০২:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৪)

  • Sarakhon Report
  • ০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫
  • 333

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন। শ্রেষ্ঠী সুদত্ত দানশীলতার তিনি বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে একটা বিহার নির্মাণ করতে ইচ্ছা করলেন।

বুদ্ধ সারিপুত্রের সঙ্গে গিয়ে নগরের বাইরে রাজকুমার জেতের যে বাগান ছিল সেইটে পছন্দ করলেন।জেতকে বলতে তিনি হেসে বললেন যে, ‘বেশ। যত স্বর্ণমুদ্রা বিছিয়ে দিলে বাগানটা ভরে যায়, সেই দামে বাগানটা বেচতে রাজি আছি।’

অনাথপিণ্ডদ সানন্দে সেই দামেই বাগানটা কিনে নিয়ে বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে দিলেন। বুদ্ধ এই বিহারে থাকতে ভালোবাসতেন, আর তাঁর বহু উপদেশ, যা ত্রিপিটকে বণিত আছে, এই বিহারেই বলেছিলেন।

হিউএনচাঙের সময়ে বিহার, ভিক্ষুদের থাকবার বাড়িগুলি প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়েছিল, কেবল একটা ছোট বাড়িতে সোনালি রঙ করা বুদ্ধের একটা পাথরের মূর্তি ছিল। রাজা উদয়ন কৌশাদীতে চন্দনকাঠের বুদ্ধমূর্তি তৈয়ারী করেছেন শুনে রাজা প্রসেনজিৎ এই পাথরের বুদ্ধমূর্তিটি গড়ান।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

হিউএনচাঙ (পর্ব-৯৪)

০৯:০০:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ মে ২০২৫

সত্যেন্দ্রকুমার বসু

শ্রাবস্তীপুরীর এক ক্রোশ দূরে জেতবন। জন্যে অনাথপিণ্ডদ নামে পরিচিত ছিলেন। শ্রেষ্ঠী সুদত্ত দানশীলতার তিনি বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে একটা বিহার নির্মাণ করতে ইচ্ছা করলেন।

বুদ্ধ সারিপুত্রের সঙ্গে গিয়ে নগরের বাইরে রাজকুমার জেতের যে বাগান ছিল সেইটে পছন্দ করলেন।জেতকে বলতে তিনি হেসে বললেন যে, ‘বেশ। যত স্বর্ণমুদ্রা বিছিয়ে দিলে বাগানটা ভরে যায়, সেই দামে বাগানটা বেচতে রাজি আছি।’

অনাথপিণ্ডদ সানন্দে সেই দামেই বাগানটা কিনে নিয়ে বুদ্ধ ও তাঁর শিষ্যদের থাকবার জন্যে দিলেন। বুদ্ধ এই বিহারে থাকতে ভালোবাসতেন, আর তাঁর বহু উপদেশ, যা ত্রিপিটকে বণিত আছে, এই বিহারেই বলেছিলেন।

হিউএনচাঙের সময়ে বিহার, ভিক্ষুদের থাকবার বাড়িগুলি প্রায় সমস্তই ধ্বংস হয়েছিল, কেবল একটা ছোট বাড়িতে সোনালি রঙ করা বুদ্ধের একটা পাথরের মূর্তি ছিল। রাজা উদয়ন কৌশাদীতে চন্দনকাঠের বুদ্ধমূর্তি তৈয়ারী করেছেন শুনে রাজা প্রসেনজিৎ এই পাথরের বুদ্ধমূর্তিটি গড়ান।

(চলবে)