০৪:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট বৃষ্টি-ঝড়ের আভাস, কমতে পারে তাপপ্রবাহ—আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস গাজীপুরে বাবা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার, বড় ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ক্যামেরায় বন্দি করা রঘু রাই আর নেই: ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই শেষে কিংবদন্তির বিদায় সহজ ভ্যাট–শুল্কই ন্যায্য বাজারের চাবিকাঠি মাইকেল জ্যাকসনকে ভালোবাসা কি এখনও সম্ভব? দুর্নীতি-সহিংসতায় বিজেপি ও তৃণমূল একই মুদ্রার দুই পিঠ: রাহুল গান্ধীর তীব্র আক্রমণ ঝুঁকিপূর্ণ জীবন, তবু স্বাভাবিক থাকার বার্তা ট্রাম্পের ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার চেষ্টা, সন্দেহভাজন আটক পৃথিবীর সবচেয়ে গোপন ও নিষিদ্ধ স্থানগুলো: কেন বিজ্ঞানীরা এসব জায়গা লুকিয়ে রেখেছেন

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 112

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পরিষ্কারভাবে এটিকে বোঝানোর জন্য বনপর্বের ২৩৯১৪-৬ শ্লোকগুলি বঙ্গানুবাদ সহ তুলে ধরছি-

দদর্শ স তদা গাবঃ শতশোহথ সহস্রশঃ।
অঙ্কৈলক্ষৈশ্চ তাঃ সর্ব্বা লক্ষয়ামাস পার্থিবঃ।
অঙ্কয়ামাস বৎসাংশ্চ জজ্ঞে চোপসৃতাস্বপি।
বালবংসাশ্চ যা গাবঃ কা (? ক) লয়ামাস তা অপি।
অথ স স্মারণং কৃত্বা লক্ষয়িত্বা ত্রিহায়নান্
বৃতো গোপালকৈঃ প্রীতে। ব্যহরৎ কুরুনন্দনঃ।

এর অর্থ হচ্ছে-“তখন তিনি শতে শতে ও হাজারে হাজারে গরু দেখিলেন। অঙ্ক (অঙ্কৈঃ) এবং চিহ্ন (লক্ষৈঃ) দ্বারা রাজা সেই সকলের পরিচয় জানিলেন। অনন্তর (নূতন) বৎসমূহকে অঙ্কিত করিলেন। তন্মধ্যে দমনাই ও বাল বৎসমূহকে পৃথকভাবে গণনা করিলেন। তিন বৎসরবয়স্ক গোসমূহের সংখ্যাও বিশেষভাবে লক্ষ্য করিলেন। এইরূপে স্মারণ করিয়া কুরুনন্দন গোপালকগণ পরিবেষ্টিত হইয়া হৃষ্টচিত্তে বিচরণ করিতে লাগিলেন।”

এখানে অঙ্ক শব্দটির অর্থ সংখ্যাচিহ্ন এবং লক্ষ শব্দটির অর্থ লক্ষ সংখ্যা না বুঝিয়ে গোজাতির বর্ণ ইত্যাদি পরিচয় জ্ঞাপক অপর চিহ্ন বোঝান হয়েছে। সুতরাং আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারছি যে মহাভারতে সংখ্যা খ্যাপনার্থ অঙ্ক ব্যবহার রয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)

সাগর-রুনি হত্যা: তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিল হাইকোর্ট, ১৪ বছরেও নেই চার্জশিট

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৮)

১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পরিষ্কারভাবে এটিকে বোঝানোর জন্য বনপর্বের ২৩৯১৪-৬ শ্লোকগুলি বঙ্গানুবাদ সহ তুলে ধরছি-

দদর্শ স তদা গাবঃ শতশোহথ সহস্রশঃ।
অঙ্কৈলক্ষৈশ্চ তাঃ সর্ব্বা লক্ষয়ামাস পার্থিবঃ।
অঙ্কয়ামাস বৎসাংশ্চ জজ্ঞে চোপসৃতাস্বপি।
বালবংসাশ্চ যা গাবঃ কা (? ক) লয়ামাস তা অপি।
অথ স স্মারণং কৃত্বা লক্ষয়িত্বা ত্রিহায়নান্
বৃতো গোপালকৈঃ প্রীতে। ব্যহরৎ কুরুনন্দনঃ।

এর অর্থ হচ্ছে-“তখন তিনি শতে শতে ও হাজারে হাজারে গরু দেখিলেন। অঙ্ক (অঙ্কৈঃ) এবং চিহ্ন (লক্ষৈঃ) দ্বারা রাজা সেই সকলের পরিচয় জানিলেন। অনন্তর (নূতন) বৎসমূহকে অঙ্কিত করিলেন। তন্মধ্যে দমনাই ও বাল বৎসমূহকে পৃথকভাবে গণনা করিলেন। তিন বৎসরবয়স্ক গোসমূহের সংখ্যাও বিশেষভাবে লক্ষ্য করিলেন। এইরূপে স্মারণ করিয়া কুরুনন্দন গোপালকগণ পরিবেষ্টিত হইয়া হৃষ্টচিত্তে বিচরণ করিতে লাগিলেন।”

এখানে অঙ্ক শব্দটির অর্থ সংখ্যাচিহ্ন এবং লক্ষ শব্দটির অর্থ লক্ষ সংখ্যা না বুঝিয়ে গোজাতির বর্ণ ইত্যাদি পরিচয় জ্ঞাপক অপর চিহ্ন বোঝান হয়েছে। সুতরাং আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারছি যে মহাভারতে সংখ্যা খ্যাপনার্থ অঙ্ক ব্যবহার রয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)