০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে লালমনিরহাটে শিশু হত্যাকাণ্ড ঘিরে সংঘর্ষ: এসপি-ওসিসহ আহত ২০, আটক প্রধান সন্দেহভাজন

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • 343

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

কয়েক বছর অন্তর খরার এমন পর্যায়ে যায় যে দুর্ভিক্ষ, মহামারী দেখা দেয়। তবে এসব সহেও তারা এই খরা দুর্ভিক্ষকে প্রতিরোধ করার কৌশল উদ্ভাবন করেছিল। তেনোচতিতলান সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে সেচের জল সংগ্রহ করে এবং সেই সঙ্গে খাল কেটে তা থেকে জল সংগ্রহ করেও এই সমস্যা মোকাবিলা করত।

আজতেক সমাজের। সাধারণ মানুষের একটা অংশ নির্মাণ শিল্পে বা বাড়িঘর, সরকারি বাসভবন, রাজার প্রসাদ, এবং প্লাজাতে বড় বড় বাড়ি তৈরীর শ্রমিক হিসেবেও কাজ করত। এর থেকে জীবিকা নির্বাহ করার মধ্যে এক ধরনের নিরাপত্তা ছিল।

কেন না বিশেষ করে সরকারি বাসভবন, আবাসন তৈরির একটা নিশ্চয়তা ও ধারাবাহিকতা ছিল। আজতেক জনগোষ্ঠীর জীবিকাঅর্জনের অনুকূল উপাদান হল তাদের বাণিজ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল এবং রাজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ। এক্ষেত্রে কৃষিজাত দ্রব্য ছাড়া উৎপাদিত পণ্যর গুরুত্ব ছিল বেশি।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬২)

০৭:০০:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

কয়েক বছর অন্তর খরার এমন পর্যায়ে যায় যে দুর্ভিক্ষ, মহামারী দেখা দেয়। তবে এসব সহেও তারা এই খরা দুর্ভিক্ষকে প্রতিরোধ করার কৌশল উদ্ভাবন করেছিল। তেনোচতিতলান সহ পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে সেচের জল সংগ্রহ করে এবং সেই সঙ্গে খাল কেটে তা থেকে জল সংগ্রহ করেও এই সমস্যা মোকাবিলা করত।

আজতেক সমাজের। সাধারণ মানুষের একটা অংশ নির্মাণ শিল্পে বা বাড়িঘর, সরকারি বাসভবন, রাজার প্রসাদ, এবং প্লাজাতে বড় বড় বাড়ি তৈরীর শ্রমিক হিসেবেও কাজ করত। এর থেকে জীবিকা নির্বাহ করার মধ্যে এক ধরনের নিরাপত্তা ছিল।

কেন না বিশেষ করে সরকারি বাসভবন, আবাসন তৈরির একটা নিশ্চয়তা ও ধারাবাহিকতা ছিল। আজতেক জনগোষ্ঠীর জীবিকাঅর্জনের অনুকূল উপাদান হল তাদের বাণিজ্য এবং অন্যান্য অঞ্চল এবং রাজ্যের সঙ্গে ব্যবসায়িক যোগাযোগ। এক্ষেত্রে কৃষিজাত দ্রব্য ছাড়া উৎপাদিত পণ্যর গুরুত্ব ছিল বেশি।

(চলবে)