০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
‘রক দ্য কান্ট্রি’ ট্যুরে লুডাক্রিস বাদ: রাজনীতির উত্তাপ ফাতিমা সানা শেখের নতুন ছবির শুট শেষ, সেট থেকেই ভাগ করে নিলেন আনন্দের মুহূর্ত আমেরিকায় নতুন সুর, নতুন আত্মবিশ্বাস: ট্রাম্পের প্রত্যাবর্তনের এক বছরে বদলে যাওয়া রাজনীতি ও সমাজ বয়স্কদের টিকা শুধু সংক্রমণ নয়, বাঁচাচ্ছে হৃদয় ও স্মৃতিশক্তি গো খেলায় ঐতিহ্য থাকলেও ঐক্য নেই, পূর্ব এশিয়ার তিন শক্তির দ্বন্দ্বে সংকটে প্রাচীন বোর্ড খেলা কৌশলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সুযোগ কাউকে দেবে না বিএনপি: সালাহউদ্দিন আহমদ কুষ্টিয়ায় অবৈধ অস্ত্র নিয়ে প্রার্থীদের উদ্বেগ উত্তরার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের শেষ বিদায়, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহে নেমে আসে শোকের ছায়া অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে নিহত ৪৫ মার্কিন ভিসা নীতিতে সংকট বাড়ছে বাংলাদেশের

শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্ধ দিতে হবে

  • Sarakhon Report
  • ০১:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
  • 63

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পূর্ণবিবেচনা করে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়ে বলেন, এই বাজেট সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চলমান কষ্ট ও ভোগান্তি আরো বাড়াবে। তাদের জীবনকে আরো অস্বস্তি ও বিপর্যস্ত করে তুলবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন দেশের প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ৭ কোটির অধিক  শ্রমিক কর্মচারী যারা দেশের উৎপাদন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, তাদের খাদ্য, আবাসন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান উর্ধগতির ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন- জীবিকা আজ চরম সংকটাপন্ন।

কিন্তু তাদের অবস্থার উন্নয়ন বিশেষ করে রেশনিং, কর্মসংস্থান এবং মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সংকট থেকে উত্তরণে বাজেটে কোন বরাদ্ধ ও দিকনির্দেশনা নেই। ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারনে আমদানি সংকট দেখা দিবে, অন্যদিকে জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও পানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা ও দুর্ভোগ বাড়াবে।

বাজেটে দূর্নীতি ও বৈষম্য নিরসনের কোন নির্দেশনা নেই। উৎপাদনশীল খাতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বাজেট সাধারণ জনগণের উপর “মরার উপর খরার ঘা” হিসেবে আর্থিক চাপ বাড়াবে।  পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতিতে এই বাজেট ধনীকে আরো ধনী এবং গরীবকে আরো গরীব করে বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। তাই কোনভাবেই এটা জনকল্যাণমূলক বাজেট নয় মর্মে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে দূর্ণীতিমুক্তভাবে সরাসরি নিম্নআয়ের মানুষদের কাছে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি ও শিশু খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহবান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

‘রক দ্য কান্ট্রি’ ট্যুরে লুডাক্রিস বাদ: রাজনীতির উত্তাপ

শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্ধ দিতে হবে

০১:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পূর্ণবিবেচনা করে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়ে বলেন, এই বাজেট সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চলমান কষ্ট ও ভোগান্তি আরো বাড়াবে। তাদের জীবনকে আরো অস্বস্তি ও বিপর্যস্ত করে তুলবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন দেশের প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ৭ কোটির অধিক  শ্রমিক কর্মচারী যারা দেশের উৎপাদন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, তাদের খাদ্য, আবাসন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান উর্ধগতির ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন- জীবিকা আজ চরম সংকটাপন্ন।

কিন্তু তাদের অবস্থার উন্নয়ন বিশেষ করে রেশনিং, কর্মসংস্থান এবং মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সংকট থেকে উত্তরণে বাজেটে কোন বরাদ্ধ ও দিকনির্দেশনা নেই। ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারনে আমদানি সংকট দেখা দিবে, অন্যদিকে জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও পানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা ও দুর্ভোগ বাড়াবে।

বাজেটে দূর্নীতি ও বৈষম্য নিরসনের কোন নির্দেশনা নেই। উৎপাদনশীল খাতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বাজেট সাধারণ জনগণের উপর “মরার উপর খরার ঘা” হিসেবে আর্থিক চাপ বাড়াবে।  পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতিতে এই বাজেট ধনীকে আরো ধনী এবং গরীবকে আরো গরীব করে বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। তাই কোনভাবেই এটা জনকল্যাণমূলক বাজেট নয় মর্মে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে দূর্ণীতিমুক্তভাবে সরাসরি নিম্নআয়ের মানুষদের কাছে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি ও শিশু খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহবান জানান।