০৩:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন, আটকে থাকা আরও অনেকের মুক্তির অপেক্ষা আশুলিয়ায় দুটি গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ, ৪,০০০ শ্রমিক কর্মহীন ইরান যুদ্ধে আমিরাতের হিসাব: ১২ নিহত, ১৯০ আহত, আটকানো হয়েছে ২ হাজারেরও বেশি ড্রোন পোপ ইরান যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানালেন, ট্রাম্পকে সরাসরি বার্তা সংবিধান সংস্কার কাউন্সিল নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক: বিএনপি বলছে সংবিধানে নেই, জামায়াত বলছে জনরায় মানতে হবে ইসরায়েলের পারমাণবিক স্থাপনার কাছে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, ১৮০ জনের বেশি আহত ইরান যুদ্ধের আঁচে বিশ্বজুড়ে সার ও জ্বালানির দাম লাফিয়ে বাড়ছে, বাংলাদেশও ঝুঁকিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বেসরকারি বিনিয়োগ: ওপেনএআইয়ের মূল্যায়ন দাঁড়াল ৮৫২ বিলিয়ন ডলারে মালদ্বীপে প্রবাসী শ্রমিকদের আবাসনে আগুন: পাঁচ বাংলাদেশি নিহত, দুইজন গুরুতর আহত ইরানের পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের, যুদ্ধাপরাধের সতর্কবার্তা দিলেন বিশেষজ্ঞরা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৪)

অচল সিকি

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়া থেকে ১৭৫ বাংলাদেশি দেশে ফিরলেন, আটকে থাকা আরও অনেকের মুক্তির অপেক্ষা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৩৪)

১২:০০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

অচল সিকি

‘জন্মোছো কসাই হয়ে-‘

‘গরু-ছাগলের সঙ্গে সম্পর্ক।’

‘দ্যাখো, মুখ সামলে কথা বোলো!’

‘কেন, মারবে নাকি?’

‘শুধু বাজে কথা, শুধু বাজে কথা! আমাকে তো এখনো চেনোনি, আমি সব পারি-‘

‘তা পারো।’

‘তা পারো, মানে?’

‘জঘন্য কথা আমার ঠোঁটে আসে না রানী?’

‘মাগো!’

‘আমি ভদ্রঘরের সন্তান, অর্থাৎ এনামুল সৈয়দ, অর্থাৎ-‘

‘অর্থাৎ- ফর্থাৎ বুঝি না, সন্দেহ আছে তোমার সৈয়দে! সন্দেহ আছে বলেই শেষে লেখো। এরকম লোকের ঘর করা শক্ত, অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাবারে বাবা, ঢাকায় ফিরেই আমি ডাইভোর্স নেবো।’

‘তবু ভালো, নেবে-‘

‘দেবো!’

‘চেষ্টা করে দেখলে খুশি হবো!’

‘বেশ, খুশি হয়ো!’

এনামুল এবার ওর একটা হাত ধরলো, বুঝলো বেশি হয়ে যাচ্ছে; স্ত্রীলোকের মেজাজ, এর চেয়ে কাচের পিরিচ নিয়ে খেলা অনেক সুবিধের, অনেক কম ভয়ের। বললে, ‘সত্যি বলছি, রাগলে অদ্ভুত লাগে তোমাকে। মুখের চেহারা ভোজবাজির মতো পাল্টে গেছে! আহা এই রঙ যদি সবসময় থাকতো।’