১২:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারে হামলার আসামি আদালতে, ট্রাম্প প্রশাসনকে টার্গেট করার পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালী আর আগের মতো থাকবে না: ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘোষণা মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে পড়েছে, আরাঘচি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে সেন্ট পিটার্সবার্গে চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল কর্মী গুলিতে নিহত

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৩:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫
  • 111

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবার দেখা যাক আর্যভটীয় গ্রন্থটি কোন আর্যভটের রচনা। আর্যভটীয়ের রচনা-কার নিশ্চয়ই ব্রহ্মগুপ্তের পূর্ববর্তী ছিলেন। কারণ ব্রহ্মগুপ্ত এর উদ্ধৃতি ব্রাহ্মস্ফুট সিদ্ধান্তে দিয়েছেন। আবার আলবিরূণী বলেছেন ব্রহ্মগুপ্ত প্রথম আর্যভটের থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। তাহলে কুসুমপুরের আর্যভট কে? আলবিদ্ধণীর আগেই দুজন আর্যভট ছিলেন।

একজন ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন অপরজন ৯৫০ খ্রীষ্টাব্দে জীবিত ছিলেন। কিন্তু ১৫০ শ্রীষ্টাব্দের আর্যভটের সঙ্গে আলবিরূণীর পরিচয় ছিল না। কোন উদ্ধৃতিও তাঁর সঙ্গে মেলে না। বরং একটি উদ্ধৃতি এই আর্যভটের মতের বিরোধী। আবার আলবিরূণীর প্রমাণেই বলা যায় কুহুমপুরের আর্যভট দশম শতাব্দীর মত এত পরবর্তীকালের পণ্ডিত নন।

তাহলে কি কুসুমপুরের আর্যভট কোন নূতন পণ্ডিত? এ অনুমান নিরাপদ নয়। কারণ দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্বে কোন ভারতীয় গণিতবিদই দুজন আর্যভটের অস্তিত্বের কথা বলেন নাই। ডঃ দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন কুসুমপুরের আর্যভট একটি আকাশকুসুম চিন্তা মাত্র। একজনকেই দুজন বলে ভুল করা হয়েছে। অবশ্য এমত শঙ্কর বালকৃষ্ণ দীক্ষিতেরও।

(চলবে)

হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-১৬৪)

০৩:৩৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ এপ্রিল ২০২৫

প্রদীপ কুমার মজুমদার

এবার দেখা যাক আর্যভটীয় গ্রন্থটি কোন আর্যভটের রচনা। আর্যভটীয়ের রচনা-কার নিশ্চয়ই ব্রহ্মগুপ্তের পূর্ববর্তী ছিলেন। কারণ ব্রহ্মগুপ্ত এর উদ্ধৃতি ব্রাহ্মস্ফুট সিদ্ধান্তে দিয়েছেন। আবার আলবিরূণী বলেছেন ব্রহ্মগুপ্ত প্রথম আর্যভটের থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছেন। তাহলে কুসুমপুরের আর্যভট কে? আলবিদ্ধণীর আগেই দুজন আর্যভট ছিলেন।

একজন ৪৭৬ খ্রীষ্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন অপরজন ৯৫০ খ্রীষ্টাব্দে জীবিত ছিলেন। কিন্তু ১৫০ শ্রীষ্টাব্দের আর্যভটের সঙ্গে আলবিরূণীর পরিচয় ছিল না। কোন উদ্ধৃতিও তাঁর সঙ্গে মেলে না। বরং একটি উদ্ধৃতি এই আর্যভটের মতের বিরোধী। আবার আলবিরূণীর প্রমাণেই বলা যায় কুহুমপুরের আর্যভট দশম শতাব্দীর মত এত পরবর্তীকালের পণ্ডিত নন।

তাহলে কি কুসুমপুরের আর্যভট কোন নূতন পণ্ডিত? এ অনুমান নিরাপদ নয়। কারণ দ্বিতীয় ভাস্করাচার্যের পূর্বে কোন ভারতীয় গণিতবিদই দুজন আর্যভটের অস্তিত্বের কথা বলেন নাই। ডঃ দত্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন কুসুমপুরের আর্যভট একটি আকাশকুসুম চিন্তা মাত্র। একজনকেই দুজন বলে ভুল করা হয়েছে। অবশ্য এমত শঙ্কর বালকৃষ্ণ দীক্ষিতেরও।

(চলবে)