০৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শার্শায় বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১১০ জন প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, এজলাস ছাড়লেন পুরো আপিল বিভাগ ধ্বংসস্তূপের নিচে ৯ দিন, তারপর অলৌকিক উদ্ধার—নেপালের বন্যায় দুই শ্রমিকের বেঁচে থাকার গল্প যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে মুসলিম ইস্যু, বাড়ছে ইসলামবিদ্বেষী রাজনীতি ৯/১১-এর ২৫ বছর পর বিদেশি হামলার চেয়ে নিজ দেশের উগ্রপন্থীদের ভয় বেশি মার্কিনদের ডনবাসে রাশিয়ার অগ্রযাত্রা, ইউক্রেনের নতুন সামরিক নেতৃত্বের বড় পরীক্ষা কারাগারে বসেই আইনজীবী হওয়ার স্বপ্ন, এবার বার পরীক্ষার কঠিন চ্যালেঞ্জ কানাডার পাল্টা শুল্কে নতুন উত্তেজনা, থমকে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা ট্রাম্পের কড়া বার্তা: যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিক্রি করতে হলে আমেরিকাতেই উৎপাদন করতে হবে বোম্বার্ডিয়ারকে সরবরাহ সংকটের পরও কেন ১০০ ডলার ছাড়াচ্ছে না তেলের দাম?

আকাশে বিরল দৃশ্য: আরারে বিশাল সূর্যকলঙ্ক

আরারে সূর্যকলঙ্কের উপস্থিতি
সৌদি আরবের উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের আরার শহরের আকাশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাধিক বিশাল সূর্যকলঙ্ক (sunspot) পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই দৃশ্য স্থানীয় মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুরাগীদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

সূর্যকলঙ্ক কী?
মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্য আদনান খলিফাহ জানান, সূর্যকলঙ্ক হলো সূর্যের পৃষ্ঠে সাময়িক অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চল, যা আশপাশের অংশের তুলনায় তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে। এর মূল কারণ হলো সূর্যের তীব্র চৌম্বকীয় কার্যকলাপ, যা স্বাভাবিক তাপ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। যদিও এগুলো অন্ধকার দেখায়, তবু এগুলো উজ্জ্বল ও শক্তিশালী। অনেক সূর্যকলঙ্ক আকারে পৃথিবীর চেয়ে বহুগুণ বড়।

এ সপ্তাহের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
খলিফাহ জানান, এ সপ্তাহে যে সূর্যকলঙ্কগুলো দেখা গেছে, সেগুলোর মধ্যে ৪১৯৫, ৪১৯৭ এবং ৪১৯৯ নম্বরের কলঙ্কগুলো বিশেষভাবে বড়। প্রতিটির ব্যাস কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এগুলো ছোট টেলিস্কোপ দিয়েও নিরাপদ সৌর ফিল্টার ব্যবহার করে দেখা সম্ভব। তিনি সতর্ক করেন যে সূর্যকলঙ্ক কার্যকলাপ কখনো কখনো সৌর শিখা (solar flare) বা ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় (geomagnetic storm) সৃষ্টি করতে পারে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশনে প্রভাব ফেলতে পারে।

সূর্যের চক্র ও গবেষণার গুরুত্ব
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেন, সূর্যকলঙ্কের অধ্যয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলো সূর্যের ১১ বছরের কার্যকলাপ চক্রকে বোঝাতে সহায়তা করে। এই চক্র সূর্যের সক্রিয়তার মাত্রা, সৌর শিখা এবং ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের মতো ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

জনসচেতনতা ও শিক্ষার প্রসার
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, অপেশাদারদের পর্যবেক্ষণ বৈজ্ঞানিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মহাকাশ বিষয়ে আগ্রহ জাগায়। এতে নতুন প্রজন্মের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়ে এবং গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্শায় বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক, এক সপ্তাহে আক্রান্ত ১১০ জন

আকাশে বিরল দৃশ্য: আরারে বিশাল সূর্যকলঙ্ক

০১:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫

আরারে সূর্যকলঙ্কের উপস্থিতি
সৌদি আরবের উত্তর সীমান্ত অঞ্চলের আরার শহরের আকাশে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাধিক বিশাল সূর্যকলঙ্ক (sunspot) পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। এই দৃশ্য স্থানীয় মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুরাগীদের মাঝে আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

সূর্যকলঙ্ক কী?
মহাকাশ ও জ্যোতির্বিজ্ঞান ক্লাবের সদস্য আদনান খলিফাহ জানান, সূর্যকলঙ্ক হলো সূর্যের পৃষ্ঠে সাময়িক অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চল, যা আশপাশের অংশের তুলনায় তুলনামূলকভাবে ঠান্ডা থাকে। এর মূল কারণ হলো সূর্যের তীব্র চৌম্বকীয় কার্যকলাপ, যা স্বাভাবিক তাপ প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে। যদিও এগুলো অন্ধকার দেখায়, তবু এগুলো উজ্জ্বল ও শক্তিশালী। অনেক সূর্যকলঙ্ক আকারে পৃথিবীর চেয়ে বহুগুণ বড়।

এ সপ্তাহের বিশেষ পর্যবেক্ষণ
খলিফাহ জানান, এ সপ্তাহে যে সূর্যকলঙ্কগুলো দেখা গেছে, সেগুলোর মধ্যে ৪১৯৫, ৪১৯৭ এবং ৪১৯৯ নম্বরের কলঙ্কগুলো বিশেষভাবে বড়। প্রতিটির ব্যাস কয়েক হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। এগুলো ছোট টেলিস্কোপ দিয়েও নিরাপদ সৌর ফিল্টার ব্যবহার করে দেখা সম্ভব। তিনি সতর্ক করেন যে সূর্যকলঙ্ক কার্যকলাপ কখনো কখনো সৌর শিখা (solar flare) বা ভূ-চৌম্বকীয় ঝড় (geomagnetic storm) সৃষ্টি করতে পারে, যা যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইট ন্যাভিগেশনে প্রভাব ফেলতে পারে।

সূর্যের চক্র ও গবেষণার গুরুত্ব
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জোর দিয়ে বলেন, সূর্যকলঙ্কের অধ্যয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এগুলো সূর্যের ১১ বছরের কার্যকলাপ চক্রকে বোঝাতে সহায়তা করে। এই চক্র সূর্যের সক্রিয়তার মাত্রা, সৌর শিখা এবং ভূ-চৌম্বকীয় ঝড়ের মতো ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণ করে।

জনসচেতনতা ও শিক্ষার প্রসার
বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, অপেশাদারদের পর্যবেক্ষণ বৈজ্ঞানিক সচেতনতা বৃদ্ধি করে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে মহাকাশ বিষয়ে আগ্রহ জাগায়। এতে নতুন প্রজন্মের মধ্যে জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ বাড়ে এবং গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।