০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 176

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)

 

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)