০৭:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬
হামসদৃশ উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, সতর্কতা বাড়াচ্ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি ভারতের নারী কৃষকদের স্বীকৃতি: আইনের পরিবর্তন কি বদলাবে বাস্তবতা? সংঘাতের ছায়া পেরিয়ে পাকিস্তান-ভারত সম্পর্ক: সংলাপ কি এখনও সম্ভব? নতুন প্লাজা চুক্তির সম্ভাবনা কতটা, কেন আগের মতো ফল দেবে না বৈশ্বিক মুদ্রা সমঝোতা নতুন যুগের সূচনা? গবেষণাগারে তৈরি ‘জন্মহীন’ কোষে জীববিজ্ঞানে বড় অগ্রগতি কেন বৈদ্যুতিক সাইকেল এখন উদারনীতি, প্রযুক্তি ও নগর রাজনীতির প্রতীক আপনার জন্য আদর্শ ঘুম কত ঘণ্টা? বেশি ঘুমও কি হতে পারে ক্ষতিকর সিউলের অ্যাপার্টমেন্টের নিচে লুকানো খাবারের জগৎ, যেখানে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে টিকে আছে কোরিয়ার আসল স্বাদ সহিংস ভিডিও গেম নয়, নিরাপদ শৈশবই হোক ভবিষ্যতের বিনিয়োগ রুট ৬৬: শতবর্ষ পেরিয়েও কেন আমেরিকার প্রাণের পথ হয়ে আছে ‘মাদার রোড’

নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগে দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

  • Sarakhon Report
  • ০৬:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪
  • 149

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে আইনের ৯ ধারায় দায়মুক্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ১০ আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার এ রুল জারি করেছেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগ নিয়ে দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না বলে দেয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- আব্দুল্লাহ সাদিক, জি এম মোজাহিদুর রহমান, মিসবাহ উদ্দিন, জোবায়দুর রহমান, নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সরওয়ার, মোজাহিদুল ইসলাম, মিজানুল হক ও এ কে এম নুরুন নবী। রিটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না- ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক।

তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ। রিটকারী আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়, তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না- এমন বিধান বাতিলও চাওয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হামসদৃশ উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, সতর্কতা বাড়াচ্ছে জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি

নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগে দায়মুক্তি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

০৬:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে আইনের ৯ ধারায় দায়মুক্তির বিধান কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। ১০ আইনজীবীর করা রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি মুহম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে মঙ্গলবার এ রুল জারি করেছেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের (ইসি) নিয়োগ নিয়ে দেশের কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না বলে দেয়া দায়মুক্তি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেছেন আদালত। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

সুপ্রিম কোর্টের ১০ জন আইনজীবী জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। রিটকারী আইনজীবীরা হলেন- আব্দুল্লাহ সাদিক, জি এম মোজাহিদুর রহমান, মিসবাহ উদ্দিন, জোবায়দুর রহমান, নোয়াব আলী, আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী, সাজ্জাদ সরওয়ার, মোজাহিদুল ইসলাম, মিজানুল হক ও এ কে এম নুরুন নবী। রিটে বলা হয়, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না- ২০২২ সালের আইনে দায়মুক্তি দেয়ার এমন বিধান অসাংবিধানিক।

তারা মনে করেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ ছিল অবৈধ। সে কারণে তাদের অধীন হওয়া নির্বাচনও অবৈধ। রিটকারী আইনজীবী শিশির মনির বলেন, আইন করে নির্বাচন কমিশনকে দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। সেই দায়মুক্তির আইনে বলা হয়েছে, এটা নিয়ে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। আমরা মনে করি, এটা আদালতের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আদালতে যদি এই দায়মুক্তির আইন অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়, তাহলে দুটি নির্বাচনই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়বে।

গত ১৮ আগস্ট ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনারদের দায়মুক্তি দেয়ার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিটটি করা হয়। একইসঙ্গে রিটে ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ (সিইসি) নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না- এমন বিধান বাতিলও চাওয়া হয়।