০৩:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা দাবি, দুই ভাই গ্রেপ্তার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বাকি কাঁটাতার দ্রুত শেষ করতে ৪৫ দিনের আল্টিমেটাম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক বিজিবি, বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় কান না দেওয়ার আহ্বান চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সংঘাতের নতুন অধ্যায়, ট্রাম্প-বৈঠকের আগে ‘প্রস্তুত’ বেইজিং বিদেশ ভিসা প্রক্রিয়ায় বড় স্বস্তি, ভিসা বন্ড পাঠানোর অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না: সীমান্ত ইস্যুতে কড়া বার্তা হুমায়ুন কবিরের রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র-পদ্মা সেতু-কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের ঋণের বোঝা এখন ২০ কোটি মানুষের কাঁধে: প্রধানমন্ত্রী ফিলিপাইনের ভাইস প্রেসিডেন্ট সারা দুতার্তেকে অভিশংসনের পক্ষে বিপুল ভোট, ২০২৮ নির্বাচনে বড় প্রভাবের আশঙ্কা লাইফ সাপোর্টে বরেণ্য নাট্যজন আতাউর রহমান, সুস্থতার জন্য দোয়া চাইলেন পরিবার জাপানে বসবাসের স্বপ্নে মার্কিনিদের আগ্রহ বাড়ছে, তবে বাধা ভাষা ও কর্মসংস্কৃতি

ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার কারণ

  • Sarakhon Report
  • ১২:৪৯:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫
  • 108

সারাক্ষণ রিপোর্ট

হোয়াইট হাউসে একটি সরাসরি প্রেস ইভেন্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর মূল কারণ ছিল জেলেনস্কির একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিকে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাখ্যান করা।

ঘটনার পটভূমি

ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা চুক্তির প্রস্তাব করেছিল, যা খনিজ সম্পদের বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছিল। তবে এই চুক্তিতে ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ থেকে রক্ষা করার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। জেলেনস্কি বারবার জোর দিয়ে বলেন যে, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া তিনি কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না।

চুক্তির প্রস্তাব ও প্রতিক্রিয়া

ইউক্রেনের পক্ষে শক্তিশালী নিরাপত্তা শর্ত দরকার ছিল, কিন্তু সেই নিশ্চয়তা না থাকায় জেলেনস্কি চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ক্ষুব্ধ হন। এক ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা এমন কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারি নাযা আমাদের রক্ষা করবে না বরং আক্রমণকারীদের সুবিধা দেবে।”

উত্তপ্ত বিতর্ক ও বিতর্কিত মন্তব্য

সংবাদ সম্মেলনের কয়েক মিনিটের মধ্যেই উত্তেজনা চরমে ওঠে।

  • ট্রাম্প  ২০১৪ ও ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের জন্য তিনি বারাক ওবামা ও জো বাইডেনকে দায়ী করেন।
  • জেলেনস্কি সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রাশিয়া ২০১৪ সাল থেকে এক মুহূর্তের জন্যও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করেনিএবং পুতিন বারবার দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন।”
  • ভ্যান্স মন্তব্য করেন, ওভাল অফিসে এসে মিডিয়ার সামনে এই বিষয়ে বিতর্ক করা সম্মানজনক নয়।”

উপসংহার

জেলেনস্কি যুক্তি দেন যে, ইউক্রেন শুধু নিজের জন্য নয়, গোটা ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশকেও প্রভাবিত করতে পারে। অপরদিকে, ট্রাম্প বলেন, আমরা সমস্যার সমাধান করতে চাইতাই আমাদের মনোভাব নির্ধারণের চেষ্টা করবেন না।”

এই ঘটনাটি দেখায়, কূটনৈতিক আলোচনায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে দুই নেতার অবস্থান একে অপরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা দাবি, দুই ভাই গ্রেপ্তার

ওভাল অফিসে ট্রাম্প ও জেলেনস্কির চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার কারণ

১২:৪৯:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ মার্চ ২০২৫

সারাক্ষণ রিপোর্ট

হোয়াইট হাউসে একটি সরাসরি প্রেস ইভেন্টে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। এর মূল কারণ ছিল জেলেনস্কির একটি গুরুত্বপূর্ণ দাবিকে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাখ্যান করা।

ঘটনার পটভূমি

ট্রাম্প প্রশাসন ইউক্রেনের জন্য একটি নিরাপত্তা চুক্তির প্রস্তাব করেছিল, যা খনিজ সম্পদের বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছিল। তবে এই চুক্তিতে ইউক্রেনকে রাশিয়ার ভবিষ্যৎ আক্রমণ থেকে রক্ষা করার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। জেলেনস্কি বারবার জোর দিয়ে বলেন যে, নিরাপত্তার নিশ্চয়তা ছাড়া তিনি কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করবেন না।

চুক্তির প্রস্তাব ও প্রতিক্রিয়া

ইউক্রেনের পক্ষে শক্তিশালী নিরাপত্তা শর্ত দরকার ছিল, কিন্তু সেই নিশ্চয়তা না থাকায় জেলেনস্কি চুক্তিটি প্রত্যাখ্যান করেন। এতে ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ক্ষুব্ধ হন। এক ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা বলেন, আমরা এমন কোনো চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে পারি নাযা আমাদের রক্ষা করবে না বরং আক্রমণকারীদের সুবিধা দেবে।”

উত্তপ্ত বিতর্ক ও বিতর্কিত মন্তব্য

সংবাদ সম্মেলনের কয়েক মিনিটের মধ্যেই উত্তেজনা চরমে ওঠে।

  • ট্রাম্প  ২০১৪ ও ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের জন্য তিনি বারাক ওবামা ও জো বাইডেনকে দায়ী করেন।
  • জেলেনস্কি সঙ্গে সঙ্গেই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, রাশিয়া ২০১৪ সাল থেকে এক মুহূর্তের জন্যও ইউক্রেনের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করেনিএবং পুতিন বারবার দ্বিপাক্ষিক চুক্তি লঙ্ঘন করেছেন।”
  • ভ্যান্স মন্তব্য করেন, ওভাল অফিসে এসে মিডিয়ার সামনে এই বিষয়ে বিতর্ক করা সম্মানজনক নয়।”

উপসংহার

জেলেনস্কি যুক্তি দেন যে, ইউক্রেন শুধু নিজের জন্য নয়, গোটা ইউরোপের নিরাপত্তার জন্য লড়াই করছে, যা ভবিষ্যতে অন্যান্য দেশকেও প্রভাবিত করতে পারে। অপরদিকে, ট্রাম্প বলেন, আমরা সমস্যার সমাধান করতে চাইতাই আমাদের মনোভাব নির্ধারণের চেষ্টা করবেন না।”

এই ঘটনাটি দেখায়, কূটনৈতিক আলোচনায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ এবং কীভাবে দুই নেতার অবস্থান একে অপরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।