০৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
ক্যালিফোর্নিয়ায় বিলিয়নিয়ার কর নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বিভাজন, ধনীদের দেশ ছাড়ার আশঙ্কা ভারতের গিগ অর্থনীতির বিস্ফোরণ: অনিশ্চিত শ্রম থেকে আনুষ্ঠানিক সুরক্ষার পথে নতুন বাস্তবতা অস্ট্রেলিয়ার বন্ডি হামলার পর ইসরাইলের প্রেসিডেন্টের সফর, সামাজিক সম্প্রীতির বড় পরীক্ষা জাপানের রাজনীতিতে নতুন ঝড়, জন্ম নিচ্ছে একের পর এক দল বিজ্ঞান রক্ষায় কংগ্রেসের লড়াই, থামেনি ট্রাম্প যুগের চাপ নাটোরে নির্বাচনী প্রচারে সংঘর্ষে, আহত ১৩ গাজায় এখনো অচলাবস্থা: রাফাহ সীমান্ত খুললেও গাজার বাস্তবতায় তেমন পরিবর্তন নেই তিগ্রেতে নতুন উত্তেজনা: ভঙ্গুর শান্তির সামনে ইথিওপিয়া আফ্রিকায় মার্কিন সহায়তা—কম উদার,বেশি শর্তসাপেক্ষ বিশ্বজুড়ে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হলে দুর্নীতি বাড়ে

কোন সাতটি রঙ বদলে দিতে পারে আপনার ছোট্ট ফ্লাটকে

ছোট জায়গাবড় প্রভাব: ঘরের রঙ বদলাবে মেজাজ

ছোট ঘর মানেই সীমাবদ্ধতা—এই ধারণা এখন অতীত। ডিজাইনারদের মতে, রঙের সঠিক ব্যবহারে সবচেয়ে ছোট ঘরও হয়ে উঠতে পারে দৃষ্টিনন্দন এবং মেজাজবদলকারী এক জায়গা। ফ্রান্সের ফ্যাশন আইকন কোকো শ্যানেলের সোনালি দেয়াল ঘেরা ব্যক্তিগত সেলুন কিংবা থমাস জেফারসনের সবুজ রঙে মোড়া গবেষণাকক্ষ—এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে দেয়ালরঙ কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

ডিজাইনার সারা সোয়াব বলেন, “ছোট ঘরগুলো আগে থেকেই সীমিত, তাই তাতে এক ধরনের গভীরতা ও কোঁকড়ানো আবেশ তৈরি করলে তা আরও আকর্ষণীয় হয়।”

তবে সব সময় গাঢ় রঙ বেছে নেওয়াটাই যে উপযুক্ত তা নয়। ডিজাইনার ক্রিস্টিন টাটল মনে করিয়ে দেন, “সব সময় ‘কালো রঙ দিন’ বলাটা যথাযথ নয়। এতে ঘর আরামদায়ক হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ঘরের সঙ্গে রঙের সম্পর্ক বুঝতে হবে।”

ডিজাইনাররা এখন যেসব রঙকে ছোট ঘরের জন্য আদর্শ মনে করছেন, নিচে দেওয়া হলো এমন সাতটি রঙের তালিকা।

শারউইন-উইলিয়ামসের অ্যারিস্টোক্র্যাট পিচ

উষ্ণতা ও আধুনিকতার মিশেল
রোড আইল্যান্ডের ডিজাইনার অ্যালিসন হ্যামাট সম্প্রতি এক ক্লায়েন্টের সঙ্কুচিত ও নিচু ছাদের ঘরকে প্রাণবন্ত করে তোলেন এই রঙ দিয়ে। হ্যামাট জানান, “এই রঙ একদিকে উষ্ণ, আবার অন্যদিকে টাটকা অনুভূতি দেয়।” ঘরের উপরিভাগের আলো অপসারণ করে তিনি শুধু ল্যাম্প ব্যবহার করেন, যাতে আলোর কোমলতা ও রঙের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

বেনজামিন মুরের পেইল ওক

সৌম্যতবু গভীর
ডিজাইনার টাটল ছোট ও অন্ধকার বাথরুমের জন্য বেছে নিয়েছেন পেইল ওক। “আমরা সাধারণত মাঝারি শেড দেই, কিন্তু ছোট ঘরে দেয়াল কাছাকাছি হওয়ায় তা আরও গাঢ় লাগে। তাই হালকা রঙ বেছে নিই, যা ছোট জায়গায় গভীর রূপ নেয়,” বলেন টাটল।

ফ্যারো অ্যান্ড বলের লন্ডন ক্লে

আলোক শোষণ করেভারী নয়
ডিজাইনার সারা সোয়াব জানান, কখনো কখনো হালকা রঙ ঘরকে ম্লান আর অতিরিক্ত প্রতিফলিত করে তোলে। তাই তিনি বেছে নেন ‘লন্ডন ক্লে’—একটি মাটির গন্ধমাখা গাঢ় রঙ, যা আলো শোষণ করে গভীরতা আনলেও ঘর ভারী দেখায় না।

ফ্যারো অ্যান্ড বলের স্টুডিও গ্রিন

আলো অনুযায়ী বদলায় রঙ
এই রঙ হালকা নীলাভ বা গাঢ় সবুজ—আলোর ওপর নির্ভর করে। ছোট জায়গায় এমন রঙ ভিন্নমাত্রা এনে দেয়, যা স্থানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

বেনজামিন মুরের গিলফোর্ড গ্রিন

সহজে মিশে যায় অন্য রঙের সঙ্গে
হালকা হলেও এই রঙ অন্য রঙের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে চলে। ছোট ঘরের ফার্নিচার বা পর্দার সঙ্গে কনট্রাস্ট তৈরি করে চোখে পড়ে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

শারউইন-উইলিয়ামসের গ্রিজল গ্রে

সবুজের আভা এনে দেয় উষ্ণতা
এই ধূসর রঙে একটি সবুজ আভা আছে যা ছোট ঘরের শীতলতা দূর করে উষ্ণতা এনে দেয়। ছোট অফিস বা পড়ার ঘরের জন্য আদর্শ।

বেনজামিন মুরের মিনারেল অ্যালয়

গাঢ়কিন্তু দমবন্ধ করে না
একটি সাহসী রঙ হলেও মিনারেল অ্যালয় খুব বেশি ভারী মনে হয় না। ছোট ঘরের জন্য এটি শক্তিশালী এক স্টেটমেন্ট হতে পারে, বিশেষ করে যেখানে আলো ভালো খেলে।

ছোট ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। আপনি কি ঘরটিকে আরামদায়ক করতে চান, নাকি বড় দেখাতে চান—সেই সিদ্ধান্তই রঙ বেছে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি। ডিজাইনারদের মতে, উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে যে কোনো ঘরেই রঙের প্রভাব বিশাল হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্যালিফোর্নিয়ায় বিলিয়নিয়ার কর নিয়ে ডেমোক্র্যাটদের বিভাজন, ধনীদের দেশ ছাড়ার আশঙ্কা

কোন সাতটি রঙ বদলে দিতে পারে আপনার ছোট্ট ফ্লাটকে

১০:০০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

ছোট জায়গাবড় প্রভাব: ঘরের রঙ বদলাবে মেজাজ

ছোট ঘর মানেই সীমাবদ্ধতা—এই ধারণা এখন অতীত। ডিজাইনারদের মতে, রঙের সঠিক ব্যবহারে সবচেয়ে ছোট ঘরও হয়ে উঠতে পারে দৃষ্টিনন্দন এবং মেজাজবদলকারী এক জায়গা। ফ্রান্সের ফ্যাশন আইকন কোকো শ্যানেলের সোনালি দেয়াল ঘেরা ব্যক্তিগত সেলুন কিংবা থমাস জেফারসনের সবুজ রঙে মোড়া গবেষণাকক্ষ—এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে দেয়ালরঙ কতটা শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।

ডিজাইনার সারা সোয়াব বলেন, “ছোট ঘরগুলো আগে থেকেই সীমিত, তাই তাতে এক ধরনের গভীরতা ও কোঁকড়ানো আবেশ তৈরি করলে তা আরও আকর্ষণীয় হয়।”

তবে সব সময় গাঢ় রঙ বেছে নেওয়াটাই যে উপযুক্ত তা নয়। ডিজাইনার ক্রিস্টিন টাটল মনে করিয়ে দেন, “সব সময় ‘কালো রঙ দিন’ বলাটা যথাযথ নয়। এতে ঘর আরামদায়ক হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। ঘরের সঙ্গে রঙের সম্পর্ক বুঝতে হবে।”

ডিজাইনাররা এখন যেসব রঙকে ছোট ঘরের জন্য আদর্শ মনে করছেন, নিচে দেওয়া হলো এমন সাতটি রঙের তালিকা।

শারউইন-উইলিয়ামসের অ্যারিস্টোক্র্যাট পিচ

উষ্ণতা ও আধুনিকতার মিশেল
রোড আইল্যান্ডের ডিজাইনার অ্যালিসন হ্যামাট সম্প্রতি এক ক্লায়েন্টের সঙ্কুচিত ও নিচু ছাদের ঘরকে প্রাণবন্ত করে তোলেন এই রঙ দিয়ে। হ্যামাট জানান, “এই রঙ একদিকে উষ্ণ, আবার অন্যদিকে টাটকা অনুভূতি দেয়।” ঘরের উপরিভাগের আলো অপসারণ করে তিনি শুধু ল্যাম্প ব্যবহার করেন, যাতে আলোর কোমলতা ও রঙের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।

বেনজামিন মুরের পেইল ওক

সৌম্যতবু গভীর
ডিজাইনার টাটল ছোট ও অন্ধকার বাথরুমের জন্য বেছে নিয়েছেন পেইল ওক। “আমরা সাধারণত মাঝারি শেড দেই, কিন্তু ছোট ঘরে দেয়াল কাছাকাছি হওয়ায় তা আরও গাঢ় লাগে। তাই হালকা রঙ বেছে নিই, যা ছোট জায়গায় গভীর রূপ নেয়,” বলেন টাটল।

ফ্যারো অ্যান্ড বলের লন্ডন ক্লে

আলোক শোষণ করেভারী নয়
ডিজাইনার সারা সোয়াব জানান, কখনো কখনো হালকা রঙ ঘরকে ম্লান আর অতিরিক্ত প্রতিফলিত করে তোলে। তাই তিনি বেছে নেন ‘লন্ডন ক্লে’—একটি মাটির গন্ধমাখা গাঢ় রঙ, যা আলো শোষণ করে গভীরতা আনলেও ঘর ভারী দেখায় না।

ফ্যারো অ্যান্ড বলের স্টুডিও গ্রিন

আলো অনুযায়ী বদলায় রঙ
এই রঙ হালকা নীলাভ বা গাঢ় সবুজ—আলোর ওপর নির্ভর করে। ছোট জায়গায় এমন রঙ ভিন্নমাত্রা এনে দেয়, যা স্থানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

বেনজামিন মুরের গিলফোর্ড গ্রিন

সহজে মিশে যায় অন্য রঙের সঙ্গে
হালকা হলেও এই রঙ অন্য রঙের সঙ্গে চমৎকারভাবে মানিয়ে চলে। ছোট ঘরের ফার্নিচার বা পর্দার সঙ্গে কনট্রাস্ট তৈরি করে চোখে পড়ে এমন পরিবেশ সৃষ্টি করে।

শারউইন-উইলিয়ামসের গ্রিজল গ্রে

সবুজের আভা এনে দেয় উষ্ণতা
এই ধূসর রঙে একটি সবুজ আভা আছে যা ছোট ঘরের শীতলতা দূর করে উষ্ণতা এনে দেয়। ছোট অফিস বা পড়ার ঘরের জন্য আদর্শ।

বেনজামিন মুরের মিনারেল অ্যালয়

গাঢ়কিন্তু দমবন্ধ করে না
একটি সাহসী রঙ হলেও মিনারেল অ্যালয় খুব বেশি ভারী মনে হয় না। ছোট ঘরের জন্য এটি শক্তিশালী এক স্টেটমেন্ট হতে পারে, বিশেষ করে যেখানে আলো ভালো খেলে।

ছোট ঘর সাজানোর ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। আপনি কি ঘরটিকে আরামদায়ক করতে চান, নাকি বড় দেখাতে চান—সেই সিদ্ধান্তই রঙ বেছে নেওয়ার মূল চাবিকাঠি। ডিজাইনারদের মতে, উদ্দেশ্য ঠিক থাকলে যে কোনো ঘরেই রঙের প্রভাব বিশাল হতে পারে।