০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে? নিয়ন্ত্রণের সীমা: ইরান যুদ্ধ কেন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত সতর্কবার্তা নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু বিশ্বব্যাংকের প্রকল্পে ‘চাঁদা’ বিতর্ক: মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি, ছুঁইছুঁই সর্বকালের রেকর্ড কুমিল্লায় দুই বাসের সংঘর্ষে নিহত সুপারভাইজার, চালকরা পালিয়েছেন নন্দিনী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবি, ফলিমারী গ্রামের আতঙ্ক দূরের আহ্বান রাজশাহী মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে চুরির সন্দেহে পিটিয়ে যুবক হত্যা, আটক ৩ হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, দেশে মোট মৃত্যু ৬৭০ ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় জ্বালানি সংকট, পর্যটন মৌসুমে বড় ধাক্কা

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৮)

বুলু ও চড়ুই
তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা। ঘরের মাঝখানে ঠায় দাঁড়িয়ে উদ্‌ভ্রান্ত চোখে কি যেন খুঁজতে লাগলেন। সামনের একটাও দাঁত ছিলো না তাঁর। সারা মাথায় ঘা। ‘তোমরা সবাই ভালো আছো তো-‘ এই বলে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন। তাঁর হুঁশ ছিলো না তখন। পরে বোঝা গিয়েছিল।
বাড়ি বদল হলো আবার। এবার লালবাগে।
লালবাগের কথা মনে উঠলেই বুলুর চোখের সামনে সবকিছু আঁধার হয়ে যায়, যেমন এই এখন, এই মুহূর্তে; বিকেলের নরোম সোনালি রোদ বিনুনির
ডগার রিবনের মতো খসে যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে ধুলোয়, পায়ের তলায়, খসে
যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে-
লালবাগ, লালবাগ-
লালবাগ, লালবাগ-
বুলুর কানে তালা লেগে যায়।
একটা নাম ঢোলের শব্দ হয়ে যায়, একটা নাম কামানের গোলাফাটা শব্দ হয়ে যায়; একদিন নিশুতি রাতে রাজপুত্তুর বর তাকে এই লালবাগ থেকেই উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।
জনপ্রিয় সংবাদ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদৃশ্য মূল্য: পূর্ব এশিয়ার মানুষ কি প্রযুক্তি বিপ্লবের স্বাস্থ্যখরচ বহন করছে?

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৮)

১২:০০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
বুলু ও চড়ুই
তিন সপ্তাহ পরে তিনি যখন ফিরে এলেন তখন আর তাঁকে চেনা যায় না। পাগলের মতো লণ্ডভণ্ড চেহারা। ঘরের মাঝখানে ঠায় দাঁড়িয়ে উদ্‌ভ্রান্ত চোখে কি যেন খুঁজতে লাগলেন। সামনের একটাও দাঁত ছিলো না তাঁর। সারা মাথায় ঘা। ‘তোমরা সবাই ভালো আছো তো-‘ এই বলে মেঝের ওপর পড়ে গেলেন। তাঁর হুঁশ ছিলো না তখন। পরে বোঝা গিয়েছিল।
বাড়ি বদল হলো আবার। এবার লালবাগে।
লালবাগের কথা মনে উঠলেই বুলুর চোখের সামনে সবকিছু আঁধার হয়ে যায়, যেমন এই এখন, এই মুহূর্তে; বিকেলের নরোম সোনালি রোদ বিনুনির
ডগার রিবনের মতো খসে যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে ধুলোয়, পায়ের তলায়, খসে
যাচ্ছে, খসে যাচ্ছে-
লালবাগ, লালবাগ-
লালবাগ, লালবাগ-
বুলুর কানে তালা লেগে যায়।
একটা নাম ঢোলের শব্দ হয়ে যায়, একটা নাম কামানের গোলাফাটা শব্দ হয়ে যায়; একদিন নিশুতি রাতে রাজপুত্তুর বর তাকে এই লালবাগ থেকেই উঠিয়ে নিয়ে গিয়েছিলো।