০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধে এশিয়ায় জ্বালানি সংকট: বাংলাদেশ-পাকিস্তানে পেট্রলপাম্প কর্মী খুন, ফিলিপিন্সে ধর্মঘট ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইরান আবার পাল্টা আক্রমণ করল, তেল আবিবের কাছে ১১ আহত ইরান যুদ্ধের বিরোধী ৬৬ শতাংশ ইরানি-আমেরিকান, জরিপে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিশ্বব্যাংকের উদ্বেগ: ইরান যুদ্ধে মূল্যস্ফীতি, কর্মসংস্থান ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকিতে ট্রাম্পের বলরুমের নিচে ‘বিশাল’ সামরিক সুরক্ষা কেন্দ্র: যা জানা জরুরি ইরাকে বায়বীয় হামলায় ৭ সেনা নিহত, ইরানপন্থি গোষ্ঠীর ঘাঁটিতে আঘাত হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করল ফরাসি মালিকানাধীন কনটেইনার জাহাজ ইরানে হামলা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন, কড়া নিন্দা চীনের অ্যাবু ধাবিতে গ্যাস ফ্যাসিলিটিতে আগুন, ইরান থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরান-ইসরায়েল সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৮)

  • Sarakhon Report
  • ০৮:০০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫
  • 103

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

শেষের কথাগুলো দাঁড়কাকের তেমন পছন্দ হল না। উনি জানতে চাইলেন, সাপ নেই এমন আর কোনো লুকনোর জায়গা কাছাকাছি আমার জানা আছে কিনা।

জানালুম, কাছাকাছি তেমন কোনো সুবিধেমত জায়গা নেই। সর্বত্র সব সময়ে লোকে চলাফেরা করছে- হয় ভেড়া চরাচ্ছে, নয় আলুর খেতে নিড়েন দিচ্ছে, আর নয়তো অরের সন্ধি-বাগানগুলোর কাছে ছেলেপিলেরা ঘুরঘুর করছে।

কাজেই, কী আর করা। দাঁড়কাক বোঝাটা কাঁধে ফেলে উঠলেন। নদীর পাড় ধরে আমরা এগোতে লাগলুম।

নিরাপদ একটা জায়গা বেছে নিয়ে বোঁচকাটা লুকিয়ে রাখলুম।

‘আচ্ছা, শহরে ফিরে যাও তাহলে,’ দাঁড়কাক বললেন। ‘কাল এসে আমি বোঁচকাটা নিয়ে যাব। আর আমাদের কমিটির কোনো লোককে যদি দেখতে পাও তো বোলো যে আমি এখনও এখানে আছি। আচ্ছা, দাঁড়াও এক মিনিট’ আমাকে দাঁড় করিয়ে মুখের দিকে নিবিষ্ট ভাবে তাকালেন উনি। ‘কথাটা কাউকে বলবে না, আশা করি? কী বল, ইয়ার? বেফাঁস কথা কিন্তু মোটে নয়।’

‘না-না, কখনই না!’ অপমানকর এই সন্দেহ প্রকাশ করায় সংকুচিত হয়ে বিড়বিড় করে বললুম, ‘কারো সম্বন্ধে একটা কথাও কি কখনও আমি বলেছি? এমন কি ইশকুলেও কখনও কারো সর্ম্পকে আড়ালে অন্যায়ভাবে কথা লাগাই নি, খেলাচ্ছলেও না। আর এ তো খেলা নয়, এ গুরুতর ব্যাপার। কী করে আপনি ভাবতে পারলেন যে…’

দাঁড়কাক কথাটা শেষ করতে দিলেন না আমায়। হাড়-জিরজিরে হাত দিয়ে আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন। হেসে বললেন:

‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। যাও, বাড়ি যাও দেখি। একেবারে পাক্কা ষড়ষন্ত্রী দেখছি!

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে এশিয়ায় জ্বালানি সংকট: বাংলাদেশ-পাকিস্তানে পেট্রলপাম্প কর্মী খুন, ফিলিপিন্সে ধর্মঘট

রোমাঞ্চকর সময় (পর্ব -২৮)

০৮:০০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৫

আর্কাদি গাইদার

তৃতীয় পরিচ্ছেদ

শেষের কথাগুলো দাঁড়কাকের তেমন পছন্দ হল না। উনি জানতে চাইলেন, সাপ নেই এমন আর কোনো লুকনোর জায়গা কাছাকাছি আমার জানা আছে কিনা।

জানালুম, কাছাকাছি তেমন কোনো সুবিধেমত জায়গা নেই। সর্বত্র সব সময়ে লোকে চলাফেরা করছে- হয় ভেড়া চরাচ্ছে, নয় আলুর খেতে নিড়েন দিচ্ছে, আর নয়তো অরের সন্ধি-বাগানগুলোর কাছে ছেলেপিলেরা ঘুরঘুর করছে।

কাজেই, কী আর করা। দাঁড়কাক বোঝাটা কাঁধে ফেলে উঠলেন। নদীর পাড় ধরে আমরা এগোতে লাগলুম।

নিরাপদ একটা জায়গা বেছে নিয়ে বোঁচকাটা লুকিয়ে রাখলুম।

‘আচ্ছা, শহরে ফিরে যাও তাহলে,’ দাঁড়কাক বললেন। ‘কাল এসে আমি বোঁচকাটা নিয়ে যাব। আর আমাদের কমিটির কোনো লোককে যদি দেখতে পাও তো বোলো যে আমি এখনও এখানে আছি। আচ্ছা, দাঁড়াও এক মিনিট’ আমাকে দাঁড় করিয়ে মুখের দিকে নিবিষ্ট ভাবে তাকালেন উনি। ‘কথাটা কাউকে বলবে না, আশা করি? কী বল, ইয়ার? বেফাঁস কথা কিন্তু মোটে নয়।’

‘না-না, কখনই না!’ অপমানকর এই সন্দেহ প্রকাশ করায় সংকুচিত হয়ে বিড়বিড় করে বললুম, ‘কারো সম্বন্ধে একটা কথাও কি কখনও আমি বলেছি? এমন কি ইশকুলেও কখনও কারো সর্ম্পকে আড়ালে অন্যায়ভাবে কথা লাগাই নি, খেলাচ্ছলেও না। আর এ তো খেলা নয়, এ গুরুতর ব্যাপার। কী করে আপনি ভাবতে পারলেন যে…’

দাঁড়কাক কথাটা শেষ করতে দিলেন না আমায়। হাড়-জিরজিরে হাত দিয়ে আমার পিঠ চাপড়ে দিলেন। হেসে বললেন:

‘ঠিক আছে, ঠিক আছে। যাও, বাড়ি যাও দেখি। একেবারে পাক্কা ষড়ষন্ত্রী দেখছি!