রাজধানীর এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাতায়াত অনেক ক্ষেত্রে সহজ হয়েছে।

তবে ইসলামাবাদের জনসংখ্যা ও যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট মোকাবিলায় আরও বিনিয়োগ প্রয়োজন বলেও মনে করছেন তারা।

নগরবাসীর প্রত্যাশা, উন্নয়নকাজের গতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নগর সৌন্দর্য, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিনের নাগরিক সমস্যাগুলোর সমাধানেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে।

ভবিষ্যতের আধুনিক ইসলামাবাদের লক্ষ্য

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইসলামাবাদকে আধুনিক, নিরাপদ, সহজগম্য, সুসংযুক্ত ও টেকসই রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলার একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ মোহসিন রাজা নাকভির পরিকল্পনা এবং চেয়ারম্যান সোহেল আশরাফের নেতৃত্বে এমন প্রকল্পকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যেগুলো নাগরিকদের দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা দেবে।

এর বৃহত্তর লক্ষ্য হলো বর্তমান ও ভবিষ্যতের পরিবহন চাহিদা মোকাবিলায় একটি সমন্বিত নগর অবকাঠামো গড়ে তোলা। এর মাধ্যমে শুধু যানজট কমানো নয়, ইসলামাবাদের সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানও উন্নত করার চেষ্টা চলছে।

উন্নয়নের মূল বার্তা তাই স্পষ্ট—মানসম্পন্ন নির্মাণ, সহজ যোগাযোগ এবং নাগরিকদের প্রয়োজনকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠবে ভবিষ্যতের ইসলামাবাদ।