০৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস মালয়েশিয়ায় একক মায়ের সংখ্যা ৩ লাখ ৪০ হাজার ছাড়াল, দারিদ্র্য ও জীবনযুদ্ধের শঙ্কা বাড়ছে চীনের নতুন বার্তা: দেশের টাকা দেশে রাখুন, বিদেশে বিনিয়োগে বাড়ছে কড়াকড়ি মালয়েশিয়ায় ডিজেলে বাড়ছে পাম অয়েলের ব্যবহার, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন পদক্ষেপ ইরান চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, লেবাননে যুদ্ধবিরতির দাবিতে জি-৭ নেতারা সিঙ্গাপুরের নেতৃত্বে আসিয়ানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন যুগ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও তথ্যপ্রবাহে জোর ভারতে  টমেটো-পেঁয়াজ-আলুর দামে আগুন, কৃষকের হাতে নেই ন্যায্য মূল্য পশ্চিমবঙ্গে উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে রাজপথে মমতা, হকারদের পক্ষে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন কোটা থেকে রাহুলের শিক্ষা বার্তা: ‘স্বপ্ন গড়ার বদলে শিক্ষাব্যবস্থা চাপ ও খরচ বাড়াচ্ছে’ টেলিগ্রামে প্রশ্নফাঁস আতঙ্ক, সতর্কবার্তার পরই ভারতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 193

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

দক্ষিণ চীন সাগরে মালয়েশিয়ার নতুন নজরদারি শক্তি, আকাশে যুক্ত হলো ‘অবিরাম চোখ’ আনকা-এস

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)