০৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ আখচাষিদের বকেয়া ৩২ গুণ বৃদ্ধি, কোটি কোটি টাকা আটকে—চাপ বাড়ছে কৃষকের জীবনে উত্তরাখণ্ডে ভাঙন, ছয় নেতা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ৮ জেলায় তেল সংকট: শ্রমিকদের কর্মবিরতিতে জ্বালানি সরবরাহ থমকে গেছে জনসংখ্যা বদল থামাতে বিজেপিই শেষ ভরসা, তৃণমূলকে ঘিরে শাহের বিস্ফোরক চার্জশিট থাইল্যান্ডে নতুন জীবন খুঁজছেন মিয়ানমারের লাখো মানুষ, নিরাপত্তা ও স্বপ্নের লড়াই তীব্রতর ইরান যুদ্ধের ছায়ায় তাইওয়ান সংকট: চীনের হামলার ঝুঁকি কি বাড়ছে? চীনের রাজনীতিতে জিয়াং শেংনানের দৃপ্ত কণ্ঠ, নারীর অধিকারের নতুন অধ্যায় শুরু ২৪ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও মানবপাচার মামলায় সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিনের ৬ দিনের নতুন রিমান্ড মমতার তোপে বিজেপি: বাংলা ধ্বংসের চক্রান্তের অভিযোগ, ভোটের আগে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপ

চল না নদী হই

  • স্বদেশ রায়
  • ০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 305

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।

জনপ্রিয় সংবাদ

হার্ট অ্যাটাকে দেরি মানেই মৃত্যু ঝুঁকি, চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতায় বাড়ছে বিপদ

চল না নদী হই

০৪:৪৬:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

চল না নদী হই আমরা সকলে
মিশে যাই সাগরে-
যারা মৃত্যুকে মনে করে জীবনের অবসান
তারা না হয় থাকুক-
নিরাপদ ছাঁদের নীচে।

প্রকান্ড গলিত লাভার এ পৃথিবীতে
কে কবে বলেছে, নিরাপদ ছাঁদ আছে-
যেখানে একরাতে প্রবল ঝড়ে
ছোট্ট পাখির ছানাটি পা উঁচু করে পড়ে
থাকে নিথর মায়ের শরীরের পাশে।
এসব দেখেও কি তুমি বলবে
চল বসি,
দেখি ফুলের শোভা
আর শুনি পাখির কাকলি-
অথচ দেখ না নদী-
বাঁকে বাঁকে গড়ে কত কীর্তি
যদি কখনও হারায় ধারা
জল তার বয়ে যায়
অন্য ধারা বেয়ে সাগরের জলে।
জন্মদাতাকে ভুলে বসে থাকবে
তুমি ফুলের সুবাসের আশায়-

বরং নদী হও- নদী হই-
সব নদী মেশে সাগরে
সব জীবন মেশে মৃত্যুতে।
বন্দরে বন্দরে গড়ে তোলা
চূড়া কেবলই শুধু আকাশ ছোঁয়-
পিগমিরা তাকালেও দেখতে পায় না সে চূড়া।
আর ইঁদুরেরা কেবল গর্ত খোঁড়ে
গর্তে ঢুকে জীবন বাঁচাতে চায়।
বাঁচে কি ইঁদুর!

তার চেয়ে কুয়াশা ঠেলে ফেলে-
রোদ, জল, ঝড় ও শিশিরকে
সঙ্গে নিয়ে-
চল না নদী হই-
বুকে ঝরুক তীব্র সূর্য রশ্মি
ঝড়ে হই উদ্দাম-
কী এত ভয়-
ধরো হাত সবাই একসাথে –
চল না নদী হই সবাই।