০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬
কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল কমেডি দুনিয়ায় বড় প্রত্যাবর্তন: নতুন সিরিজ ‘রেজি ডিঙ্কিন্স’ ফিরিয়ে আনছে ত্রিশ রকের সেই ঝড় আমেরিকার ‘রাজপরিবার’ কাহিনি: কেনেডি প্রেমগাথা সিরিজে বাস্তবের চেয়ে নাটকই বেশি? ওজন কমানোর বড়ি: চিকিৎসায় নতুন যুগ নাকি নতুন ঝুঁকি? মানুষের রক্তেই ঝুঁকছে মশা! বন ধ্বংসে বাড়ছে নতুন বিপদ রোজার রাতে আমিরাতের ‘ঘাবগা’ ঐতিহ্য: পরিবার-বন্ধুদের মিলনে ভরে ওঠে রাত তেল সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ নিয়ে সতর্ক করল আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা কী এই ইরানের সমুদ্র মাইন: যা হয়ে উঠতে পারে এই যুদ্ধে আমেরিকার জন্য ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন ভারতে জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কা নেই, সংসদে আশ্বাস জ্বালানি মন্ত্রীর ইতিবাচক ধারায় সপ্তাহ শেষ করল ডিএসই ও সিএসই সূচক

রেকর্ড পরিমান লোকসানের মধ্যে তিতাস প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে

  • Sarakhon Report
  • ০৫:০০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • 93

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

১. তিতাস গ্যাস ৩.৫২ বিলিয়ন টাকার অকুপনযোগ্য ও অ-সঞ্চয়ী প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে সরকার অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাবে।

২. ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি ৭.১১ বিলিয়ন টাকা লোকসান করেছে, যার পেছনে সিস্টেম লস বৃদ্ধি ও কর আইনের পরিবর্তন বড় ভূমিকা রেখেছে।

৩. প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর ফলে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা অনুপাত কমবে না, তবে সরকারের অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাওয়ায় তাদের লভ্যাংশ কমতে পারে।


সরকারি মালিকানাধীন তিতাস গ্যাস আনুমানিক ৩.৫২ বিলিয়ন টাকা মূল্যের প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করতে যাচ্ছে। এটি মূলত চার বছর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার জারি করা নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে নেওয়া একটি পদক্ষেপ।

প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব

  • পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক: কোম্পানিটি আগামী ৬ মার্চ একটি বোর্ড সভা আহ্বান করেছে। সেখানেই প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে অতিরিক্ত সাধারণ সভার (EGM) তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
  • শেয়ারের ধরণ: টিটাস গ্যাস ৩৫.২ কোটি অকুপনযোগ্য ও অ-সঞ্চয়ী (Irredeemable Non-cumulative) প্রেফারেন্স শেয়ার প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে সরকারকে ইস্যু করবে।
  • লভ্যাংশের অগ্রাধিকার: প্রেফারেন্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারের আগেই লভ্যাংশ পাওয়ার অধিকার থাকে। তবে এগুলো অ-সঞ্চয়ী হওয়ায় কোনো বছর লভ্যাংশ ঘোষণা না হলে, পরবর্তীতে ওই বছরের অনাদায়ী লভ্যাংশের দাবি করা যাবে না।
  • সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ওপর প্রভাব: এই ইস্যুর ফলে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার অনুপাত কমবে না। তবে ভবিষ্যতে মুনাফা করলে, সরকারকে সবার আগে লভ্যাংশ দিতে হবে।

সরকারি তহবিল ও শেয়ার মানি ডিপোজিট

  • ঐতিহাসিক বিনিয়োগ: ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে টিটাস সরকার থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য তহবিল পেয়েছে।
  • শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার মানি ডিপোজিটের বকেয়া প্রায় ৩.৫২ বিলিয়ন টাকা।
  • শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত: প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে মূল পরিশোধিত মূলধন সরাসরি বাড়বে না। তবে লভ্যাংশ প্রদানের অগ্রাধিকার থাকায় ভবিষ্যতে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশের পরিমাণ কিছুটা কমে যেতে পারে।

আর্থিক পারফরম্যান্স: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধ

  • বর্তমান লোকসান: একসময় বড় মুনাফা করা এই কোম্পানি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৭.১১ বিলিয়ন টাকা লোকসান করেছে। একই সময়ে আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ কমে ১৭৪.৭২ বিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে।
  • সিস্টেম লস বৃদ্ধির প্রভাব: গ্যাস বিতরণের সময় সিস্টেম লস অনুমোদিত সীমা (২%) ছাড়িয়ে ১০.৬৩ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে বিক্রয় ছাড়াই উল্লেখযোগ্য ক্রয়মূল্য বহন করতে হচ্ছে, যা লোকসান বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
  • কর আইনের পরিবর্তন: ২০২৩ সালের কর আইনের কারণে গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আর ন্যূনতম কর থেকে অব্যাহতি পাচ্ছে না। সোর্সে কাটা করই এখন ন্যূনতম কর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা টিটাসের লোকসান বাড়িয়ে দিয়েছে।
  • আগত হিসাব: ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো টিটাস ১.৬৫ বিলিয়ন টাকা বার্ষিক লোকসান দেখায় এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোকসানের পরিমাণ বেড়ে ৭.৪৪ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছায়।

শেয়ারহোল্ডিং ও শেয়ারবাজারে প্রভাব

  • শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি: তিতাস গ্যাস ২০০৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সরকারের কাছে বর্তমানে ৭৫ শতাংশ সাধারণ শেয়ার রয়েছে। বাকি অংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • বর্তমান শেয়ারদর: সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৯.৭ টাকায় উঠলেও গত বছরের জানুয়ারিতে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর থেকে প্রায় ৫২ শতাংশ দরপতন হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক আদেশ ও অন্যান্য কোম্পানির উদাহরণ

  • FRC-এর নির্দেশনা: ২০২০ সালের মার্চে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC) নির্দেশ দেয়, সরকার বা অন্য কারো কাছ থেকে বিনিয়োগ পেলে কোম্পানিকে ছয় মাসের মধ্যে শেয়ার ইস্যু করে সেই বিনিয়োগকে মূলধনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এভাবে সরকারের বিনিয়োগের লভ্যাংশ নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
  • অন্যান্য উদাহরণ: ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি গত বছর একই নিয়ন্ত্রক আদেশের অধীনে সরকারকে শেয়ার ইস্যু করেছে।

উপসংহার

তিতাস গ্যাসের এই প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর ফলে কোম্পানির মূল পরিশোধিত মূলধনের সরাসরি পরিবর্তন হবে না। তবে প্রেফারেন্স শেয়ার রাখা থাকায় সরকারের অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানির আর্থিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন কতটা উন্নত হবে, তা নির্ভর করবে সিস্টেম লস নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সামগ্রিক অগ্রগতির ওপর।

জনপ্রিয় সংবাদ

কোন দেশে সবচেয়ে বেশি আত্মমুগ্ধ মানুষ? বিশ্বজুড়ে জরিপে চমকপ্রদ ফল

রেকর্ড পরিমান লোকসানের মধ্যে তিতাস প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করবে

০৫:০০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

সারাংশ

১. তিতাস গ্যাস ৩.৫২ বিলিয়ন টাকার অকুপনযোগ্য ও অ-সঞ্চয়ী প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে সরকার অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাবে।

২. ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে কোম্পানিটি ৭.১১ বিলিয়ন টাকা লোকসান করেছে, যার পেছনে সিস্টেম লস বৃদ্ধি ও কর আইনের পরিবর্তন বড় ভূমিকা রেখেছে।

৩. প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর ফলে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানা অনুপাত কমবে না, তবে সরকারের অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাওয়ায় তাদের লভ্যাংশ কমতে পারে।


সরকারি মালিকানাধীন তিতাস গ্যাস আনুমানিক ৩.৫২ বিলিয়ন টাকা মূল্যের প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যু করতে যাচ্ছে। এটি মূলত চার বছর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার জারি করা নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে নেওয়া একটি পদক্ষেপ।

প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর প্রস্তাব

  • পরিচালনা পর্ষদের বৈঠক: কোম্পানিটি আগামী ৬ মার্চ একটি বোর্ড সভা আহ্বান করেছে। সেখানেই প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর বিষয়ে শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন নিতে অতিরিক্ত সাধারণ সভার (EGM) তারিখ চূড়ান্ত করা হবে।
  • শেয়ারের ধরণ: টিটাস গ্যাস ৩৫.২ কোটি অকুপনযোগ্য ও অ-সঞ্চয়ী (Irredeemable Non-cumulative) প্রেফারেন্স শেয়ার প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যে সরকারকে ইস্যু করবে।
  • লভ্যাংশের অগ্রাধিকার: প্রেফারেন্স শেয়ারের ক্ষেত্রে সাধারণ শেয়ারের আগেই লভ্যাংশ পাওয়ার অধিকার থাকে। তবে এগুলো অ-সঞ্চয়ী হওয়ায় কোনো বছর লভ্যাংশ ঘোষণা না হলে, পরবর্তীতে ওই বছরের অনাদায়ী লভ্যাংশের দাবি করা যাবে না।
  • সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের ওপর প্রভাব: এই ইস্যুর ফলে বিদ্যমান শেয়ারহোল্ডারদের মালিকানার অনুপাত কমবে না। তবে ভবিষ্যতে মুনাফা করলে, সরকারকে সবার আগে লভ্যাংশ দিতে হবে।

সরকারি তহবিল ও শেয়ার মানি ডিপোজিট

  • ঐতিহাসিক বিনিয়োগ: ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে টিটাস সরকার থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য তহবিল পেয়েছে।
  • শেয়ার মানি ডিপোজিটের পরিমাণ: ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির শেয়ার মানি ডিপোজিটের বকেয়া প্রায় ৩.৫২ বিলিয়ন টাকা।
  • শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের মতামত: প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুতে মূল পরিশোধিত মূলধন সরাসরি বাড়বে না। তবে লভ্যাংশ প্রদানের অগ্রাধিকার থাকায় ভবিষ্যতে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশের পরিমাণ কিছুটা কমে যেতে পারে।

আর্থিক পারফরম্যান্স: ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধ

  • বর্তমান লোকসান: একসময় বড় মুনাফা করা এই কোম্পানি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৭.১১ বিলিয়ন টাকা লোকসান করেছে। একই সময়ে আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় মাত্র ২ শতাংশ কমে ১৭৪.৭২ বিলিয়ন টাকায় দাঁড়িয়েছে।
  • সিস্টেম লস বৃদ্ধির প্রভাব: গ্যাস বিতরণের সময় সিস্টেম লস অনুমোদিত সীমা (২%) ছাড়িয়ে ১০.৬৩ শতাংশে পৌঁছেছে। এর ফলে বিক্রয় ছাড়াই উল্লেখযোগ্য ক্রয়মূল্য বহন করতে হচ্ছে, যা লোকসান বৃদ্ধিতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
  • কর আইনের পরিবর্তন: ২০২৩ সালের কর আইনের কারণে গ্যাস ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আর ন্যূনতম কর থেকে অব্যাহতি পাচ্ছে না। সোর্সে কাটা করই এখন ন্যূনতম কর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা টিটাসের লোকসান বাড়িয়ে দিয়েছে।
  • আগত হিসাব: ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথমবারের মতো টিটাস ১.৬৫ বিলিয়ন টাকা বার্ষিক লোকসান দেখায় এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লোকসানের পরিমাণ বেড়ে ৭.৪৪ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছায়।

শেয়ারহোল্ডিং ও শেয়ারবাজারে প্রভাব

  • শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তি: তিতাস গ্যাস ২০০৮ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সরকারের কাছে বর্তমানে ৭৫ শতাংশ সাধারণ শেয়ার রয়েছে। বাকি অংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
  • বর্তমান শেয়ারদর: সাম্প্রতিক সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৯.৭ টাকায় উঠলেও গত বছরের জানুয়ারিতে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেওয়ার পর থেকে প্রায় ৫২ শতাংশ দরপতন হয়েছে।

নিয়ন্ত্রক আদেশ ও অন্যান্য কোম্পানির উদাহরণ

  • FRC-এর নির্দেশনা: ২০২০ সালের মার্চে ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল (FRC) নির্দেশ দেয়, সরকার বা অন্য কারো কাছ থেকে বিনিয়োগ পেলে কোম্পানিকে ছয় মাসের মধ্যে শেয়ার ইস্যু করে সেই বিনিয়োগকে মূলধনে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এভাবে সরকারের বিনিয়োগের লভ্যাংশ নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
  • অন্যান্য উদাহরণ: ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি গত বছর একই নিয়ন্ত্রক আদেশের অধীনে সরকারকে শেয়ার ইস্যু করেছে।

উপসংহার

তিতাস গ্যাসের এই প্রেফারেন্স শেয়ার ইস্যুর ফলে কোম্পানির মূল পরিশোধিত মূলধনের সরাসরি পরিবর্তন হবে না। তবে প্রেফারেন্স শেয়ার রাখা থাকায় সরকারের অগ্রাধিকার লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে কোম্পানির আর্থিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন কতটা উন্নত হবে, তা নির্ভর করবে সিস্টেম লস নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সামগ্রিক অগ্রগতির ওপর।