০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক ক্যানসারে আক্রান্ত ‘ইভিল ডেড’ তারকা ব্রুস ক্যাম্পবেল, বললেন বাঁচার সময় পাঁচ বছর ইরান যুদ্ধের ধাক্কাতেও যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজার শক্তিশালী, চাকরির শূন্যপদ ৭৪ লাখ

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • 142

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

জনপ্রিয় সংবাদ

সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব?

বাংলার শাক (পর্ব-৩০)

০৯:০০:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ওলকোঁড়া/ওল
Amorphophallus campanulatus (Araceae)

এই কন্দটি ডাঙা জমিতে চাষ করা হয়। এটা গুল্ম জাতীয় গাছ। বর্ষাকালে শুরুর দিকে এর কন্দ লাগাতে হয়। ওল গাছের একটাই কান্ড হয়।

বুনো ওলের কান্ড, যার পাতা ছড়ায়নি, গোটানো অবস্থায় আছে, এই রকম গাছের ডাঁটা ও ডগা খাওয়া হয়। এটা খেতেও নরম। পাতাটা ছড়িয়ে ছাতার মত হলে গাছটা পেকে যায়। সেটা খাওয়া যায়না কারণ ভালো সেদ্ধ হয় না। ভালোভাবে রান্না করলে খেতে সুস্বাদু। এতে সর্দি, অর্শ, বাত, বেদনা, চোখের রোগ আদি ভালো হয়। মৌমাছি, বোলতা, ভীমরুল বা বিছা কামড়ালে ওলের ডাঁটার রস কামড়ানোর জায়গা লাগালে যন্ত্রণা কম হয়।

এটি দুই রকমের হয়। বুনো আর ভালো ওল। বুনো ওল নিজে থেকে বনে জঙ্গলে হয়। ভালোটা চাষ করতে হয়। চাষের ওলের কন্দ সেদ্ধ করে মেখে বা ঝোল করেও খাওয়া হয়। বুনো ওলের কন্দে গলা চুলকায়।

(চলবে)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)

বাংলার শাক (পর্ব-২৯)