১০:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমান ইরান ২০১৫ সালের চেয়ে ভিন্ন—এখন আইআরজিসির প্রভাব আরও বেশি ফতেহ-২ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ, সক্ষমতা আরও জোরালো করল পাকিস্তান সেনাবাহিনী বৃষ্টিতে ডুবল চট্টগ্রাম, বুকসমান পানিতে অচল সড়ক—দুর্ভোগে নগরবাসী যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ঊর্ধ্বমুখী, ২০২৬ সালে বাড়তে পারে ১৬% চট্টগ্রামে চার সামাজিক সংগঠনের হাতে ৫ লাখ ৪০ হাজার টাকার অনুদান, তৃণমূলে উন্নয়নে জোর নেগেরি সেম্বিলানে ক্ষমতার টানাপোড়েন, আনোয়ার জোটে নতুন সংকট ‘দেশে জঙ্গি নেই’—এই বক্তব্য ভুল, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে: তথ্য উপদেষ্টা খালি পেটে ৪ ঘরোয়া পানীয়, ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহজ অভ্যাস স্বামীর ছুরিকাঘাতে সিলেটে গৃহবধূ নিহত, অভিযুক্ত পলাতক ২০২৬ সালের সেরা বইগুলো: ‘কিন’, ‘লন্ডন ফলিং’সহ আরও কিছু আলোচিত বই

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪২)

ফেরিওলারা ফেরি করে জামদানী বিক্রি শুরু করে [মসলিন জামদানী নয়, উৎকৃষ্ট সুতার।

জামদানী

এখন বাংলাদেশের অনেক জায়গায়-ই জামদানী তৈরি হয় এবং বলা যেতে পারে তা ঢাকার অন্যতম পরিচিত পণ্য। হাকিম হাবিবুর লিখেছেন, নকশা করা বা ফুলদার মসলিন হলো জামদানী। এক থান ছিল ২০ হাত ও প্রন্থে ২০ গিরা। শায়েস্তা খানের আমল থেকে জামদানী প্রস্তুত হতে থাকে।

জামদানী শাড়ি

১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত সাদা জামদানী তৈরি হতো। “শাড়ীর পাড়ে কালো সাদা রঙের কাজ সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর হতো ও জমিন সাদা থাকত। এবং এটাই ছিল প্রকৃত নমুনা।” তাঁর সময়েই, ধরা যেতে পারে বিশ শতকের শুরু থেকে ডেমরা জামদানী তৈরির কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং ফেরিওলারা ফেরি করে জামদানী বিক্রি শুরু করে [মসলিন জামদানী নয়, উৎকৃষ্ট সুতার।

রঙিন জামদানীর প্রবর্তন করেন নওয়াব সলিমুল্লাহর স্ত্রী জান্নাত আরা। লিখেছেন হাকিম, “গত শতকের ত্রিশ চল্লিশ দশকে রঙিন ও জরির তারের জামদানী তৈরি হতে লাগল বরং এক তার রেশম ও এক তার সুতা মিশিয়ে যে জামদানী থান এবং শাড়ীসমূহ তৈরি হলো তা অনেক জনপ্রিয় হল।

রুপগঞ্জে জামদানীর হাট

কিন্তু এ সমস্ত নওয়াব জান্নাত আরা বেগম সলিমুল্লাহ মরহুমের রুচি অনুযায়ী ছিল যা তাঁরাই বিভিন্ন রঙের জমিনের উপর বিভিন্ন রঙের বুটা নিজের নকশা ও নমুনা অনুযায়ী তৈরি করালেন এবং সবচেয়ে প্রথম তারাই রঙিন জামদানীর ব্যবহার আরম্ভ করলেন। ”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪১)

 

 

বর্তমান ইরান ২০১৫ সালের চেয়ে ভিন্ন—এখন আইআরজিসির প্রভাব আরও বেশি

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪২)

০৭:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

ফেরিওলারা ফেরি করে জামদানী বিক্রি শুরু করে [মসলিন জামদানী নয়, উৎকৃষ্ট সুতার।

জামদানী

এখন বাংলাদেশের অনেক জায়গায়-ই জামদানী তৈরি হয় এবং বলা যেতে পারে তা ঢাকার অন্যতম পরিচিত পণ্য। হাকিম হাবিবুর লিখেছেন, নকশা করা বা ফুলদার মসলিন হলো জামদানী। এক থান ছিল ২০ হাত ও প্রন্থে ২০ গিরা। শায়েস্তা খানের আমল থেকে জামদানী প্রস্তুত হতে থাকে।

জামদানী শাড়ি

১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত সাদা জামদানী তৈরি হতো। “শাড়ীর পাড়ে কালো সাদা রঙের কাজ সূক্ষ্ম থেকে সূক্ষ্মতর হতো ও জমিন সাদা থাকত। এবং এটাই ছিল প্রকৃত নমুনা।” তাঁর সময়েই, ধরা যেতে পারে বিশ শতকের শুরু থেকে ডেমরা জামদানী তৈরির কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং ফেরিওলারা ফেরি করে জামদানী বিক্রি শুরু করে [মসলিন জামদানী নয়, উৎকৃষ্ট সুতার।

রঙিন জামদানীর প্রবর্তন করেন নওয়াব সলিমুল্লাহর স্ত্রী জান্নাত আরা। লিখেছেন হাকিম, “গত শতকের ত্রিশ চল্লিশ দশকে রঙিন ও জরির তারের জামদানী তৈরি হতে লাগল বরং এক তার রেশম ও এক তার সুতা মিশিয়ে যে জামদানী থান এবং শাড়ীসমূহ তৈরি হলো তা অনেক জনপ্রিয় হল।

রুপগঞ্জে জামদানীর হাট

কিন্তু এ সমস্ত নওয়াব জান্নাত আরা বেগম সলিমুল্লাহ মরহুমের রুচি অনুযায়ী ছিল যা তাঁরাই বিভিন্ন রঙের জমিনের উপর বিভিন্ন রঙের বুটা নিজের নকশা ও নমুনা অনুযায়ী তৈরি করালেন এবং সবচেয়ে প্রথম তারাই রঙিন জামদানীর ব্যবহার আরম্ভ করলেন। ”

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪১)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি- ৪১)