০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
প্রোটিন পানীয় এর জোয়ার: শরীরচর্চায় সত্যিই কি বাড়তি লাভ? ত্বক ও চুলে নতুন প্রাণের চিকিৎসা, সৌন্দর্য চিকিৎসায় পুনর্জন্মের যুগ প্রোটিন ও আঁশে শক্ত শরীর: নারীদের জন্য সময় বাঁচানো পুষ্টিকর খাবারের নতুন পরিকল্পনা কর্মব্যস্ত নারীর পুষ্টিকর নাস্তার নতুন সমাধান হ্যাম ও চিজ পাওয়ার বাইট শীতের দিনে পুষ্টির উষ্ণতা: ঘরেই তৈরি চিকেন টরটেলিনি স্যুপ স্বাদ ও সুস্থতার মিলন গ্রামীণ থাইল্যান্ডে ভোটের হিসাব বদলাচ্ছে, দল নয় প্রাধান্য পাচ্ছেন প্রার্থী সম্মতি অমান্য করেও যৌনায়িত ছবি তৈরি করছে মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিদেশি যুদ্ধবন্দিদের অনিশ্চিত জীবন ইউক্রেনের কারাগারে আটকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের নাম বদল: কোটি কোটি ডলারের চাপ বাড়তে পারে করদাতাদের ওপর মার্কিন চোখে গ্রিনল্যান্ড কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, ট্রাম্প আসলে কী চান

পৃথিবীর এই উষ্ণায়নে তাপমাত্রা ও মায়ো ক্লিনিকের পরামর্শ

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
  • 105

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

এ বছর পৃথিবীর সব দেশের মানুষকে অতিরিক্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে হয়েছে। এবং এখনও পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা। যার ফলে তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার বিপদ অব্যাহত রয়েছে। 

এ অবস্থায় আমেরিকার বিখ্যাত চিকিত্‌সা গবেষণা প্রতিষ্ঠান মায়ো ক্লিনিকের গবেষক ও ডাক্তাররা পরামর্শ দিচ্ছেন,  তাপ এবং আর্দ্রতার দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা হতে পারে – হিট ক্র্যাম্প থেকে শুরু করে অবসাদ পর্যন্ত এবং জীবন-হুমকী হিটস্ট্রোক পর্যন্ত।

মায়ো ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাঃ জেসি ব্রাকামন্ট অসুস্থ বোধ করলে কী করা উচিত সে সম্পর্কে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, তাপ এবং আর্দ্রতার দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে তাপ-সম্পর্কিত বিভিন্ন অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়, যা মৃদু থেকে গুরুতর হতে পারে।

“তাপ মানুষের দেহকে প্রভাবিত করতে পারে মূল দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে, ঘামের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডিহাইড্রেশন ঘটিয়ে এমন করে  যা আরও  অনান্য চিকিৎসা ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এবং অবশেষে হিট অবসাদেরও কারণ হতে পারে – কিছু ক্ষেত্রে, গুরুতর তাপ অসুস্থতা, যা হিটস্ট্রোক নামে পরিচিত,” ।

তবে স্বাস্থ্য’র ক্ষেত্রে সব থেকে বড় উদ্বেগ তার মতে, হিটস্ট্রোক, “যা বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং নিজেকে ঠান্ডা রাখতে অক্ষমতা, বমি এবং বমি ভাব সৃষ্টি করতে পারে।”

এ ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে এবং তাপ অসুস্থতার প্রথম লক্ষণগুলি দেখা দিলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যত্ন নিতে হবে তা না হলে গুরুতর, এমনকি জীবন-হুমকির কারণ হতে পারে।

“যখন কারো তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়, তখন তার দ্রুত যত্ন নেওয়া জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ঠান্ডা হওয়া, ঠান্ডা তরল পান করা এবং তাপ থেকে দূরে থাকা,” বলেন ডাঃ ব্রাকামন্টে।

ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানীয় ডিহাইড্রেশনের সাথে সহায়ক হতে পারে। তবে তার মতে, প্রতিরোধই সেরা।

 এছাড়া “তাপের সাথে চলতে অভ্যস্ত হতে হবে, এবং দিনের সবচেয়ে উষ্ণ সময়ে বাইরে যাবেন না – দিনের সবচেয়ে ঠান্ডা সময় খুঁজে নিজেকে সুস্থ রাখুন এবং তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা থেকে দূরে থাকুন,”।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রোটিন পানীয় এর জোয়ার: শরীরচর্চায় সত্যিই কি বাড়তি লাভ?

পৃথিবীর এই উষ্ণায়নে তাপমাত্রা ও মায়ো ক্লিনিকের পরামর্শ

১০:০০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪

সারাক্ষণ প্রতিবেদক

এ বছর পৃথিবীর সব দেশের মানুষকে অতিরিক্ত তাপমাত্রা সহ্য করতে হয়েছে। এবং এখনও পৃথিবীর বিভিন্ন এলাকায় অতিরিক্ত তাপমাত্রা। যার ফলে তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার বিপদ অব্যাহত রয়েছে। 

এ অবস্থায় আমেরিকার বিখ্যাত চিকিত্‌সা গবেষণা প্রতিষ্ঠান মায়ো ক্লিনিকের গবেষক ও ডাক্তাররা পরামর্শ দিচ্ছেন,  তাপ এবং আর্দ্রতার দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা হতে পারে – হিট ক্র্যাম্প থেকে শুরু করে অবসাদ পর্যন্ত এবং জীবন-হুমকী হিটস্ট্রোক পর্যন্ত।

মায়ো ক্লিনিকের চিকিৎসক ডাঃ জেসি ব্রাকামন্ট অসুস্থ বোধ করলে কী করা উচিত সে সম্পর্কে পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, তাপ এবং আর্দ্রতার দীর্ঘমেয়াদী সংস্পর্শে তাপ-সম্পর্কিত বিভিন্ন অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়ায়, যা মৃদু থেকে গুরুতর হতে পারে।

“তাপ মানুষের দেহকে প্রভাবিত করতে পারে মূল দেহের তাপমাত্রা বাড়িয়ে, ঘামের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং ডিহাইড্রেশন ঘটিয়ে এমন করে  যা আরও  অনান্য চিকিৎসা ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে এবং অবশেষে হিট অবসাদেরও কারণ হতে পারে – কিছু ক্ষেত্রে, গুরুতর তাপ অসুস্থতা, যা হিটস্ট্রোক নামে পরিচিত,” ।

তবে স্বাস্থ্য’র ক্ষেত্রে সব থেকে বড় উদ্বেগ তার মতে, হিটস্ট্রোক, “যা বিশৃঙ্খলা, বিভ্রান্তি এবং নিজেকে ঠান্ডা রাখতে অক্ষমতা, বমি এবং বমি ভাব সৃষ্টি করতে পারে।”

এ ক্ষেত্রে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে এবং তাপ অসুস্থতার প্রথম লক্ষণগুলি দেখা দিলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যত্ন নিতে হবে তা না হলে গুরুতর, এমনকি জীবন-হুমকির কারণ হতে পারে।

“যখন কারো তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দেয়, তখন তার দ্রুত যত্ন নেওয়া জরুরি। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত ঠান্ডা হওয়া, ঠান্ডা তরল পান করা এবং তাপ থেকে দূরে থাকা,” বলেন ডাঃ ব্রাকামন্টে।

ইলেক্ট্রোলাইটযুক্ত পানীয় ডিহাইড্রেশনের সাথে সহায়ক হতে পারে। তবে তার মতে, প্রতিরোধই সেরা।

 এছাড়া “তাপের সাথে চলতে অভ্যস্ত হতে হবে, এবং দিনের সবচেয়ে উষ্ণ সময়ে বাইরে যাবেন না – দিনের সবচেয়ে ঠান্ডা সময় খুঁজে নিজেকে সুস্থ রাখুন এবং তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা থেকে দূরে থাকুন,”।