১১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫
  • 208

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৫২)

০৩:৫৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

 ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দুজন আর্যভট

একই নামে দুজন আর্যভট ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে দেখা যায় একথা প্রখ্যাত আরবীয় মনীষী আলবিরূণীর ১০৩০ খ্রীষ্টাব্দে লিখিত গ্রন্থের মধ্যে দেখা যায়। পৃথকীকরণের জন্য তিনি একজনকে প্রথম আর্যভট এবং কনিষ্ঠকে কুসুমপুরের আর্যভট বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেছেন দ্বিতীয় জন প্রথম আর্যভটের ধারার অনুগামী এবং এ ছাড়াও আলবিরূণী বলেছেন যে দ্বিতীয়জন প্রথমজনের রচনা থেকে নানা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্ববর্তী কোন ভারতীয় গণিতবিদ দুজন আর্যভটের নামোল্লেখ করেননি এবং দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য এ সম্পর্কে যা বলেছেন তাও অস্পষ্ট।

যাই হোক আমরা পরে দেখতে পাবো যে আলবিরূণী ও দ্বিতীয় ভাস্করাচার্য যাঁদের সম্বন্ধে ইঙ্গিত দিয়েছেন তাঁরা এক ব্যক্তি নন। সেইহেতু আলবিরূণীর বক্তব্যের বিচার বিশ্লেষণ করা দরকার। কারণ যদি এ বিশ্লেষণ না করা যায় তাহলে ভারতীয় গণিতবিদ প্রথম আর্যভটের রচনা ও সন তারিখ প্রভৃতি সম্বন্ধে অযথা সন্দেহ সৃষ্টি করবে।

(চলবে)