০৮:২০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে? ঢাকার বাস টার্মিনাল এখনই সরছে না, বাইরে থাকবে ডিপো—জানালেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী জাবিতে মাদককাণ্ড: দুই ছাত্রীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার, একজনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ চীনের ইভি যুদ্ধে নতুন অস্ত্র: নিজস্ব স্মার্ট-ড্রাইভিং চিপে ঝুঁকছে গাড়ি নির্মাতারা নরেন্দ্র মোদি ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১৬ মাস পর মুখোমুখি, জি৭ সম্মেলনে পাশাপাশি আসন জি৭ সম্মেলনে রাশিয়ার ওপর আরও চাপের সিদ্ধান্ত, ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠকে ইউক্রেন ইস্যুতে নতুন বার্তা উপজেলায় এমপিদের জন্য ‘পরিদর্শন কক্ষ’, প্রতিটি উপজেলায় বরাদ্দ ৬ লাখ টাকা চীনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত, মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের সঙ্গে শি জিনপিংয়ের বৈঠক মুহাররমের চাঁদ দেখা যায়নি, পাকিস্তানে ২৬ জুন পালিত হবে আশুরা রয়টার্স এর প্রতিবেদনঃ বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাকে দিল্লি বিমানবন্দরে ‘জিজ্ঞাসাবাদ’ করার প্রতিবাদ জানিয়েছে

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

  • Sarakhon Report
  • ০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫
  • 431

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বাস্তবতা: তেলের যুগ কি চাহিদার সীমায় পৌঁছে গেছে?

আজতেক সভ্যতার ইতিহাস (পর্ব-৬৩)

০৭:০০:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মে ২০২৫

সুবীর বন্দ্যোপাধ্যায়

যেসব দ্রব্য নানাক্ষেত্রে উৎপাদন করা হত তা স্থানীয় বাজারে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হত। এইসব পণ্যর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল নানা রকমের পাত্র, থালা-বাসন, যন্ত্রপাতি (tools), অলংকার, কাপড়, ঝুড়ি এবং অন্যান্য বিলাসবহুল ভোগ্যপণ্য।

এছাড়া আজতেকরা সোনার গয়না, খানদানী নানা পোশাকও তৈরি করত। এইসব ভোগ্যপণ্য অন্যান্য অঞ্চল বা বাজারে নিয়ে যেত পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

এই কাজের বিভিন্ন স্তরে যে কর্মী লাগত তা শহরের নাগরিকদের মধ্য থেকে সংগ্রহ করা হত। এইসব উপসাগরীয় অঞ্চলে এইসব পণ্য বিক্রী হত। বিশেষত আধুনিক গুয়াতেমালায় আজতেকদের তৈরি করা ভোগ্যপণ্যের ভাল বাজার ছিল।

এই বাণিজ্যের ধরণটা অনেক সময় বিনিময় পদ্ধতির মত ছিল। অর্থাৎ আজতেকদের বাণিজ্য পণ্য বীন, কাকাও, তুলার বিনিময়ে অন্য কারবারীকে ভোগ্যপণ্য দিতে হত।

এছাড়া আজতেকদের কোনো ধাতুর মুদ্রা ছিল না এবং সেই কারণে পণ্য কেনার সময় তারা মুদ্রা হিসেবে দিত সুতির কাপড়, কাকাও, বিন, লবণ ইত্যাদি। এছাড়া আজতেকদের পণ্যবহনের জন্য কোনোরকম যানবাহন ছিল না। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করত কুলি বা শ্রমিকরা। কুলিরা পিঠে মালবহন করে নিত।

(চলবে)