০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই অ্যানজ্যাক ডেতে একাই হাজির কেট মিডলটন, নজর কাড়ল বিরল রাজকীয় গয়নার গল্প

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৫)

কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা ইস্পাহানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি ১৯৪৮ সালে ৩৫ বিঘার এই বাগানবাড়িটি জিতেন্দ্র কুমারের কাছ থেকে কিনে নেন।

ইব্রাহীম খান

আট বছর (১৬১৬-১৬২৪) বাংলার সুবাদার ছিলেন ইব্রাহীম খান ফতেজং। সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় তিনি এই নিয়োগ পান। সম্পর্কে ছিলেন সম্রাটের শ্যালক। যুদ্ধে যুদ্ধেই তাঁকে অনেকটা সময় কাটাতে হয়েছে। ত্রিপুরা জয় করেছিলেন।

মগদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদের বিতাড়িত করেছিলেন। যুবরাজ খুররম বা পরবর্তীকালের সম্রাট শাহজাহানের সঙ্গে এক সংঘর্ষে রাজমহলে নিহত হন। ঢাকার ইব্রাহিমপুর তাঁর নামের স্মৃতি বহন করছে।

ইস্পাহানি কলোনি

প্রায় আশি বছর ধরে ইস্পাহানি কলোনি বা আবাসিক এলাকাটি ঢাকার বৈশিষ্ট্যময় এলাকা হিসেবে পরিচিত।

ইস্পাহানি কলোনি

মগবাজারের মোড় ও পদ্মা রাষ্ট্রীয় ভবনের মাঝে অবস্থান ইস্পাহানি কলোনি। আগে ছিল এটি ঢাকার একজন জমিদার জিতেন্দ্র কুমার দাস-এর সম্পত্তি। তখন এই এলাকার নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট। তবে মনে হয়, কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা ইস্পাহানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি ১৯৪৮ সালে ৩৫ বিঘার এই বাগানবাড়িটি জিতেন্দ্র কুমারের কাছ থেকে কিনে নেন।

এবং এখানে জিতেন্দ্র কুমারের বাড়িটিতেই  বসবাস শুরু করেন। পরে এখানে তাঁর অফিস কর্মচারীদের জন্য ছোট ছোট বাড়ি করা হয়। ফুলে ফলে ঘেরা এই আবাসিক এলাকা তখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে। স্বাধীনতার শুরুতে কর্মচারীদের অনেকে অবাঙালি হওয়ায় তারা চলে যায়। সদ্য গঠিত বাংলাদেশ সরকারের সচিব পর্যায়ের অনেকে এখানে বাড়ি ভাড়া নেন।

ফলে বলা যেতে পারে এটি ‘আভিজাত্য’ লাভ করে। ইস্পাহানি গ্রুপের চেয়ারম্যান সবসময় এ কলোনিতেই বাস করতেন। সম্প্রতি এই কলোনির পুরনো বাড়ি সব ভেঙে বহুতল বিশিষ্ট ফ্ল্যাট বাড়ি করা হয়েছে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৪)

ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৫)

০৭:০০:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা ইস্পাহানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি ১৯৪৮ সালে ৩৫ বিঘার এই বাগানবাড়িটি জিতেন্দ্র কুমারের কাছ থেকে কিনে নেন।

ইব্রাহীম খান

আট বছর (১৬১৬-১৬২৪) বাংলার সুবাদার ছিলেন ইব্রাহীম খান ফতেজং। সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময় তিনি এই নিয়োগ পান। সম্পর্কে ছিলেন সম্রাটের শ্যালক। যুদ্ধে যুদ্ধেই তাঁকে অনেকটা সময় কাটাতে হয়েছে। ত্রিপুরা জয় করেছিলেন।

মগদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদের বিতাড়িত করেছিলেন। যুবরাজ খুররম বা পরবর্তীকালের সম্রাট শাহজাহানের সঙ্গে এক সংঘর্ষে রাজমহলে নিহত হন। ঢাকার ইব্রাহিমপুর তাঁর নামের স্মৃতি বহন করছে।

ইস্পাহানি কলোনি

প্রায় আশি বছর ধরে ইস্পাহানি কলোনি বা আবাসিক এলাকাটি ঢাকার বৈশিষ্ট্যময় এলাকা হিসেবে পরিচিত।

ইস্পাহানি কলোনি

মগবাজারের মোড় ও পদ্মা রাষ্ট্রীয় ভবনের মাঝে অবস্থান ইস্পাহানি কলোনি। আগে ছিল এটি ঢাকার একজন জমিদার জিতেন্দ্র কুমার দাস-এর সম্পত্তি। তখন এই এলাকার নাম ছিল ফ্রি স্কুল স্ট্রিট। তবে মনে হয়, কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা ইস্পাহানি গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি ১৯৪৮ সালে ৩৫ বিঘার এই বাগানবাড়িটি জিতেন্দ্র কুমারের কাছ থেকে কিনে নেন।

এবং এখানে জিতেন্দ্র কুমারের বাড়িটিতেই  বসবাস শুরু করেন। পরে এখানে তাঁর অফিস কর্মচারীদের জন্য ছোট ছোট বাড়ি করা হয়। ফুলে ফলে ঘেরা এই আবাসিক এলাকা তখন বৈশিষ্ট্যময় হয়ে ওঠে। স্বাধীনতার শুরুতে কর্মচারীদের অনেকে অবাঙালি হওয়ায় তারা চলে যায়। সদ্য গঠিত বাংলাদেশ সরকারের সচিব পর্যায়ের অনেকে এখানে বাড়ি ভাড়া নেন।

ফলে বলা যেতে পারে এটি ‘আভিজাত্য’ লাভ করে। ইস্পাহানি গ্রুপের চেয়ারম্যান সবসময় এ কলোনিতেই বাস করতেন। সম্প্রতি এই কলোনির পুরনো বাড়ি সব ভেঙে বহুতল বিশিষ্ট ফ্ল্যাট বাড়ি করা হয়েছে।

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৪)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ২৪)