০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬
শুধু দ্রুত প্রবৃদ্ধি নয়, ব্রিটেনের নতুন উদ্যোক্তারা আসলে সমাজের নতুন চাহিদার প্রতিচ্ছবি যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের প্রশিক্ষণে তরুণদের চুক্তি আলোচনার দক্ষতা উন্নয়ন  ৭ জুন নিজস্ব সম্পদ রক্ষার স্মারক ও পথ হিসেবে সকলেরই পালন জরুরি  কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চিপ উন্মাদনা: স্থায়ী শিল্পবিপ্লব নাকি আরেকটি বাজার-ভ্রম? মতিঝিলে গুলি করে ১৭ লাখ টাকা ছিনতাই, সিসিটিভি ফুটেজে খোঁজ চলছে দুর্বৃত্তদের গ্রামে ১০-১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না, সংসদে অভিযোগ রুমিন ফারহানার নতুন ৯ম পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়ন, বেতন-ভাতায় বড় সুবিধা পাবেন চাকরিজীবী ও পেনশনভোগীরা শূন্যরেখায় ৪০ ঘণ্টা আটকা ১১ জন, অনিশ্চয়তায় নারী-শিশুসহ পুশইনের শিকার পরিবার লেবাননে ড্রোন হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ সাতক্ষীরায়, শোকে স্তব্ধ দুই পরিবার ময়মনসিংহে বেইলি সেতু ধসে বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ, নদীতে পড়ল বালুবাহী ট্রাক

বাজারে সবজির দাম বেড়ে চরম ভোগান্তি

সাধারণ মানুষের কষ্ট

নারায়ণগঞ্জের বাজারে সবজির দাম এতটাই বেড়েছে যে শ্রমজীবী ও কম আয়ের মানুষ বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, গত এক সপ্তাহে কিছু সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। কিন্তু ক্রেতারা মনে করছেন, দাম এখনো তাদের আয় অনুযায়ী অনেক বেশি। শুক্রবার সকালে দিগু বাবুর বাজার, কালিবাজার ও মাসদাইর বাজার ঘুরে এ অবস্থা দেখা গেছে।

সবজির দাম

বাজারে দেখা যায়, টমেটো ১৬০–১৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা, সিম ৩০০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, লাল শাক ৬০ টাকা এবং পুঁইশাক ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগে যেসব সবজি সস্তায় পাওয়া যেত, সেগুলোর দামও বেড়েছে। পেঁপে এখন ৪০ টাকা আর শসা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মতামত

পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্ষাকালে উৎপাদন কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। তবে এখন বাজার স্থিতিশীল।”

কিন্তু ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। মোতালেব নামের এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, “শুধু কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। অন্য সবকিছুর দাম আগের মতোই বেশি। আমাদের আয় দিয়ে এ বাজার মেলানো যায় না।”

মাছ-মাংসের দামও বেশি

সবজির মতো মাছ-মাংসের দামও বেশি।

তেলাপিয়া মাছ ২২০–২৫০ টাকা
পাঙ্গাস মাছ ২০০ টাকা
রুই মাছ ৩৫০–৪০০ টাকা
কাতলা মাছ ৪০০–৪৫০ টাকা
চিংড়ি মাছ ৬০০–৮০০ টাকা
ব্রয়লার মুরগি ২০০–২২০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০–৮০০ টাকা আর খাসির মাংস ১,২০০–১,৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দামও বেড়েছে

গত এক সপ্তাহে প্রতি হালি ডিমের দাম ১০–১২ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০–৫২ টাকায়।

সারসংক্ষেপ

সবজি, মাছ, মাংস আর ডিম—সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের জীবন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। দাম কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের জন্য তাতে কোনো স্বস্তি নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু দ্রুত প্রবৃদ্ধি নয়, ব্রিটেনের নতুন উদ্যোক্তারা আসলে সমাজের নতুন চাহিদার প্রতিচ্ছবি

বাজারে সবজির দাম বেড়ে চরম ভোগান্তি

০৫:১১:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

সাধারণ মানুষের কষ্ট

নারায়ণগঞ্জের বাজারে সবজির দাম এতটাই বেড়েছে যে শ্রমজীবী ও কম আয়ের মানুষ বাজার করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। বিক্রেতারা বলছেন, গত এক সপ্তাহে কিছু সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে। কিন্তু ক্রেতারা মনে করছেন, দাম এখনো তাদের আয় অনুযায়ী অনেক বেশি। শুক্রবার সকালে দিগু বাবুর বাজার, কালিবাজার ও মাসদাইর বাজার ঘুরে এ অবস্থা দেখা গেছে।

সবজির দাম

বাজারে দেখা যায়, টমেটো ১৬০–১৮০ টাকা, কাঁচামরিচ ২৮০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ধনেপাতা ৩০০ টাকা, সিম ৩০০ টাকা, পটল ৭০ টাকা, লাল শাক ৬০ টাকা এবং পুঁইশাক ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আগে যেসব সবজি সস্তায় পাওয়া যেত, সেগুলোর দামও বেড়েছে। পেঁপে এখন ৪০ টাকা আর শসা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতা ও ক্রেতাদের মতামত

পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুল মান্নান বলেন, “গত সপ্তাহের তুলনায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্ষাকালে উৎপাদন কম থাকায় দাম বেড়ে যায়। তবে এখন বাজার স্থিতিশীল।”

কিন্তু ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। মোতালেব নামের এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, “শুধু কাঁচামরিচের দাম কিছুটা কমেছে। অন্য সবকিছুর দাম আগের মতোই বেশি। আমাদের আয় দিয়ে এ বাজার মেলানো যায় না।”

মাছ-মাংসের দামও বেশি

সবজির মতো মাছ-মাংসের দামও বেশি।

তেলাপিয়া মাছ ২২০–২৫০ টাকা
পাঙ্গাস মাছ ২০০ টাকা
রুই মাছ ৩৫০–৪০০ টাকা
কাতলা মাছ ৪০০–৪৫০ টাকা
চিংড়ি মাছ ৬০০–৮০০ টাকা
ব্রয়লার মুরগি ২০০–২২০ টাকা, গরুর মাংস ৭৫০–৮০০ টাকা আর খাসির মাংস ১,২০০–১,৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের দামও বেড়েছে

গত এক সপ্তাহে প্রতি হালি ডিমের দাম ১০–১২ টাকা বেড়ে এখন বিক্রি হচ্ছে ৫০–৫২ টাকায়।

সারসংক্ষেপ

সবজি, মাছ, মাংস আর ডিম—সব কিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় নারায়ণগঞ্জের সাধারণ মানুষের জীবন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। দাম কিছুটা কমলেও সাধারণ মানুষের জন্য তাতে কোনো স্বস্তি নেই।