০৭:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এক বিশ্ব: বাংলাদেশের জন্য সতর্কবার্তা ও টেকসই লড়াইয়ের আহ্বান সীমান্ত হত্যা ও ‘পুশ-ইন’ বন্ধের দাবিতে ঢাকায় ১১ দলের সমাবেশ আজ ইসলামী ব্যাংকের পুরো পর্ষদ বিলুপ্ত, প্রশাসকের হাতে সব ক্ষমতা জিসানকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি ওবায়দুল কাদেরকে জেনারেল সেক্রেটারি করাই ছিলো আওয়ামী লীগের অন্যতম বড় ভুল শাকের পাতায় লুকিয়ে থাকা প্রোটিন, খাদ্য জগতে নতুন সম্ভাবনার নাম রুবিসকো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে আগেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে বাংলাদেশ ঠাকুরগাঁওয়ে ট্রাক্টরের ধাক্কায় সাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে নবম শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী হামলায় আতঙ্ক, ঘরবন্দি ৩ হাজারের বেশি বাংলাদেশি ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ব্যাপক বন উজাড় হয়েছে’, মন্তব্য প্রতিমন্ত্রী টুকুর

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 91

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

জনপ্রিয় সংবাদ

ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে এক বিশ্ব: বাংলাদেশের জন্য সতর্কবার্তা ও টেকসই লড়াইয়ের আহ্বান

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)