০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া ওয়েলসের সর্বোচ্চ পর্বতে লাইন নিয়ে তুমুল বিতর্ক, ‘এটা তো বিনোদনকেন্দ্র নয়’ আফগানিস্তানের বাণিজ্যপথ বদলে যাচ্ছে, বড় ঝুঁকিতে পাকিস্তানের শিল্প-বাণিজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অভিবাসন নিয়ম: বিদেশি শিক্ষার্থীদের ১৫ সেপ্টেম্বরের আগেই ফিরতে বলছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান ভারতের হাইকমিশনারের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি আসলে অ্যান্টার্কটিকা, বালির কারণে নয় ঠান্ডা ও পানির অভাবে খাজা আসিফের ভারত-পাকিস্তান তুলনার ভিডিও ভুয়া, দাবি পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুক্তরাজ্যের বিরলতম শিকারি পাখির ঘরে নতুন ছানা, গোপন ঠিকানায় দ্বিতীয়বার সফল প্রজনন এশীয় বিতাড়নের ৫৪ বছর পর উগান্ডার প্রয়োজন নতুন অর্থনৈতিক দর্শন গণহত্যার বিচার অধরাই রেখে হেগে ফেলিসিয়েন কাবুগার মৃত্যু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 141

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পরিষ্কারভাবে এটিকে বোঝানোর জন্য বনপর্বের ২৩৯১৪-৬ শ্লোকগুলি বঙ্গানুবাদ সহ তুলে ধরছি-

দদর্শ স তদা গাবঃ শতশোহথ সহস্রশঃ।
অঙ্কৈলক্ষৈশ্চ তাঃ সর্ব্বা লক্ষয়ামাস পার্থিবঃ।
অঙ্কয়ামাস বৎসাংশ্চ জজ্ঞে চোপসৃতাস্বপি।
বালবংসাশ্চ যা গাবঃ কা (? ক) লয়ামাস তা অপি।
অথ স স্মারণং কৃত্বা লক্ষয়িত্বা ত্রিহায়নান্
বৃতো গোপালকৈঃ প্রীতে। ব্যহরৎ কুরুনন্দনঃ।

এর অর্থ হচ্ছে-“তখন তিনি শতে শতে ও হাজারে হাজারে গরু দেখিলেন। অঙ্ক (অঙ্কৈঃ) এবং চিহ্ন (লক্ষৈঃ) দ্বারা রাজা সেই সকলের পরিচয় জানিলেন। অনন্তর (নূতন) বৎসমূহকে অঙ্কিত করিলেন। তন্মধ্যে দমনাই ও বাল বৎসমূহকে পৃথকভাবে গণনা করিলেন। তিন বৎসরবয়স্ক গোসমূহের সংখ্যাও বিশেষভাবে লক্ষ্য করিলেন। এইরূপে স্মারণ করিয়া কুরুনন্দন গোপালকগণ পরিবেষ্টিত হইয়া হৃষ্টচিত্তে বিচরণ করিতে লাগিলেন।”

এখানে অঙ্ক শব্দটির অর্থ সংখ্যাচিহ্ন এবং লক্ষ শব্দটির অর্থ লক্ষ সংখ্যা না বুঝিয়ে গোজাতির বর্ণ ইত্যাদি পরিচয় জ্ঞাপক অপর চিহ্ন বোঝান হয়েছে। সুতরাং আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারছি যে মহাভারতে সংখ্যা খ্যাপনার্থ অঙ্ক ব্যবহার রয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)

জনপ্রিয় সংবাদ

তালেবান শাসনে আফগানিস্তান: বিবাহবিচ্ছেদ থেকে স্মার্টফোন, সর্বত্র নিয়ন্ত্রণের ছায়া

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৮)

১০:০০:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর ২০২৪

প্রদীপ কুমার মজুমদার

পরিষ্কারভাবে এটিকে বোঝানোর জন্য বনপর্বের ২৩৯১৪-৬ শ্লোকগুলি বঙ্গানুবাদ সহ তুলে ধরছি-

দদর্শ স তদা গাবঃ শতশোহথ সহস্রশঃ।
অঙ্কৈলক্ষৈশ্চ তাঃ সর্ব্বা লক্ষয়ামাস পার্থিবঃ।
অঙ্কয়ামাস বৎসাংশ্চ জজ্ঞে চোপসৃতাস্বপি।
বালবংসাশ্চ যা গাবঃ কা (? ক) লয়ামাস তা অপি।
অথ স স্মারণং কৃত্বা লক্ষয়িত্বা ত্রিহায়নান্
বৃতো গোপালকৈঃ প্রীতে। ব্যহরৎ কুরুনন্দনঃ।

এর অর্থ হচ্ছে-“তখন তিনি শতে শতে ও হাজারে হাজারে গরু দেখিলেন। অঙ্ক (অঙ্কৈঃ) এবং চিহ্ন (লক্ষৈঃ) দ্বারা রাজা সেই সকলের পরিচয় জানিলেন। অনন্তর (নূতন) বৎসমূহকে অঙ্কিত করিলেন। তন্মধ্যে দমনাই ও বাল বৎসমূহকে পৃথকভাবে গণনা করিলেন। তিন বৎসরবয়স্ক গোসমূহের সংখ্যাও বিশেষভাবে লক্ষ্য করিলেন। এইরূপে স্মারণ করিয়া কুরুনন্দন গোপালকগণ পরিবেষ্টিত হইয়া হৃষ্টচিত্তে বিচরণ করিতে লাগিলেন।”

এখানে অঙ্ক শব্দটির অর্থ সংখ্যাচিহ্ন এবং লক্ষ শব্দটির অর্থ লক্ষ সংখ্যা না বুঝিয়ে গোজাতির বর্ণ ইত্যাদি পরিচয় জ্ঞাপক অপর চিহ্ন বোঝান হয়েছে। সুতরাং আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারছি যে মহাভারতে সংখ্যা খ্যাপনার্থ অঙ্ক ব্যবহার রয়েছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৭)