১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
এআই নির্ভরতার দ্বন্দ্ব: প্রযুক্তি ব্যবহারে চিকিৎসকদের দক্ষতা কি কমছে? ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালী ভাবনা: কৌশল ছেড়ে লেনদেনের পথে আমেরিকার ঝোঁক মুসোলিনির ব্ল্যাকশার্টস: উত্থান, যুদ্ধ এবং ধ্বংসের পূর্ণ ইতিহাস অর্থনীতির সংকটের মোড়ে বাজেট ২০২৬: প্রতিশ্রুতি বড়, বাস্তবতা আরও কঠিন আমেরিকার দাবি: নিজের পাতা মাইনই সরাতে পারছে না ইরান, হরমুজ প্রণালীতে জট ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি অবিশ্বাস, আলোচনা নিয়ে সতর্ক বার্তা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নির্মম মূল্য: ব্রিটেনের বেসামরিক জীবনের করুণ ইতিহাস ইরানে বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় নতুন প্রমাণে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের ইঙ্গিত ইরান যুদ্ধ: শান্তি আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধি দল, অনিশ্চিত যুদ্ধবিরতি বিশ্বজুড়ে সম্পদের বৈষম্য বাড়ছে, প্রতিশ্রুতি থাকলেও বাস্তবায়নে বড় ঘাটতি: জাতিসংঘের প্রতিবেদন

হিন্দুস্থান টাইমস এর সম্পাদকীয়: ঢাকার প্রদর্শনী-মামলা রাজনীতির সীমাবদ্ধতা

  • Sarakhon Report
  • ০৪:৩০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • 263

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে নিরপেক্ষ বলা যায় না, বিশেষত যখন দেশটি জাতীয় নির্বাচনের পথে এগোচ্ছে।

প্রায় তিন মাস আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি শুরু করেছে। গত বছর তাঁর শাসনবিরোধী বিক্ষোভ দমনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। অনেকের চোখে এটি আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার আরেকটি প্রচেষ্টা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে দলটির অবদান মুছে ফেলার কৌশল। শেখ হাসিনার প্রশাসনে কখনও কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা দেখা গেলেও, শুধুমাত্র একজন নেতাকে মাত্রাতিরিক্ত লক্ষ্যবস্তু করলে বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করা কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো আড়ালেই থেকে যায়।

মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে যখন দেখা যায় বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ইউনুসের সাবেক ছাত্রসংগঠনের সদস্যরা তাদের নতুন রাজনৈতিক দলকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। কোনো একটি দলের নেতার অনুপস্থিতিতেই যদি বিচার চলতে থাকে, তাতে সেই দলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার যৌক্তিকতা নেই। অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা ছাড়া শক্ত গণতান্ত্রিক সংস্কার বা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি—এর কোনো লক্ষণই স্পষ্ট নয়। ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে আশা করা যায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যখন নতুন করে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন শেখ হাসিনার বিচার যেন ভারত-বিরোধী প্রচারণায় রূপ না নেয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই নির্ভরতার দ্বন্দ্ব: প্রযুক্তি ব্যবহারে চিকিৎসকদের দক্ষতা কি কমছে?

হিন্দুস্থান টাইমস এর সম্পাদকীয়: ঢাকার প্রদর্শনী-মামলা রাজনীতির সীমাবদ্ধতা

০৪:৩০:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে নিরপেক্ষ বলা যায় না, বিশেষত যখন দেশটি জাতীয় নির্বাচনের পথে এগোচ্ছে।

প্রায় তিন মাস আগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আওতায় আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার শুনানি শুরু করেছে। গত বছর তাঁর শাসনবিরোধী বিক্ষোভ দমনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই অভিযোগ আনা হয়েছে। অনেকের চোখে এটি আওয়ামী লীগকে ক্ষতি করার আরেকটি প্রচেষ্টা এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস থেকে দলটির অবদান মুছে ফেলার কৌশল। শেখ হাসিনার প্রশাসনে কখনও কর্তৃত্ববাদী প্রবণতা দেখা গেলেও, শুধুমাত্র একজন নেতাকে মাত্রাতিরিক্ত লক্ষ্যবস্তু করলে বাংলাদেশের রাজনীতিকে প্রভাবিত করা কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো আড়ালেই থেকে যায়।

মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আরও প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে ওঠে যখন দেখা যায় বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচনের দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং ইউনুসের সাবেক ছাত্রসংগঠনের সদস্যরা তাদের নতুন রাজনৈতিক দলকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। কোনো একটি দলের নেতার অনুপস্থিতিতেই যদি বিচার চলতে থাকে, তাতে সেই দলের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার যৌক্তিকতা নেই। অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি স্থিতিশীল করা ছাড়া শক্ত গণতান্ত্রিক সংস্কার বা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রস্তুতি—এর কোনো লক্ষণই স্পষ্ট নয়। ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে আশা করা যায়, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যখন নতুন করে টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন শেখ হাসিনার বিচার যেন ভারত-বিরোধী প্রচারণায় রূপ না নেয়।