১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
হৃদয়ের অপরাজিত ফিফটি: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে টাইগাররা সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু, শোকের ছায়া হাওরজুড়ে ইটপাটকেল ও ভাঙচুরে রণক্ষেত্র সিলেট বাস টার্মিনাল বুলেট বৈরাগী হত্যা: চাঞ্চল্যকর তথ্য, ৪ জনের জবানবন্দি হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এআই মামলা শুরু: মাস্ক বনাম অ্যালটম্যান আদালতে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • 363

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে এ প্রসঙ্গে একথাও বলা প্রয়োজন আজতেকদের যান্ত্রিক উপায়ে চাষ করার কোনো যন্ত্র ছিল না। প্রধানত শ্রমনির্ভর চাষই তারা করত। সাধারণ মানুষ, পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতে শরীরে খেটে ফসল ঘরে তুলত।

সাধারণত কোদাল, কাঠের একরকম সরু, সূচালো দণ্ড দিয়ে চাষের কাজ করত। মেয়েরাও মাঝে মধ্যে জমি তৈরির কাজ করত। তারা পাথর দিয়ে জমি খুঁড়ে তার থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে দিত। এই পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয়। মানো (Mano) এবং সমতল আকারের পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয় মেতাতে (Metate)।

উপত্যকার উর্বর জমিতে আজতেকরা ফুল, ফল, কাকাও, স্কোয়াশ এবং নানাধরনের সবজি ফলাত। এছাড়া লংকা, ধান এবং এক ধরনের ফলও চাষ করত যার সাহায্যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিয়ার জাতীয় পানীয় তৈরি করত। এছাড়া আজতেকরা হাঁস, কুকুর, বড় বড় পাখি শিকার করে। তবে এইসব প্রাণীর মাসে তারা খায় না।

রাজা, অভিজাত বা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল পরিবারের লোক এই মাংস কেনে এবং এই মাংস খাওয়ার মধ্যে দিয়ে এই অভিজাত  শ্রেণি সমাজে সম্মান অর্জন করে। একথা ঠিক যে আজতেক সমাজের অর্থনীতি, জীবিকা কষিকেন্দ্রিক কিন্তু তা সত্বেও বছরের কোনো কোনো সময় খরা বা অফলন-এর সমস্যা দেখা দেয়।

(চলবে)

 

হৃদয়ের অপরাজিত ফিফটি: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে টাইগাররা

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬১)

০৭:০০:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে এ প্রসঙ্গে একথাও বলা প্রয়োজন আজতেকদের যান্ত্রিক উপায়ে চাষ করার কোনো যন্ত্র ছিল না। প্রধানত শ্রমনির্ভর চাষই তারা করত। সাধারণ মানুষ, পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতে শরীরে খেটে ফসল ঘরে তুলত।

সাধারণত কোদাল, কাঠের একরকম সরু, সূচালো দণ্ড দিয়ে চাষের কাজ করত। মেয়েরাও মাঝে মধ্যে জমি তৈরির কাজ করত। তারা পাথর দিয়ে জমি খুঁড়ে তার থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে দিত। এই পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয়। মানো (Mano) এবং সমতল আকারের পাথুরে যন্ত্রকে বলা হয় মেতাতে (Metate)।

উপত্যকার উর্বর জমিতে আজতেকরা ফুল, ফল, কাকাও, স্কোয়াশ এবং নানাধরনের সবজি ফলাত। এছাড়া লংকা, ধান এবং এক ধরনের ফলও চাষ করত যার সাহায্যে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় বিয়ার জাতীয় পানীয় তৈরি করত। এছাড়া আজতেকরা হাঁস, কুকুর, বড় বড় পাখি শিকার করে। তবে এইসব প্রাণীর মাসে তারা খায় না।

রাজা, অভিজাত বা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল পরিবারের লোক এই মাংস কেনে এবং এই মাংস খাওয়ার মধ্যে দিয়ে এই অভিজাত  শ্রেণি সমাজে সম্মান অর্জন করে। একথা ঠিক যে আজতেক সমাজের অর্থনীতি, জীবিকা কষিকেন্দ্রিক কিন্তু তা সত্বেও বছরের কোনো কোনো সময় খরা বা অফলন-এর সমস্যা দেখা দেয়।

(চলবে)