১০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায়

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

  • Sarakhon Report
  • ০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 63

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

জনপ্রিয় সংবাদ

আলঝেইমারের নতুন ওষুধ খুঁজে পাচ্ছে ক্যান্সার গবেষণার কৌশল থেকে শিক্ষা

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১১)

০৬:০০:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৪

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

এই অবস্থাতে গাই-এর কলজে, চোখ, ফুসফুস সব কিছু বার করে আনা হয়। এইসব দেখে ঐ প্রধান পবিত্র মহাপুরোহিত ভবিষ্যতবাণী করতে পারেন। এই বলিদান প্রথাটি হিন্দুধর্মীয় আচারের পাঁঠা বা মহিষ বলিকে স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে একথা অবশ্যই মানতে হবে এই জন্তু বলি বা উৎসর্গর মধ্যে এক ধরনের ভয়াবহ, নিষ্ঠুর মনের প্রকাশ ঘটে। এই বলিদান অনষ্ঠানের পরে মহান পুরোহিত অন্য একটি কাজও করেন।

এই কাজটি হল আগুন জ্বালানো। এই আগুন হল পবিত্র (অগ্নি) এবং সূর্যের আসনে বসে পুরোহিত সোনার মেডেল-এর বিশেষ আকারের ওপর আগুনের রশ্মি ছড়ান। এই সোনার মেডেলের উপর তেল জাতীয় কিছু ফেলা হয় যাতে আগুনের রশ্মি করিকানকার পরের বছরেও থাকতে পারে। এরপরেও পুরোহিত সংখু (Sanghu) উৎসর্গ করে।

যাকে সহজ ভাষায় পবিত্র রুটিও বলা হয়। এই রুটি ভুট্টার ময়দা এবং চমরি গাই-এর রক্ত মিশিয়ে তৈরি করা হয়। এই রুটি খাওয়াকে খৃষ্টীয় অতিথির মত ধর্মীয় কাজ বলে মনে করা হয়। এখানে বলা প্রয়োজন ভুট্টা, ভুট্টাজাত ময়দা, সবকিছুই মায়াসভ্যতার সঙ্গে মিলকে প্রতিষ্ঠিত করে।

(চলবে)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)

ইনকা সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-১০)