০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
আলাস্কার মহামারির শেষ জীবিত সাক্ষী জির্ডেস উইন্টার ব্যাক্সটারের বিদায় ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তি: কেন একে ‘সব চুক্তির জননী’ বলা হচ্ছে শুধু ‘হ্যাঁ’ ভোটেই পরিবর্তন এ দাবি বিভ্রান্তিকর ও অসৎ আসিফ সালেহ ২০ ফেব্রুয়ারি থেকেই শুরু অমর একুশে বইমেলা, স্টল ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় জামিনে বেরিয়ে নিহত রূপলালের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি, থানায় অভিযোগ চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় নেওয়া বাংলাদেশি শ্রমিকদের ইউক্রেন যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে নতুন রাজনীতি পোস্টারমুক্ত নির্বাচনে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের প্রচারের চিত্র শ্রীমঙ্গলে টানা চার দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, শীত কম টের পাচ্ছেন মানুষ মামলা বাণিজ্যের ছায়ায় দেশের ব্যবসা রাশিয়ার তেল কেনায় ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের ‘পথ’ দেখছে যুক্তরাষ্ট্র

কেন ইমরান খানের এই অবিশ্বাস্য উত্থান এবং তাঁর ভবিষ্যত্‌

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • 226

ফারখুন্দ ইউসুফজাই- পাকিস্তান থেকে

ইমারন খান জেলে বন্দী থাকা অবস্থায় তার সমর্থিত একশ’ সদস্য’র বিজয়কে রীতিমত অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে পাকিস্তানে। ইমরান খানের এই বিজয়ের মূল কারণ হিসেবে পাকিস্তানের রাজনৈতিক মানুষ মনে করছে, পাকিস্তানের এস্টাবিল্টমেন্টের দ্বারা বার বার অন্যায়ভাবে নিগৃহিত হবার কারণে পাকিস্তানের তরুণ সম্প্রদায় তাঁর প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েছে। কারণ, তারা মনে করেছে ইমরান খানের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে যা তাদের প্রতিবাদী মন আরো বেশি ইমরানের প্রতি আনুগত্যের দিকে নিয়ে গেছে। এবং সত্যি অর্থে ইয়াং জেনারেশন তাকে শক্তভাবেই সমর্থন করেছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্টের সমর্থন থাকার কারণে নেওয়াজ শরীফ নির্বাচনে জনগনের কাছে যাবার বিষয়টির গুরুত্ব দেন খুবই কম।

যদিও পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্টের ইচ্ছা অনুযায়ী শেষ মুহূর্তে নেওয়াজ শরীফের নেতৃত্বে পিপলস পার্টি সহ অনান্য কয়েকটি পার্টি মিলে পাকিস্তানে সরকার গঠন হবে। আর এই হ্যাঙ পার্লামেন্টের সরকার মূলত এস্টাবলিসমেন্টের হাতের পুতুল হবে বলেই মনে করছে সকলে। তাছাড়া সেটাই পাকিস্তান স্টাবলিসমেন্টের ইচ্ছে।

 

তবে ইমারন খান জেলে বসে যে জনপ্রিয়তা দেখাতে পেরেছেন তাতে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সচেতন ও বিশেষজ্ঞগন মনে করছেন, ক্রিকেট জীবনে যেমন ইমরান বার বার শোচনীয় একটি ম্যাচকে বিজয়ের দিকে নিয়ে গেছেন তাঁর রাজনৈতিক জীবনেও শেষ অবধি সেটাই ঘটবে।

এ মুহূর্তে তিনিই পাকিস্তানের সব থেকে জনপ্রিয় নেতা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে কমপক্ষে তিনটি জটিল মামলা থাকায় আগামী দুই এক বছরের আগে জেল থেকে বের হবার সম্ভাবনা তাঁর খুবই কম।তাছাড়া তাঁর মূল প্রতিদ্বন্ধি এ মুহূর্তে পাকিস্তান মুসলিম লীগ বা পিপলস পাটি নয়। তার মূল প্রতিদ্বন্ধি পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্ট ও জুডিশিয়ারি।

এই দুই শক্তি তাকে চাপিয়ে রাখতে চেষ্টা করবে কিন্তু এর বিপরীতে তরুণ প্রজম্ম বা পাকিস্তানের ভবিষ্যত প্রজম্মই ইমরানের মূল শক্তি। তাই তারুণ্যের এই শক্তি’র ওপর নির্ভর করে আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে ইমরানের যদি কোন দারুণ প্রত্যাবর্তন ঘটে তাতে আশ্চর্য হবার কিছু থাকবে না।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

আলাস্কার মহামারির শেষ জীবিত সাক্ষী জির্ডেস উইন্টার ব্যাক্সটারের বিদায়

কেন ইমরান খানের এই অবিশ্বাস্য উত্থান এবং তাঁর ভবিষ্যত্‌

০৮:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

ফারখুন্দ ইউসুফজাই- পাকিস্তান থেকে

ইমারন খান জেলে বন্দী থাকা অবস্থায় তার সমর্থিত একশ’ সদস্য’র বিজয়কে রীতিমত অবিশ্বাস্য রাজনৈতিক উত্থান হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে পাকিস্তানে। ইমরান খানের এই বিজয়ের মূল কারণ হিসেবে পাকিস্তানের রাজনৈতিক মানুষ মনে করছে, পাকিস্তানের এস্টাবিল্টমেন্টের দ্বারা বার বার অন্যায়ভাবে নিগৃহিত হবার কারণে পাকিস্তানের তরুণ সম্প্রদায় তাঁর প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েছে। কারণ, তারা মনে করেছে ইমরান খানের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে যা তাদের প্রতিবাদী মন আরো বেশি ইমরানের প্রতি আনুগত্যের দিকে নিয়ে গেছে। এবং সত্যি অর্থে ইয়াং জেনারেশন তাকে শক্তভাবেই সমর্থন করেছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্টের সমর্থন থাকার কারণে নেওয়াজ শরীফ নির্বাচনে জনগনের কাছে যাবার বিষয়টির গুরুত্ব দেন খুবই কম।

যদিও পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্টের ইচ্ছা অনুযায়ী শেষ মুহূর্তে নেওয়াজ শরীফের নেতৃত্বে পিপলস পার্টি সহ অনান্য কয়েকটি পার্টি মিলে পাকিস্তানে সরকার গঠন হবে। আর এই হ্যাঙ পার্লামেন্টের সরকার মূলত এস্টাবলিসমেন্টের হাতের পুতুল হবে বলেই মনে করছে সকলে। তাছাড়া সেটাই পাকিস্তান স্টাবলিসমেন্টের ইচ্ছে।

 

তবে ইমারন খান জেলে বসে যে জনপ্রিয়তা দেখাতে পেরেছেন তাতে পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সচেতন ও বিশেষজ্ঞগন মনে করছেন, ক্রিকেট জীবনে যেমন ইমরান বার বার শোচনীয় একটি ম্যাচকে বিজয়ের দিকে নিয়ে গেছেন তাঁর রাজনৈতিক জীবনেও শেষ অবধি সেটাই ঘটবে।

এ মুহূর্তে তিনিই পাকিস্তানের সব থেকে জনপ্রিয় নেতা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে বর্তমানে কমপক্ষে তিনটি জটিল মামলা থাকায় আগামী দুই এক বছরের আগে জেল থেকে বের হবার সম্ভাবনা তাঁর খুবই কম।তাছাড়া তাঁর মূল প্রতিদ্বন্ধি এ মুহূর্তে পাকিস্তান মুসলিম লীগ বা পিপলস পাটি নয়। তার মূল প্রতিদ্বন্ধি পাকিস্তানের স্টাবলিসমেন্ট ও জুডিশিয়ারি।

এই দুই শক্তি তাকে চাপিয়ে রাখতে চেষ্টা করবে কিন্তু এর বিপরীতে তরুণ প্রজম্ম বা পাকিস্তানের ভবিষ্যত প্রজম্মই ইমরানের মূল শক্তি। তাই তারুণ্যের এই শক্তি’র ওপর নির্ভর করে আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে ইমরানের যদি কোন দারুণ প্রত্যাবর্তন ঘটে তাতে আশ্চর্য হবার কিছু থাকবে না।