১২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরে শত কোটি টাকার স্টেশন, থামে দিনে মাত্র একটি ট্রেন—অচল অবকাঠামোর করুণ চিত্র  হৃদয়ের অপরাজিত ফিফটি: নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে টাইগাররা সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু, শোকের ছায়া হাওরজুড়ে ইটপাটকেল ও ভাঙচুরে রণক্ষেত্র সিলেট বাস টার্মিনাল বুলেট বৈরাগী হত্যা: চাঞ্চল্যকর তথ্য, ৪ জনের জবানবন্দি হরমুজ খুলতে ইরানের নতুন প্রস্তাব পাকিস্তান হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হয়েছে লেবানন যুদ্ধবিরতি ভঙ্গুর: মার্চ থেকে ২,৫০৯ জন নিহত, ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ২০০৩-এর পর প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন তিনটি বিমানবাহী রণতরী, উত্তেজনা তীব্র টানা ১১তম বছরে রেকর্ড: বৈশ্বিক সামরিক ব্যয় ২০২৫ সালে ২.৯ ট্রিলিয়ন ডলার ২১ বছর পর গাজা ও পশ্চিম তীরে স্থানীয় নির্বাচন, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ নতুন পথে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • 411

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)

গাজীপুরে শত কোটি টাকার স্টেশন, থামে দিনে মাত্র একটি ট্রেন—অচল অবকাঠামোর করুণ চিত্র 

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)