১০:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
এআই চিপের চাহিদায় স্যামসাংয়ের দিকে ঝুঁকছে গুগল, বিওয়াইডি ও এএমডি জি-৭-এর প্রশংসার পরও ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের, চুক্তি বাস্তবায়নে অসন্তুষ্ট হলে ফের হামলার ইঙ্গিত ইন্দোনেশিয়ায় রুপিয়ার দরপতনে ওষুধের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে দীর্ঘমেয়াদি রোগীরা গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা দিয়ে গৃহকর্মী নির্যাতন, থানা হেফাজতে পুলিশ দম্পতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ভূরাজনীতি এবং ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পরীক্ষা কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে ১.৭ গুণ বেশি বন্দি, রয়েছে ৭৭ হাজার ৪০ জন- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদে জানালেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত ভারতের বিএসএফ ২,৩৬৯ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইন করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মসজিদের জন্য মাইক কিনতে গিয়ে প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের সিন্ধু পানি চুক্তি: আইনের শাসন নাকি উজানের একতরফা ক্ষমতা? অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, অধিনায়ক হিসেবে নতুন দায়িত্বে হৃদয়

চল না নদী হই

  • স্বদেশ রায়
  • ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 331

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

এআই চিপের চাহিদায় স্যামসাংয়ের দিকে ঝুঁকছে গুগল, বিওয়াইডি ও এএমডি

চল না নদী হই

০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।