০৪:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
তেলের দাম কি ২০০ ডলারে উঠতে পারে হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র তেল ছাড়লেও থামবে না সংকট! ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আশঙ্কা ইরানের নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন হামলা ইসরায়েলের শিল্পপতির বাড়িতে গুলিবর্ষণ: সাজ্জাদ বাহিনীর তিন সদস্য এসএমজিসহ গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধের প্রভাব: জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বসন্তকালীন সুদহার বাড়ানোর পূর্বাভাসে নতুন অনিশ্চয়তা এশিয়ায় পরীক্ষিত হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা কৌশল ট্রাম্প কি ইরানের যুদ্ধ পরিস্থিতি সম্পর্কে সত্যিই জানেন? বিতর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য চীনা বিনিয়োগের জন্যে বিদেশি বিনিয়োগ নীতি শিথিল করলো ভারত গাজায় নারীদের ‘বেঁচে থাকার ন্যূনতম শর্ত’ থেকেও বঞ্চিত করা হচ্ছে: অ্যামনেস্টি

শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্ধ দিতে হবে

  • Sarakhon Report
  • ০১:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪
  • 78

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পূর্ণবিবেচনা করে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়ে বলেন, এই বাজেট সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চলমান কষ্ট ও ভোগান্তি আরো বাড়াবে। তাদের জীবনকে আরো অস্বস্তি ও বিপর্যস্ত করে তুলবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন দেশের প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ৭ কোটির অধিক  শ্রমিক কর্মচারী যারা দেশের উৎপাদন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, তাদের খাদ্য, আবাসন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান উর্ধগতির ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন- জীবিকা আজ চরম সংকটাপন্ন।

কিন্তু তাদের অবস্থার উন্নয়ন বিশেষ করে রেশনিং, কর্মসংস্থান এবং মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সংকট থেকে উত্তরণে বাজেটে কোন বরাদ্ধ ও দিকনির্দেশনা নেই। ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারনে আমদানি সংকট দেখা দিবে, অন্যদিকে জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও পানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা ও দুর্ভোগ বাড়াবে।

বাজেটে দূর্নীতি ও বৈষম্য নিরসনের কোন নির্দেশনা নেই। উৎপাদনশীল খাতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বাজেট সাধারণ জনগণের উপর “মরার উপর খরার ঘা” হিসেবে আর্থিক চাপ বাড়াবে।  পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতিতে এই বাজেট ধনীকে আরো ধনী এবং গরীবকে আরো গরীব করে বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। তাই কোনভাবেই এটা জনকল্যাণমূলক বাজেট নয় মর্মে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে দূর্ণীতিমুক্তভাবে সরাসরি নিম্নআয়ের মানুষদের কাছে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি ও শিশু খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহবান জানান।

জনপ্রিয় সংবাদ

তেলের দাম কি ২০০ ডলারে উঠতে পারে

শ্রমজীবী মানুষের জন্য রেশনসহ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্ধ দিতে হবে

০১:১৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ জুন ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক 

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের (টিইউসি) সভাপতি সহিদুল্লাহ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদুল ইসলাম খান এক বিবৃতিতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট পূর্ণবিবেচনা করে নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালুসহ সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবী জানিয়ে বলেন, এই বাজেট সাধারণ খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মেহনতি মানুষের চলমান কষ্ট ও ভোগান্তি আরো বাড়াবে। তাদের জীবনকে আরো অস্বস্তি ও বিপর্যস্ত করে তুলবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন দেশের প্রাতিষ্ঠানিক-অপ্রাতিষ্ঠানিক নির্বিশেষে ৭ কোটির অধিক  শ্রমিক কর্মচারী যারা দেশের উৎপাদন ও অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি, তাদের খাদ্য, আবাসন ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা অতীব গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য। দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান উর্ধগতির ফলে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন- জীবিকা আজ চরম সংকটাপন্ন।

কিন্তু তাদের অবস্থার উন্নয়ন বিশেষ করে রেশনিং, কর্মসংস্থান এবং মজুরি বৃদ্ধির মাধ্যমে এই সংকট থেকে উত্তরণে বাজেটে কোন বরাদ্ধ ও দিকনির্দেশনা নেই। ডলারের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির কারনে আমদানি সংকট দেখা দিবে, অন্যদিকে জ্বালানী তেল, বিদ্যুৎ ও পানির দাম দফায় দফায় বৃদ্ধির মাধ্যমে বাজারে নিত্যপণ্যের দাম আরো বৃদ্ধি পেয়ে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্দশা ও দুর্ভোগ বাড়াবে।

বাজেটে দূর্নীতি ও বৈষম্য নিরসনের কোন নির্দেশনা নেই। উৎপাদনশীল খাতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ বাজেট সাধারণ জনগণের উপর “মরার উপর খরার ঘা” হিসেবে আর্থিক চাপ বাড়াবে।  পুঁজিবাদী বাজার অর্থনীতিতে এই বাজেট ধনীকে আরো ধনী এবং গরীবকে আরো গরীব করে বৈষম্য বৃদ্ধি পাবে। তাই কোনভাবেই এটা জনকল্যাণমূলক বাজেট নয় মর্মে মন্তব্য করেন নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ রেশন ও ন্যায্যমূল্যের দোকানের মাধ্যমে দূর্ণীতিমুক্তভাবে সরাসরি নিম্নআয়ের মানুষদের কাছে চাল, ডাল, তেল, আটা, চিনি ও শিশু খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী নিশ্চিত করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহবান জানান।