০৭:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
আইএমএফ সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধের ছায়ায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.১ শতাংশে, বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে পোপ লিও বললেন “কয়েকজন স্বৈরাচার বিশ্বকে ধ্বংস করছে” — ট্রাম্পের সঙ্গে আমেরিকান পোপের সংঘাত তীব্র রাশিয়া ইউক্রেনে ২০২৬ সালের ভয়াবহতম হামলা চালাল — ১৮ জন নিহত, নিহতদের মধ্যে ১২ বছরের শিশু ট্রাম্প বললেন “ইরান সবকিছুতে রাজি হয়েছে” — পারমাণবিক অস্ত্র থেকে হরমুজ, সব দাবি মেনেছে তেহরান? ইসরায়েল-লেবানন ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর, হিজবুল্লাহ হামলা বন্ধ করেছে — বাড়ি ফিরছেন বাস্তুচ্যুতরা হরমুজ প্রণালী “সম্পূর্ণ উন্মুক্ত” ঘোষণা ইরানের, তেলের দাম পড়ল ১১% — বিশ্ব শেয়ারবাজারে রেকর্ড উচ্চতা গঙ্গার পানিচুক্তি নবায়ন: বাংলাদেশের পানি নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ হবে এই আলোচনাতেই মব সহিংসতায় কাবু বাংলাদেশ: ২০২৬-এর মাত্র তিন মাসেই ৪৯ প্রাণ গেছে ৮৮টি হামলায় শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, ভারত নীরব — সম্পর্কোন্নয়নে “সতর্ক আশাবাদী” ঢাকা রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: এখনো অসম্পূর্ণ বিচার, স্মৃতি যেন এখন “অস্বস্তি”

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৯)

বুলু ও চড়ুই
‘বুলুমণি, বুলুপা, আপামণি-
বোঝা যায় উঠে আসছে। বুলু বিব্রত বোধ করে। হুড়মুড় করে ঘরে ঢোকে আনু, ‘দেখে যাও, দেখে যাও!’
শেষে টানা হ্যাঁচড়া শুরু করে।
অগত্যা উঠতে হয় বুলুকে।
‘এই দ্যাখো মেঝের ওপর পড়ে থাকা খড়কুটো আর চড়ুইপাখির একটি শাবকের দিকে সে আঙুল দেখায়।
বুলুর মাথায় কিছু ঢোকে না, কি এমন একটা ব্যাপার যার জন্যে হুমড়ি খেয়ে পড়তে হবে।
‘বাসা থেকে বাচ্চাটি পড়ে গিয়েছিলো, কি জানি কি করে। যতোবার তুলে দিই ততোবারই ওরা ঠুকরে ঠুকরে ওকে নিচে ফেলে দিচ্ছে, অবাক কাণ্ড না?’
বুলু বললে, ‘ওরা তো তোদের মতো মানুষ নয়।’
‘তার মানে? তোর কথার কোনো মাথামুণ্ডু বুঝিনা-‘
‘মানুষ বড় ভালো,’ বুলু বললে, তার চোখ তখন ভেজা ভেজা। বললে,
‘মানুষ বড় সুন্দর!’
‘বোঝো এখন!’ আনু ভড়কে গিয়ে বললে, ‘তুইনা-নাহ্, তুই একটা কুট-কচালে টাইপের ছেমড়ি! স্রেফ জিলিপির প্যাঁচ মারা তোর বদহ্যাবিট; মাঝে মাঝে এমন সব কথা বলিস যার কোনো মাথামুণ্ডু নেই, দুৎ!
জনপ্রিয় সংবাদ

আইএমএফ সতর্কবার্তা: ইরান যুদ্ধের ছায়ায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি নামবে ৩.১ শতাংশে, বাংলাদেশ সবচেয়ে ঝুঁকিতে

প্রতিদিন একটি রুমাল (পর্ব-৫৯)

১২:০০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
বুলু ও চড়ুই
‘বুলুমণি, বুলুপা, আপামণি-
বোঝা যায় উঠে আসছে। বুলু বিব্রত বোধ করে। হুড়মুড় করে ঘরে ঢোকে আনু, ‘দেখে যাও, দেখে যাও!’
শেষে টানা হ্যাঁচড়া শুরু করে।
অগত্যা উঠতে হয় বুলুকে।
‘এই দ্যাখো মেঝের ওপর পড়ে থাকা খড়কুটো আর চড়ুইপাখির একটি শাবকের দিকে সে আঙুল দেখায়।
বুলুর মাথায় কিছু ঢোকে না, কি এমন একটা ব্যাপার যার জন্যে হুমড়ি খেয়ে পড়তে হবে।
‘বাসা থেকে বাচ্চাটি পড়ে গিয়েছিলো, কি জানি কি করে। যতোবার তুলে দিই ততোবারই ওরা ঠুকরে ঠুকরে ওকে নিচে ফেলে দিচ্ছে, অবাক কাণ্ড না?’
বুলু বললে, ‘ওরা তো তোদের মতো মানুষ নয়।’
‘তার মানে? তোর কথার কোনো মাথামুণ্ডু বুঝিনা-‘
‘মানুষ বড় ভালো,’ বুলু বললে, তার চোখ তখন ভেজা ভেজা। বললে,
‘মানুষ বড় সুন্দর!’
‘বোঝো এখন!’ আনু ভড়কে গিয়ে বললে, ‘তুইনা-নাহ্, তুই একটা কুট-কচালে টাইপের ছেমড়ি! স্রেফ জিলিপির প্যাঁচ মারা তোর বদহ্যাবিট; মাঝে মাঝে এমন সব কথা বলিস যার কোনো মাথামুণ্ডু নেই, দুৎ!