০২:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড বন্দর আব্বাসে যাত্রীঘাটে বিমান হামলা, কেশম দ্বীপে বিশুদ্ধ পানির প্লান্ট ধ্বংস ইরান যুদ্ধ থামাতে চীন ও পাকিস্তানের পাঁচ দফা শান্তি প্রস্তাব: মুসলিম বিশ্বের জন্য নতুন আশা? ঢাকার শ্যামপুরে স্টিল মিলে বয়লার বিস্ফোরণ, আটজন শ্রমিক দগ্ধ শান্তি আলোচনা ভেস্তে দিতে হামলা? ইরানের কূটনীতিক খারাজির বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হানা, স্ত্রী নিহত ফরিদপুরে রেললাইনে প্রাণ গেল যমজ শিশুর, ক্রোধে রেলপথ অবরোধ করলেন বাসিন্দারা ট্রাম্পের দাবি ‘লক্ষ্য প্রায় পূরণ’, তেহরানের পাল্টা জবাব: ইরান যুদ্ধের ৩৩তম দিনে কী হচ্ছে  ইরান যুদ্ধের আঁচ বাংলাদেশে: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ড্রোন ধ্বংসাবশেষে বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত ইরান যুদ্ধকে জ্বালানি যুদ্ধে পরিণত করতে সমর্থ হয়েছে দুবাইয়ে মাত্র ২৫ হাজার টাকায় ছোট ঘরে জীবন: নেটিজেনদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক: ব্র্যান্ডেড ওষুধ, আসবাব ও অন্যান্য পণ্যে কড়াকড়ি

নতুন শুল্কের ঘোষণা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এক নতুন দফা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্র্যান্ডেড ওষুধে ১০০ শতাংশ, ভারী ট্রাক আমদানিতে ২৫ শতাংশ, রান্নাঘরের আলমারি ও বাথরুম ভ্যানিটিতে ৫০ শতাংশ এবং গদি-আসবাবে ৩০ শতাংশ শুল্ক। এসব নতুন শুল্ক আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

বাণিজ্য চুক্তির সীমা

যুক্তরাষ্ট্রের জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে কিছু পণ্যের শুল্ক-সীমা নির্ধারিত আছে। এর মধ্যে গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর ও ওষুধ অন্তর্ভুক্ত। ফলে জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক চুক্তির সীমার বাইরে যাওয়ার কথা নয়।
ইইউ-এর সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে গাড়ি, যন্ত্রাংশ, ওষুধ ও সেমিকন্ডাক্টরে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। জাপানের সঙ্গেও একই ধরনের শর্ত বহাল রয়েছে।

চীনা রপ্তানির ওপর প্রভাব

গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিক পণ্যে শুল্ক না-বাড়ানোর একটি সমঝোতা করে, যা নভেম্বর ১০ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বর্তমানে চীনা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ৩০ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে চীনের শুল্ক ১০ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন শুল্ক এগুলোর অতিরিক্ত হবে, নাকি আলাদাভাবে আরোপিত হবে—তা এখনো পরিষ্কার নয়।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৫.৫ বিলিয়ন ডলারের আসবাব-পত্র আমদানি হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ এসেছিল ভিয়েতনাম ও চীন থেকে।

আইনি জটিলতা ও সুপ্রিম কোর্ট

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে আইনি ভিত্তি আরও মজবুত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক নীতির বৈধতা নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন।
সুপ্রিম কোর্ট ৯ই সেপ্টেম্বর মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং ৫ নভেম্বর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। এটি ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির অন্যতম বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানি ড্রোন হামলা, জ্বালানি ট্যাংকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ট্রাম্পের নতুন শুল্ক: ব্র্যান্ডেড ওষুধ, আসবাব ও অন্যান্য পণ্যে কড়াকড়ি

০২:০২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নতুন শুল্কের ঘোষণা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার এক নতুন দফা শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন। এর মধ্যে রয়েছে ব্র্যান্ডেড ওষুধে ১০০ শতাংশ, ভারী ট্রাক আমদানিতে ২৫ শতাংশ, রান্নাঘরের আলমারি ও বাথরুম ভ্যানিটিতে ৫০ শতাংশ এবং গদি-আসবাবে ৩০ শতাংশ শুল্ক। এসব নতুন শুল্ক আগামী ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

বাণিজ্য চুক্তির সীমা

যুক্তরাষ্ট্রের জাপান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিদ্যমান বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে কিছু পণ্যের শুল্ক-সীমা নির্ধারিত আছে। এর মধ্যে গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর ও ওষুধ অন্তর্ভুক্ত। ফলে জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তিতে ট্রাম্পের ঘোষিত শুল্ক চুক্তির সীমার বাইরে যাওয়ার কথা নয়।
ইইউ-এর সঙ্গে করা চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রকে গাড়ি, যন্ত্রাংশ, ওষুধ ও সেমিকন্ডাক্টরে ১৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। জাপানের সঙ্গেও একই ধরনের শর্ত বহাল রয়েছে।

চীনা রপ্তানির ওপর প্রভাব

গত আগস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন পারস্পরিক পণ্যে শুল্ক না-বাড়ানোর একটি সমঝোতা করে, যা নভেম্বর ১০ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। বর্তমানে চীনা পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ৩০ শতাংশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে চীনের শুল্ক ১০ শতাংশ। তবে ট্রাম্পের ঘোষিত নতুন শুল্ক এগুলোর অতিরিক্ত হবে, নাকি আলাদাভাবে আরোপিত হবে—তা এখনো পরিষ্কার নয়।
২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ২৫.৫ বিলিয়ন ডলারের আসবাব-পত্র আমদানি হয়েছিল, যার মধ্যে প্রায় ৬০ শতাংশ এসেছিল ভিয়েতনাম ও চীন থেকে।

আইনি জটিলতা ও সুপ্রিম কোর্ট

ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে আইনি ভিত্তি আরও মজবুত করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, সুপ্রিম কোর্টে ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক নীতির বৈধতা নিয়ে একটি মামলা বিচারাধীন।
সুপ্রিম কোর্ট ৯ই সেপ্টেম্বর মামলাটি গ্রহণ করেছে এবং ৫ নভেম্বর শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছে। এটি ট্রাম্পের বাণিজ্য নীতির অন্যতম বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।