০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু রামিসা হত্যা মামলায় প্রাণভিক্ষা চাইলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শূন্য পাতার ভয় কাটিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় গাইডেড জার্নালের উত্থান জাপানে সার সংকটের আশঙ্কা, বাড়ছে কৃষি ব্যয় স্ট্রিমিংয়ে রাজত্ব, কনসার্টে শূন্যতা? দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংগীত বাজারে ইন্দোনেশিয়ার নতুন ধাঁধা ইউরোপের নতুন বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে এগোতে চায় মিত্ররা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে বৈদ্যুতিক গাড়ি: ভবিষ্যতের শক্তি নির্ধারণ করবে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তিতে ক্ষুব্ধ ইসরাইল, চাপে নেতানিয়াহু ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে অগ্রগতি হলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে প্রস্তুত ইউরোপের চার দেশ তিন চাকার যানবাহন মহাসড়কে নয়, আসছে কঠোর নীতিমালা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৮)

  • Sarakhon Report
  • ১০:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫
  • 114

প্রদীপ কুমার মজুমদার

জৈন গণিতগ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীতে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করা হয়েছে সে কথা নেমিচন্দ্র লিখিত ত্রিলোকসারের ৯৮-তম গাথাতে দেখতে পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে:

বটলবণরোচগোনগনজরনগংকাসসসঘধপরকধরং
বিগুণণবস্থাসহিদং পল্লস রোমপরিসংখ্যা।

এখানে উল্লিখিত সংখ্যাটি হচ্ছে-৪১৩, ৪৫২, ৬৩০, ৩০৮, ২০৩, ১৭৭, ৭৪৯,৫১২, ১৯২, ০০০, ০০০,০০০,০০০,০০০,০০০

বিভিন্ন উদাহরণ ও উক্তি থেকে আমরা স্পষ্টই দেখতে পেলাম ভারতীয় গণিত- শাস্ত্রে অঙ্কপাত করা হয় বামাগতিতে এবং জৈনরা দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত বহুক্ষেত্রে করেছে। জৈনদের গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায় যে অংকঠান পরাহুতা শব্দটি লেখা আছে। এর অর্থ অঙ্কপাত বিপরীতক্রমে অর্থাৎ বামগতিতে লেখা যায়।

অনেক পণ্ডিত প্রশ্ন তোলেন যে জৈন গণিতশাস্ত্রে যে কয়েকটিক্ষেত্রে ‘বামাগতি’ অনুসৃত হয়েছে সে সব ক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করলে ক্ষতি কি? ক্ষতি নিশ্চয়ই আছে। কারণ ঐ সব ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি ধরে অঙ্কপাত করলে একটি সংশয় ও উদ্ভট সংখ্যার উদ্ভব হয়। যেমন ধরা যাক নেমীচন্দ্র ত্রিলোকসারের একজায়গায় বলেছেন-‘খ বার ইগিদালং’ বামাগতিতে অঙ্কপাত করলে দাড়ায় ৪১১২০ কিন্তু দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত করলে প্রথমে বসবে।

সুতরাং এক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করা চলে না। অবশ্বা নেমিচন্দ্র দক্ষিণাগতিতেও অঙ্কপাত করেছেন যেমন তিনি বলেছেন-সত্তরসাং বাণউদীণভনবসুন্নং’ এটিকে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত করলে দাঁড়ায় ১৭৯২০৪০।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানের লড়াকু ড্র, নেদারল্যান্ডসকে রুখে বিশ্বকাপে আত্মবিশ্বাসী সামুরাই ব্লু

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৮)

১০:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

জৈন গণিতগ্রন্থে অক্ষর সংখ্যা প্রণালীতে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করা হয়েছে সে কথা নেমিচন্দ্র লিখিত ত্রিলোকসারের ৯৮-তম গাথাতে দেখতে পাওয়া যায়। এখানে বলা হয়েছে:

বটলবণরোচগোনগনজরনগংকাসসসঘধপরকধরং
বিগুণণবস্থাসহিদং পল্লস রোমপরিসংখ্যা।

এখানে উল্লিখিত সংখ্যাটি হচ্ছে-৪১৩, ৪৫২, ৬৩০, ৩০৮, ২০৩, ১৭৭, ৭৪৯,৫১২, ১৯২, ০০০, ০০০,০০০,০০০,০০০,০০০

বিভিন্ন উদাহরণ ও উক্তি থেকে আমরা স্পষ্টই দেখতে পেলাম ভারতীয় গণিত- শাস্ত্রে অঙ্কপাত করা হয় বামাগতিতে এবং জৈনরা দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত বহুক্ষেত্রে করেছে। জৈনদের গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায় যে অংকঠান পরাহুতা শব্দটি লেখা আছে। এর অর্থ অঙ্কপাত বিপরীতক্রমে অর্থাৎ বামগতিতে লেখা যায়।

অনেক পণ্ডিত প্রশ্ন তোলেন যে জৈন গণিতশাস্ত্রে যে কয়েকটিক্ষেত্রে ‘বামাগতি’ অনুসৃত হয়েছে সে সব ক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করলে ক্ষতি কি? ক্ষতি নিশ্চয়ই আছে। কারণ ঐ সব ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি ধরে অঙ্কপাত করলে একটি সংশয় ও উদ্ভট সংখ্যার উদ্ভব হয়। যেমন ধরা যাক নেমীচন্দ্র ত্রিলোকসারের একজায়গায় বলেছেন-‘খ বার ইগিদালং’ বামাগতিতে অঙ্কপাত করলে দাড়ায় ৪১১২০ কিন্তু দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত করলে প্রথমে বসবে।

সুতরাং এক্ষেত্রে দক্ষিণাগতি প্রয়োগ করা চলে না। অবশ্বা নেমিচন্দ্র দক্ষিণাগতিতেও অঙ্কপাত করেছেন যেমন তিনি বলেছেন-সত্তরসাং বাণউদীণভনবসুন্নং’ এটিকে দক্ষিণাগতিতে অঙ্কপাত করলে দাঁড়ায় ১৭৯২০৪০।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৫৭)