০৪:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী? নতুন এলাকায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমার ওপরে তিন নদীর পানি বন্যা, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে দেশে মৃত ৫৪, আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৮ হাজারের বেশি মানুষ বাংলাদেশে আরও এক সন্দেহভাজন হামে শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৭৫৯ কর্ণাটকের মুকাম্বিকা মন্দিরে হাতি চেয়ে কেরালাকে অনুরোধ, নতুন আলোচনা দুই রাজ্যে ওলি রবিনসের আইনি লড়াই, বরখাস্তের সিদ্ধান্ত ঘিরে যুক্তরাজ্যে নতুন বিতর্ক চীনের বিমানবাহী রণতরী শক্তি বাড়ানোর নতুন পরিকল্পনা, পাইলট ও নাবিক তৈরিতে বড় পরিবর্তন জাপানে বিদেশি কর্মী বাড়ায় রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড, এক বছরে বিদেশে পাঠানো হলো ১ ট্রিলিয়ন ইয়েন ভিয়েতনামে ৩০ কোটি ডলারের বিশাল কারখানা খুলল সানটোরি পেপসিকো, লক্ষ্য স্বাস্থ্যকর পানীয়ের বাড়তি বাজার যুক্তরাষ্ট্রের দখলে হিলিয়াম বাজার, ইরান যুদ্ধ ও চীনের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞায় চাপে এশিয়ার চিপ শিল্প

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪
  • 152

ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনজাতি ও সভ্যতা এবং তার শিল্প-সংস্কৃতি,লোকাচার,ধর্মীয় বিশ্বাস এবং তার সময় যুগ সম্পর্কে এক নজরে একটা চালচিত্র দেওয়া যাক।এক কথায় মায়া হল মেসোআমেরিকা অঞ্চলের সবচেয়ে পুরনো সভ্যতা।এক মত অনুযায়ী মায়া-সভ্যতার প্রথম শুরু হয় আনুমানিক ১৬০০খ্রিস্টপূর্ব শতকে।

এই সভ্যতা উন্নতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয় ২৫০ খ্রিস্টাব্দে। মায়া জনসমাজ বা সভ্যতার অঞ্চলগুলি ছিল বর্তমান মেক্সিকোর দক্ষিণ এলাকা। গুয়াতেমালা,পশ্চিম হন্ডুরাস, এল সালভাদর এবং উত্তর বেলিজ তবে মায়া-সভ্যতার আদিতে ছিল ওলমেক সভ্যতা। মায়ারা পরবর্তীকালে এই সভ্যতা থেকে জ্ঞান সংগ্রহ করে ক্যালেন্ডার, জ্যোতির্বিদ্যা এবং শিলালিপির বিশেষ লিখন-পদ্ধতি আবিষ্কার করে।

মায়া জনগোষ্ঠী এই প্রথম ওলমেক জনসমাজ বা নরতাত্ত্বিক গোষ্ঠী থেকে নানা বিষয়ে বিদ্যা, কৌশল, স্থাপত্যের কাজ সংগ্রহ করে নিজেদের মধ্যে এক স্থাপত্য সৌকর্য উদ্ধার করে। এইসব স্থাপত্য নির্মাণের মধ্যে কোনরকম ধাতব পদার্থ ছিল না। মায়ারা কাজের ক্ষেত্রেও ছিল ভাল। চাষবাসের কাজই ছিল তাদের বেশি পছন্দের। মাটির নীচে জলের পরিমাণ ছিল কম।

সেই কারণে মাটির নীচে জল সংগ্রহ করে রাখার জন্য বড় বড় ট্যাঙ্ক জাতীয় তৈরি করত। মায়ারা তাঁত-বোনা, মাটির পাত্র তৈরির কাজেও বেশ পটু ছিল। দীর্ঘ জঙ্গলের পথ নিজেরাই নানা কায়দায় পরিষ্কার করত এবং এর ফলে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ব্যবসা, বেচাকেনার কাজ করতে পারত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্রান্স-আলজেরিয়া সম্পর্কের শিক্ষা: সংঘাত নয়, কূটনীতির পথই কি শেষ পর্যন্ত জয়ী?

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৭)

০৬:১১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অক্টোবর ২০২৪

ড. সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

মায়া জনজাতি ও সভ্যতা এবং তার শিল্প-সংস্কৃতি,লোকাচার,ধর্মীয় বিশ্বাস এবং তার সময় যুগ সম্পর্কে এক নজরে একটা চালচিত্র দেওয়া যাক।এক কথায় মায়া হল মেসোআমেরিকা অঞ্চলের সবচেয়ে পুরনো সভ্যতা।এক মত অনুযায়ী মায়া-সভ্যতার প্রথম শুরু হয় আনুমানিক ১৬০০খ্রিস্টপূর্ব শতকে।

এই সভ্যতা উন্নতির চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয় ২৫০ খ্রিস্টাব্দে। মায়া জনসমাজ বা সভ্যতার অঞ্চলগুলি ছিল বর্তমান মেক্সিকোর দক্ষিণ এলাকা। গুয়াতেমালা,পশ্চিম হন্ডুরাস, এল সালভাদর এবং উত্তর বেলিজ তবে মায়া-সভ্যতার আদিতে ছিল ওলমেক সভ্যতা। মায়ারা পরবর্তীকালে এই সভ্যতা থেকে জ্ঞান সংগ্রহ করে ক্যালেন্ডার, জ্যোতির্বিদ্যা এবং শিলালিপির বিশেষ লিখন-পদ্ধতি আবিষ্কার করে।

মায়া জনগোষ্ঠী এই প্রথম ওলমেক জনসমাজ বা নরতাত্ত্বিক গোষ্ঠী থেকে নানা বিষয়ে বিদ্যা, কৌশল, স্থাপত্যের কাজ সংগ্রহ করে নিজেদের মধ্যে এক স্থাপত্য সৌকর্য উদ্ধার করে। এইসব স্থাপত্য নির্মাণের মধ্যে কোনরকম ধাতব পদার্থ ছিল না। মায়ারা কাজের ক্ষেত্রেও ছিল ভাল। চাষবাসের কাজই ছিল তাদের বেশি পছন্দের। মাটির নীচে জলের পরিমাণ ছিল কম।

সেই কারণে মাটির নীচে জল সংগ্রহ করে রাখার জন্য বড় বড় ট্যাঙ্ক জাতীয় তৈরি করত। মায়ারা তাঁত-বোনা, মাটির পাত্র তৈরির কাজেও বেশ পটু ছিল। দীর্ঘ জঙ্গলের পথ নিজেরাই নানা কায়দায় পরিষ্কার করত এবং এর ফলে দূর দূরান্ত থেকে মানুষ এসে ব্যবসা, বেচাকেনার কাজ করতে পারত।

(চলবে)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)

মায়া সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-২৬)