০৩:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক মোদি-ট্রাম্প বৈঠকে প্রশ্ন না করার অনুরোধ, ‘ভিভিআইপি সফরে এটাই স্বাভাবিক’ বলল ভারত পারান্দুরে দ্বিতীয় চেন্নাই বিমানবন্দর বাতিল, বিজয়ের সিদ্ধান্তে স্ট্যালিনের তীব্র ক্ষোভ দিল্লিতে ভারী বৃষ্টি-ঝড়, ১৫টি ফ্লাইট অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হলো ব্রাজিলে কংগ্রেসের ক্ষমতার দাপট: প্রেসিডেন্টের চেয়েও শক্তিশালী আইনসভা উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত বহাল যুক্তরাষ্ট্রের পানি অবকাঠামোই এখন সাইবার হামলার সহজ লক্ষ্য যত্রতত্র বালু তোলায় ভয়াবহ নদীভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতভিটা-ফসলি জমি ভালো ফলনেও আউশের দামে হতাশ হবিগঞ্জের কৃষক, মণ ৭০০–৮০০ টাকা সুন্দরবনে বনদস্যুদের হানা, ট্রলারসহ ৫ জেলে অপহরণ

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 105

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি উপকূলে ট্যাংকারে অজ্ঞাত প্রজেক্টাইলের আঘাত, আগুন; নিরাপদে সব নাবিক

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)