০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
আর্কটিকে নীরব দখলযুদ্ধ: স্বালবার্ডে কর্তৃত্ব জোরালো করছে নরওয়ে পরিচয়ের আয়নায় মানবতার সাক্ষ্য: জন উইলসনের শিল্পভ্রমণ দুই ভাইয়ের অভিযানে বদলে যাচ্ছে বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গের সত্য লস অ্যাঞ্জেলেসের দাবানলের পরে লুকিয়ে থাকা বিষাক্ততা দীর্ঘ বিরতির পর বিটিএসের প্রত্যাবর্তন: দশম অ্যালবাম ও বিশ্বভ্রমণ গোষ্ঠী থেরাপির শক্তি: একক থেরাপির বিকল্প বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ নিয়ে ইরানের প্রতিবেশী সতর্ক বার্তা ইরানের অস্থিরতায় বেইজিংয়ের সামনে কঠিন সমীকরণ চীন সফরের আগমুহূর্তে ধাক্কা, কানাডা থেকে আমদানি কমিয়ে দিল বেইজিং সাকস গ্লোবালের দেউলিয়া আবেদন, ঋণের ভারে নেমে এল মার্কিন বিলাসবহুল ফ্যাশনের বড় ধস

রূপপুর চালু হলে বসে থাকতে পারে বড় সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র

  • Sarakhon Report
  • ১০:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 88

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষ: সাদ অনুসারী ২৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা”

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার ঘটনায় মাওলানা সাদ কান্ধলভী অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারী এস এম আলম হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

মামলার বাদী এস এম আলম হোসেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল গ্রামের মৃত এস এম মোক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার আলমি শুরার সাথি।

মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক শ’জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন সাদ অনুসারীদের প্রধান মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, তাঁর ছেলে ওসামা ইসলাম আনু, আবদুল্লাহ মনসুর, কাজী এরতেজা হাসান, মোয়াজ বিন নূর, জিয়া বিন কাশেম, আজিমুদ্দিন, আনোয়ার আবদুল্লাহ, শফিউল্লাহ প্রমুখ। আসামিরা সবাই সাদ অনুসারীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকানদার হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার ঘটনায় জুবায়ের অনুসারীরা প্রথমে এজাহার দায়ের করেন। পরে সেটি যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল রাত ১০টার দিকে মামলা হিসেবে রুজু হয়। মামলায় সাদ অনুসারী ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অসংখ্যজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

 

দৈনিক ইত্তেফাকের একটি শিরোনাম “দ্য ইকোনমিস্টের বর্ষসেরা দেশ বাংলাদেশ”

প্রতি বছরের মতো এবারও বছরের সেরা দেশ নির্বাচন করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশ হিসেবে এবার বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক এই গণমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দ্য ইকোনমিস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

দ্য ইকোনমিস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে ধনী, সুখী বা নৈতিকভাবে শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকারী কি না, সেই হিসাবে নয়; সেরা দেশ বেছে নেওয়া হয় আগের ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে কি না, সেই বিচারে।

এবারের সেরা দেশ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত তালিকায় ছিল পাঁচটি দেশ। বাংলাদেশ ছাড়াও সিরিয়া, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পোল্যান্ড রয়েছে এই তালিকায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকেই বেছে নেওয়া হয়।

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “রূপপুর চালু হলে বসে থাকতে পারে বড় সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র”

দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হতে পারে আগামী বছরের মার্চে। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট (১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার) নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রোসাটম। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নকশাসহ বিভিন্ন মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ামাত্রই কেন্দ্রটি উৎপাদনে নেয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা না বাড়লে বড় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার পর বৃহৎ সক্ষমতার অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে বসিয়ে রাখতে হতে পারে। এমনকি দেশের কয়লাভিত্তিক বড় প্রকল্পগুলোয়ও উৎপাদন বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

রূপপুর উৎপাদনে আসার পর দেশের মোট বিদ্যুৎ সক্ষমতার বড় একটি অংশের প্রয়োজন তেমন একটা থাকবে না। এজন্য বেশকিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে হয় অলস বসিয়ে রাখতে হবে, নয় অবসরে পাঠাতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো ব্যয় বিবেচনায় শুরুতে জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে অবসরে পাঠানো হবে। আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে গ্রিড ব্যবস্থায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রাখতে হবে। কারণ রূপপুর উৎপাদনে আসার পর সেখান থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের তরঙ্গকে গ্রিডে বেইজলোড (সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হয় এমন) কেন্দ্রগুলো থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের তরঙ্গের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। এক্ষেত্রে বেইজলোড কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের প্রাধান্যই বেশি।

 

মানবজমিনের একটি শিরোনাম ” বাংলাদেশের দুর্নীতি তদন্তে যুক্তরাজ্যের লেবার মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের নাম”

বাংলাদেশের একটি অবকাঠামো প্রকল্প থেকে যুক্তরাজ্যের লেবার মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের পরিবার ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড (৫৯ হাজার কোটি টাকা) আত্মসাৎ করেছে এমন অভিযোগের তদন্তে তার নাম উঠে এসেছে।

টিউলিপ সিদ্দিক (৪২), যিনি যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি)। দেশটির আর্থিক খাতে দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্বে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধেই এবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি বাংলাদেশে বেশি অর্থ ব্যয়ে একটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি করার ক্ষেত্রে ২০১৩ সালে মধ্যস্থতা করেছিলেন। চুক্তির মূল্য থেকে আরও কয়েক কোটি ডলার বৃদ্ধি দেখিয়ে প্রকল্প ব্যয়ের নাম করে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন তিনি।

গত আগস্টে টিউলিপ সিদ্দিকের খালা ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে তদন্ত করছে, তার আওতায় রয়েছে দুর্নীতির এই অভিযোগ।

টিউলিপ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই অভিযোগকে ‘বানোয়াট’ বলে অভিহিত করেছে। সূত্রটি আরও বলছে, অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং তার খালার ক্ষতি করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

কনজারভেটিভ শ্যাডো হোম অফিসের মন্ত্রী ম্যাট ভিকার্স বলেন, লেবার পার্টির দুর্নীতি দমন বিষয়ক মন্ত্রীর দুর্নীতির মামলায় জড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্কটিকে নীরব দখলযুদ্ধ: স্বালবার্ডে কর্তৃত্ব জোরালো করছে নরওয়ে

রূপপুর চালু হলে বসে থাকতে পারে বড় সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র

১০:৩২:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

প্রথম আলোর একটি শিরোনাম “ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষ: সাদ অনুসারী ২৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা”

টঙ্গীর ইজতেমা মাঠে সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার ঘটনায় মাওলানা সাদ কান্ধলভী অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে টঙ্গী পশ্চিম থানায় মামলাটি করেন মাওলানা জুবায়েরের অনুসারী এস এম আলম হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

মামলার বাদী এস এম আলম হোসেন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার গাইটাল গ্রামের মৃত এস এম মোক্তার হোসেনের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ জেলার আলমি শুরার সাথি।

মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় কয়েক শ’জনকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকজন হলেন সাদ অনুসারীদের প্রধান মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম, তাঁর ছেলে ওসামা ইসলাম আনু, আবদুল্লাহ মনসুর, কাজী এরতেজা হাসান, মোয়াজ বিন নূর, জিয়া বিন কাশেম, আজিমুদ্দিন, আনোয়ার আবদুল্লাহ, শফিউল্লাহ প্রমুখ। আসামিরা সবাই সাদ অনুসারীদের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন।

এ বিষয়ে টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকানদার হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, সংঘর্ষ ও নিহত হওয়ার ঘটনায় জুবায়ের অনুসারীরা প্রথমে এজাহার দায়ের করেন। পরে সেটি যাচাই-বাছাই শেষে গতকাল রাত ১০টার দিকে মামলা হিসেবে রুজু হয়। মামলায় সাদ অনুসারী ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অসংখ্যজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।

 

দৈনিক ইত্তেফাকের একটি শিরোনাম “দ্য ইকোনমিস্টের বর্ষসেরা দেশ বাংলাদেশ”

প্রতি বছরের মতো এবারও বছরের সেরা দেশ নির্বাচন করেছে দ্য ইকোনমিস্ট। ২০২৪ সালের বর্ষসেরা দেশ হিসেবে এবার বাংলাদেশের নাম ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক এই গণমাধ্যম।

বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) দ্য ইকোনমিস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়।

দ্য ইকোনমিস্টের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে ধনী, সুখী বা নৈতিকভাবে শ্রেষ্ঠ স্থান অধিকারী কি না, সেই হিসাবে নয়; সেরা দেশ বেছে নেওয়া হয় আগের ১২ মাসে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করেছে কি না, সেই বিচারে।

এবারের সেরা দেশ বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত তালিকায় ছিল পাঁচটি দেশ। বাংলাদেশ ছাড়াও সিরিয়া, আর্জেন্টিনা, দক্ষিণ আফ্রিকা ও পোল্যান্ড রয়েছে এই তালিকায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকেই বেছে নেওয়া হয়।

 

বণিক বার্তার একটি শিরোনাম “রূপপুর চালু হলে বসে থাকতে পারে বড় সক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্র”

দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎ প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হতে পারে আগামী বছরের মার্চে। এরই মধ্যে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট (১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার) নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু করেছে নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান রোসাটম। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নকশাসহ বিভিন্ন মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ হওয়ামাত্রই কেন্দ্রটি উৎপাদনে নেয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে বিদ্যুতের চাহিদা না বাড়লে বড় এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাওয়ার পর বৃহৎ সক্ষমতার অন্যান্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে বসিয়ে রাখতে হতে পারে। এমনকি দেশের কয়লাভিত্তিক বড় প্রকল্পগুলোয়ও উৎপাদন বন্ধ রাখার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।

রূপপুর উৎপাদনে আসার পর দেশের মোট বিদ্যুৎ সক্ষমতার বড় একটি অংশের প্রয়োজন তেমন একটা থাকবে না। এজন্য বেশকিছু বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে হয় অলস বসিয়ে রাখতে হবে, নয় অবসরে পাঠাতে হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) কর্মকর্তারা। এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য হলো ব্যয় বিবেচনায় শুরুতে জ্বালানি তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে অবসরে পাঠানো হবে। আর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকে গ্রিড ব্যবস্থায় পূর্ণ সক্ষমতায় চালু রাখতে হবে। কারণ রূপপুর উৎপাদনে আসার পর সেখান থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের তরঙ্গকে গ্রিডে বেইজলোড (সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হয় এমন) কেন্দ্রগুলো থেকে সরবরাহকৃত বিদ্যুতের তরঙ্গের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। এক্ষেত্রে বেইজলোড কেন্দ্রগুলোর মধ্যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুতের প্রাধান্যই বেশি।

 

মানবজমিনের একটি শিরোনাম ” বাংলাদেশের দুর্নীতি তদন্তে যুক্তরাজ্যের লেবার মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের নাম”

বাংলাদেশের একটি অবকাঠামো প্রকল্প থেকে যুক্তরাজ্যের লেবার মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিকের পরিবার ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন পাউন্ড (৫৯ হাজার কোটি টাকা) আত্মসাৎ করেছে এমন অভিযোগের তদন্তে তার নাম উঠে এসেছে।

টিউলিপ সিদ্দিক (৪২), যিনি যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনীতিবিষয়ক মিনিস্টার (ইকোনমিক সেক্রেটারি)। দেশটির আর্থিক খাতে দুর্নীতি বন্ধের দায়িত্বে আছেন তিনি। তার বিরুদ্ধেই এবার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি বাংলাদেশে বেশি অর্থ ব্যয়ে একটি নতুন পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের চুক্তি করার ক্ষেত্রে ২০১৩ সালে মধ্যস্থতা করেছিলেন। চুক্তির মূল্য থেকে আরও কয়েক কোটি ডলার বৃদ্ধি দেখিয়ে প্রকল্প ব্যয়ের নাম করে এই অর্থ আত্মসাৎ করেন তিনি।

গত আগস্টে টিউলিপ সিদ্দিকের খালা ক্ষমতাচ্যুত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যে তদন্ত করছে, তার আওতায় রয়েছে দুর্নীতির এই অভিযোগ।

টিউলিপ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই অভিযোগকে ‘বানোয়াট’ বলে অভিহিত করেছে। সূত্রটি আরও বলছে, অভিযোগগুলো ‘সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ এবং তার খালার ক্ষতি করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

কনজারভেটিভ শ্যাডো হোম অফিসের মন্ত্রী ম্যাট ভিকার্স বলেন, লেবার পার্টির দুর্নীতি দমন বিষয়ক মন্ত্রীর দুর্নীতির মামলায় জড়িয়ে পড়ার ঘটনাটি প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমারকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে।