০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
WHO থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়: বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যে কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে নির্যাতন চালিয়ে করানো হতো সাইবার জালিয়াতির কাজ গাজা ‘বোর্ড অব পিস’ বিতর্ক: ট্রাম্পের নতুন প্ল্যাটফর্মে নেতানিয়াহুর যোগ, সমান্তরাল কূটনীতি নিয়ে প্রশ্ন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ঢাকা (পর্ব-৮৮) সোনা–রুপার দামে ইতিহাস, ইউরোপ–আমেরিকা উত্তেজনায় নিরাপদ বিনিয়োগে দৌড় উষ্ণ অ্যান্টার্কটিকায় সময়ের আগেই প্রজনন, বিপন্ন দুই পেঙ্গুইন প্রজাতি প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪) নরওয়ের বরফ রাজ্যে ট্রল ট্রেইল: স্কিতে প্রকৃতি, রোমাঞ্চ আর জীবনের স্বাদ ঝুঁকির খেলায় তরুণেরা, নকল টাকায় বিনিয়োগের রোমাঞ্চে গড়ে উঠছে নতুন অভ্যাস তারকা র‍্যাপারের দোদুল্যমান প্রত্যাবর্তন: এএসএপি রকির নতুন অ্যালবাম কতটা বলার আছে

ওপেক+ সংযমের ইঙ্গিতে তেলদাম বাড়তি; নজর শৃঙ্খলা ও মার্কিন মজুতে

ছোট আকারের বৃদ্ধি, সামষ্টিক প্রভাব ও ডলারের চাপ

উৎপাদন বৃদ্ধিকে সীমিত রাখার বার্তায় ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই প্রায় ১% করে ওঠে। প্রায় ১.৩৭ লাখ ব্যারেল/দিনের মতো সীমিত বাড়তি সরবরাহ বাজারকে আশ্বস্ত করেছে, এশিয়ায় চাহিদা স্থিত থাকায় তলানিতে ‘ফ্লোর’ তৈরি হয়। শক্ত ডলার দক্ষিণ এশিয়ার আমদানিকারকদের জন্য দামবৃদ্ধি আংশিক পুষিয়ে দেয়। শিপিং তথ্য রপ্তানি স্থিত দেখায়—মানে র‍্যালি সরবরাহ শক নয়, অনুভূতিনির্ভর। শিল্পখাতে প্রাথমিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রুড মজুত বাড়লেও গ্যাসোলিন-ডিস্টিলেটে ড্র প্রদর্শিত—রিফাইনারি মার্জিন সহায়ক।

নভেম্বরের দিকে নজরদারি তালিকা

ওপেক+ শৃঙ্খলা, রুশ তেলপ্রবাহ ও ইআইএ মজুত রিপোর্ট—এগুলোই দিকনির্ণায়ক। শৃঙ্খলা বজায় থাকলে বছরশেষে বাজার টাইট হলেও নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে; ইউরোপে চাহিদা দুর্বলতা বা চীনের মন্থরতা হলে উর্ধ্বমুখী ধারা থমকে যেতে পারে। আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে খুচরা দামের সবচেয়ে বড় চালক থাকবে বিনিময় হার। প্রয়োজনে সরকারগুলো কর-সামঞ্জস্য বা রিজার্ভ ছাড়ের মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে। আপাতত বার্তাটি সময় কিনেছে—ভয়ের চেয়ে কম সরবরাহ, স্থিত চাহিদা এবং শৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

WHO থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়: বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্যে কী ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে

ওপেক+ সংযমের ইঙ্গিতে তেলদাম বাড়তি; নজর শৃঙ্খলা ও মার্কিন মজুতে

০৪:০১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

ছোট আকারের বৃদ্ধি, সামষ্টিক প্রভাব ও ডলারের চাপ

উৎপাদন বৃদ্ধিকে সীমিত রাখার বার্তায় ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই প্রায় ১% করে ওঠে। প্রায় ১.৩৭ লাখ ব্যারেল/দিনের মতো সীমিত বাড়তি সরবরাহ বাজারকে আশ্বস্ত করেছে, এশিয়ায় চাহিদা স্থিত থাকায় তলানিতে ‘ফ্লোর’ তৈরি হয়। শক্ত ডলার দক্ষিণ এশিয়ার আমদানিকারকদের জন্য দামবৃদ্ধি আংশিক পুষিয়ে দেয়। শিপিং তথ্য রপ্তানি স্থিত দেখায়—মানে র‍্যালি সরবরাহ শক নয়, অনুভূতিনির্ভর। শিল্পখাতে প্রাথমিক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে ক্রুড মজুত বাড়লেও গ্যাসোলিন-ডিস্টিলেটে ড্র প্রদর্শিত—রিফাইনারি মার্জিন সহায়ক।

নভেম্বরের দিকে নজরদারি তালিকা

ওপেক+ শৃঙ্খলা, রুশ তেলপ্রবাহ ও ইআইএ মজুত রিপোর্ট—এগুলোই দিকনির্ণায়ক। শৃঙ্খলা বজায় থাকলে বছরশেষে বাজার টাইট হলেও নিয়ন্ত্রিত থাকতে পারে; ইউরোপে চাহিদা দুর্বলতা বা চীনের মন্থরতা হলে উর্ধ্বমুখী ধারা থমকে যেতে পারে। আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতে খুচরা দামের সবচেয়ে বড় চালক থাকবে বিনিময় হার। প্রয়োজনে সরকারগুলো কর-সামঞ্জস্য বা রিজার্ভ ছাড়ের মতো পদক্ষেপ বিবেচনা করতে পারে। আপাতত বার্তাটি সময় কিনেছে—ভয়ের চেয়ে কম সরবরাহ, স্থিত চাহিদা এবং শৃঙ্খলা পর্যবেক্ষণ।