০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’ আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশ ছাড়তে পারবেন না সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হক থানা পোড়ানোর বক্তব্য ভাইরাল: হবিগঞ্জে সমন্বয়ক মাহাদীসহ আটক ৩ বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট, শোকজ ছাড়াই রাজশাহীতে কলেজশিক্ষক বরখাস্ত নিবন্ধনের আওতায় আসছে হকাররা, ডিএসসিসিকে দিতে হবে মাসে ৩ হাজার টাকা নিমরা খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিশ্চিত করলেন জেইন হামিদ, ফিজা আলীর ক্ষোভ ওড়িশার গ্রামীণ হাসপাতালে মার্কিন পর্যটকের বিনামূল্যে চিকিৎসা, বিস্মিত হয়ে প্রশংসা ভারতের স্বাস্থ্যসেবার ইমরান খানের দৃষ্টিশক্তি প্রায় স্বাভাবিক, চিকিৎসা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি কাল বিজেপিতে বড় রদবদল: স্মৃতি ইরানি সাধারণ সম্পাদক, রাম মাধব সহসভাপতি ফিলিপাইনের ঐতিহ্যের স্বাদ: মামন ও এনসাইমাদায় তিন বেকশপের গল্প

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১২)

  • Sarakhon Report
  • ১২:০০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪
  • 159

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


শুয়াতেমালা ও হাইতির নীল উৎপাদন বিলুপ্তির কারণ যদিও আভ্যন্তরীণ তবুও এই বিলুপ্তির পেছনে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রসমূহের অন্তঃকলহ কম দায়ী নয়। মধ্য আমেরিকা থেকে স্পেনীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিলুপ্তির পর বেআইনীভাবে ব্যবসা শুরু করে বৃটেন ও উত্তর আমেরিকা। বিশ্ববাজারে তখন হাইতির নীল আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিরা নিয়ে আসত। স্পেন ও ফরাসী উপনিবেশে নীল উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা ও মুনাফা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি এড়ায়নি।
“হাইতির এক ফরাসী নীল ব্যবসায়ী ১৭৯৩ সালে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের ঐক্যের আহবান জানায়। ইংরাজদের নির্মম শোষণ ও জঘন্য নীতির বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্য সব জাতি ঐক্যবদ্ধ হোন। বৃটেন তার অতৃপ্ত ক্ষুধা মেটাবার জন্য আক্রমণ করেছে খোদ বিশ্ববাণিজ্যেকে। আসুন এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আমরা একত্রিত হই। আমাদের উর্বরা জমিতে উৎপাদিত শস্যের ভস্ম থেকে আবার উৎপাদিত হোক সোনার ফসল।
উত্তর আমেরিকার নীল: এক দুর্লভ হাতছানি
এখন যে অঞ্চল আমাদের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অঞ্চল বলে পরিচিত সেখানেও বাণিজ্যিকভাবে নীল চাষ করা হত। কিন্তু নীলের বদলে আরও লাভজনক কিছু আবাদ করার আশায় তা পরিত্যাগ করা হয়। ১৭২০ ও ১৭৩০ সালের দিকে বৃটিশ চাহিদার ফলে আবার নীল চাষের পুনঃপ্রবর্তন করা হয়, কেননা তখনকার দিনে বৃটেনের প্রধান নীল সরবরাহকারী বৃটিশ ক্যারিবিয়ানরা নীল চাষ ছেড়ে দেয়। নতুন এই চাহিদার প্রতি সাড়া দিয়ে উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে নীল উৎপাদন শুরু হয়। ওই সময়ে আমেরিকায় নীলচাষ করা লাভজনক ব্যবসায়ে পরিণত হওয়ার কারণ হল জমির মালিকরা খুব সহজে আফ্রিকার ক্রীতদাস ও গোলামদের সরবরাহ পেত।
জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতার ঘোষণায় সুকর্ণ: ‘একবার মুক্ত, চিরকাল মুক্ত’

নীলের বিশ্বায়ন – নীল ও ঔপনিবেশিক বাংলায় গোয়েন্দাগিরি (পর্ব-১২)

১২:০০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪

পিয়ের পল দারাক ও ভেলাম ভান সেন্দেল

অনুবাদ : ফওজুল করিম


শুয়াতেমালা ও হাইতির নীল উৎপাদন বিলুপ্তির কারণ যদিও আভ্যন্তরীণ তবুও এই বিলুপ্তির পেছনে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রসমূহের অন্তঃকলহ কম দায়ী নয়। মধ্য আমেরিকা থেকে স্পেনীয় সাম্রাজ্যবাদী শক্তির বিলুপ্তির পর বেআইনীভাবে ব্যবসা শুরু করে বৃটেন ও উত্তর আমেরিকা। বিশ্ববাজারে তখন হাইতির নীল আন্তর্জাতিক চোরাকারবারিরা নিয়ে আসত। স্পেন ও ফরাসী উপনিবেশে নীল উৎপাদন বন্ধ হওয়ার ভূ-রাজনৈতিক সুবিধা ও মুনাফা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের দৃষ্টি এড়ায়নি।
“হাইতির এক ফরাসী নীল ব্যবসায়ী ১৭৯৩ সালে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের ঐক্যের আহবান জানায়। ইংরাজদের নির্মম শোষণ ও জঘন্য নীতির বিরুদ্ধে বিশ্বের অন্য সব জাতি ঐক্যবদ্ধ হোন। বৃটেন তার অতৃপ্ত ক্ষুধা মেটাবার জন্য আক্রমণ করেছে খোদ বিশ্ববাণিজ্যেকে। আসুন এই অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে আমরা একত্রিত হই। আমাদের উর্বরা জমিতে উৎপাদিত শস্যের ভস্ম থেকে আবার উৎপাদিত হোক সোনার ফসল।
উত্তর আমেরিকার নীল: এক দুর্লভ হাতছানি
এখন যে অঞ্চল আমাদের কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ অঞ্চল বলে পরিচিত সেখানেও বাণিজ্যিকভাবে নীল চাষ করা হত। কিন্তু নীলের বদলে আরও লাভজনক কিছু আবাদ করার আশায় তা পরিত্যাগ করা হয়। ১৭২০ ও ১৭৩০ সালের দিকে বৃটিশ চাহিদার ফলে আবার নীল চাষের পুনঃপ্রবর্তন করা হয়, কেননা তখনকার দিনে বৃটেনের প্রধান নীল সরবরাহকারী বৃটিশ ক্যারিবিয়ানরা নীল চাষ ছেড়ে দেয়। নতুন এই চাহিদার প্রতি সাড়া দিয়ে উত্তর আমেরিকায় বাণিজ্যিকভাবে নীল উৎপাদন শুরু হয়। ওই সময়ে আমেরিকায় নীলচাষ করা লাভজনক ব্যবসায়ে পরিণত হওয়ার কারণ হল জমির মালিকরা খুব সহজে আফ্রিকার ক্রীতদাস ও গোলামদের সরবরাহ পেত।