০৮:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি রাশিয়ায় মার্কিন গোয়েন্দাপ্রধান, মস্কোয় গোপন বৈঠক ঘিরে জল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বিলিয়ন ডলারের পণ্যে পাল্টা শুল্ক কানাডার, তীব্র হচ্ছে বাণিজ্যযুদ্ধ বাণিজ্য চুক্তির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, উত্তর আমেরিকায় নতুন কারখানা নিয়ে হোন্ডার সতর্কবার্তা দেশীয় সংগীতের রানী ডলি পার্টন আর নেই, ৮০ বছর বয়সে শেষ হলো কিংবদন্তির পথচলা ডলি পার্টন: কিংবদন্তি গায়িকার সাত দশকের বর্ণিল জীবন ইসলামাবাদে হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে আগুন, ১৪ শিশুর মৃত্যু কুমিল্লায় পারিবারিক বিরোধে বড় ভাইয়ের মারধরে প্রাণ গেল ভাইয়ের বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পাঁচ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কতা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • 401

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে এ প্রসঙ্গে একথাও বলা প্রয়োজন আজতেকদের যান্ত্রিক উপায়ে চাষ করার কোনো যন্ত্র ছিল না। প্রধানত শ্রমনির্ভর চাষই তারা করত। সাধারণ মানুষ, পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতে শরীরে খেটে ফসল ঘরে তুলত।

সাধারণত কোদাল, কাঠের একরকম সরু, সূচালো দণ্ড দিয়ে চাষের কাজ করত। মেয়েরাও মাঝে মধ্যে জমি তৈরির কাজ করত। তারা পাথর দিয়ে জমি খুঁড়ে তার থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে দিত। এই পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয়। মানো (Mano) এবং সমতল আকারের পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয় মেতাতে (Metate)।

উপত্যকার উর্বর জমিতে আজতেকরা ফুল, ফল, কাকাও, স্কোয়াশ এবং নানাধরনের সবজি ফলাত। এছাড়া লংকা, ধান এবং এক ধরনের ফলও চাষ করত যার সাহায্যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিয়ার জাতীয় পানীয় তৈরি করত। এছাড়া আজতেকরা হাঁস, কুকুর, বড় বড় পাখি শিকার করে। তবে এইসব প্রাণীর মাসে তারা খায় না।

রাজা, অভিজাত বা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল পরিবারের লোক এই মাংস কেনে এবং এই মাংস খাওয়ার মধ্যে দিয়ে এই অভিজাত  শ্রেণি সমাজে সম্মান অর্জন করে। একথা ঠিক যে আজতেক সমাজের অর্থনীতি, জীবিকা কষিকেন্দ্রিক কিন্তু তা সত্বেও বছরের কোনো কোনো সময় খরা বা অফলন-এর সমস্যা দেখা দেয়।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের আসক্তি নিয়ে মামলায় ইনস্টাগ্রাম প্রধানের স্বীকারোক্তি

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

০৭:০০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে এ প্রসঙ্গে একথাও বলা প্রয়োজন আজতেকদের যান্ত্রিক উপায়ে চাষ করার কোনো যন্ত্র ছিল না। প্রধানত শ্রমনির্ভর চাষই তারা করত। সাধারণ মানুষ, পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতে শরীরে খেটে ফসল ঘরে তুলত।

সাধারণত কোদাল, কাঠের একরকম সরু, সূচালো দণ্ড দিয়ে চাষের কাজ করত। মেয়েরাও মাঝে মধ্যে জমি তৈরির কাজ করত। তারা পাথর দিয়ে জমি খুঁড়ে তার থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে দিত। এই পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয়। মানো (Mano) এবং সমতল আকারের পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয় মেতাতে (Metate)।

উপত্যকার উর্বর জমিতে আজতেকরা ফুল, ফল, কাকাও, স্কোয়াশ এবং নানাধরনের সবজি ফলাত। এছাড়া লংকা, ধান এবং এক ধরনের ফলও চাষ করত যার সাহায্যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিয়ার জাতীয় পানীয় তৈরি করত। এছাড়া আজতেকরা হাঁস, কুকুর, বড় বড় পাখি শিকার করে। তবে এইসব প্রাণীর মাসে তারা খায় না।

রাজা, অভিজাত বা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল পরিবারের লোক এই মাংস কেনে এবং এই মাংস খাওয়ার মধ্যে দিয়ে এই অভিজাত  শ্রেণি সমাজে সম্মান অর্জন করে। একথা ঠিক যে আজতেক সমাজের অর্থনীতি, জীবিকা কষিকেন্দ্রিক কিন্তু তা সত্বেও বছরের কোনো কোনো সময় খরা বা অফলন-এর সমস্যা দেখা দেয়।

(চলবে)