১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬
সাফল্যের প্রকৃত মানদণ্ড কি সম্পদ, নাকি জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলার ক্ষমতা? হালান্ড বনাম ভিনিসিয়ুস, বিশ্বকাপে ব্রাজিল-নরওয়ে মহারণে চোখ শেষ ষোলোর লড়াইয়ে মাছের জিন গবেষণায় নতুন দিগন্ত, উন্নত চাষে বদলাচ্ছে জলজ খাদ্যের ভবিষ্যৎ স্পেসএক্সে বিনিয়োগ না করে কী হারালেন, কী শিখলেন এক বিনিয়োগকারী আপত্তিকর উপাদানমুক্ত বিস্কুটে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, ছোট উদ্যোগ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন সাফল্য প্রাক্তন কিশোর অপরাধী থেকে সফল উদ্যোক্তা, রান্নাঘরেই জীবনের নতুন ঠিকানা গড়লেন রিউবেন পর্দার দুনিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে বই পড়ার আনন্দ, পড়ার অভ্যাস ফিরিয়ে আনাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ বড় পরিবার মানেই দায় নয়: সন্তান বেশি হলেই কেন প্রশ্নের মুখে পড়েন অভিভাবকেরা অনলাইন নিরাপত্তায় শুধু নিষেধাজ্ঞা নয়, পরিবার ও সচেতনতাই হতে পারে বড় সমাধান বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী শ্রমিকের বেতন আটকে সংকট, ঋণের বোঝায় বিপর্যস্ত পরিবার

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 132

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

সাফল্যের প্রকৃত মানদণ্ড কি সম্পদ, নাকি জীবনকে অর্থপূর্ণ করে তোলার ক্ষমতা?

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)