০৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
সরকারী ব্যয় বাড়ানো ও দেশকে দেউলিয়া হবার পথে নিয়ে যাবার বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার রাজপথে তীব্র ছাত্র আন্দোলন সিঙ্গাপুরের আবর্জনা ব্যবস্থার ৬০ বছরের শিক্ষা: প্রযুক্তি বদলেছে, মানুষের অভ্যাস কতটা বদলেছে? এক দশকের মোড় ঘুরে গেল: টিভি-সংবাদপত্রকে পেছনে ফেলে বিশ্বের প্রধান সংবাদমাধ্যম এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা: শান্তির আশা নাকি নতুন অনিশ্চয়তার সূচনা? বিশ্বকাপের উন্মাদনায় এক হচ্ছে বিশ্ব, ফুটবলের ভাষায় গড়ে উঠছে সম্মান ও সহমর্মিতা সৃজনশীলতা চাই, কিন্তু কতটা সহনশীল আমরা? সিঙ্গাপুরে শিল্পচর্চা নিয়ে নতুন বিতর্ক জাপানের নগর উন্নয়ন প্রকল্পে বড় ধাক্কা, ব্যয় বৃদ্ধি ও শ্রমিক সংকটে থমকে যাচ্ছে একের পর এক পরিকল্পনা এশিয়াজুড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ছয় আঞ্চলিক সংস্থার চুক্তি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি চুক্তি: স্বস্তির বার্তা পেলেও বেশি সুবিধায় থাকতে পারে ইরান সিঙ্গাপুরে চাকরির বাজারে চাপ বাড়ছে, ছাঁটাই সর্বোচ্চ পর্যায়ে; ডিগ্রিধারীদের উদ্বেগ বেশি

১৮৪ দিনের ওসাকা এক্সপো শেষ—২৮ মিলিয়ন দর্শনার্থীর পর স্থায়ী উত্তরাধিকার কী

বিশাল ভিড়, তবু প্রশ্ন—কী থাকছে, কী ভাঙছে

দ্য জাপান টাইমস-এর হিসাবে ১৮৪ দিন চলা ওসাকা এক্সপোতে প্রায় ২৮ মিলিয়ন মানুষ এসেছে। ‘গ্র্যান্ড রিং’ সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জনপ্রিয় স্পট হয়ে ওঠে—প্রতীকী এক জন–আসন। সমর্থকেরা বলছেন, ডিজিটাল যুগে সরাসরি অভিজ্ঞতার মর্যাদা মনে করিয়ে দিয়েছে মেলাটি। সমালোচকেরা জানতে চাইছেন—খরচ কত, উপকরণ কতটা পুনর্ব্যবহার হবে, আর কত দ্রুত এলাকা কাজে লাগানো যাবে। এখন মূল হিসাব—প্যাভিলিয়ন, পরিবহন–সুবিধা ও স্বল্পমেয়াদি চাকরির কত অংশ স্থায়ী উন্নতিতে রূপ নেবে।

এটি শুধু নস্টালজিয়ার নয়, নগর–পরিকল্পনারও পরীক্ষা। এক্সপো–গুলো ব্যবসায়িক সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেয়; কিন্তু লাভ সমান হয় না। তাপ–প্রবাহের যুগে ছায়া, কুলিং ও ভিড়–পরিচালনার নকশা ভবিষ্যৎ ইভেন্টের জন্য পাঠ হতে পারে। পর্যটনের গতি ধরে রাখতে সাময়িক আকর্ষণগুলোকে বাসিন্দাদের জন্যও কাজের স্থায়ী জেলায় রূপান্তর জরুরি। বাজেট নিয়ে স্বচ্ছতা ও উপকরণ–পুনর্ব্যবহারের প্রকাশ্য রোডম্যাপ সমালোচনা কমাতে পারে—কোথায় কোন স্টিল/টিমবার/ফিক্সচার যাবে—আগেভাগে জানালে আস্থা বাড়ে।

সমাজিক রায় সময় নেবে। পরিবহন–উন্নতি যদি যাতায়াত সহজ করে ও ওয়াটারফ্রন্ট প্রাণবন্ত থাকে, জনমত ব্যয়ের পক্ষে যায়; ফেলে রাখা খোলস বাড়লে বিপরীত ফল। ক্ষুদ্র ব্যবসা—পপ–আপ, সেবা–দোকান—অস্থায়ী উন্মাদনাকে টেকসই বিক্রিতে রূপ দিতে পারলে ‘সাফল্যগাথা’ শক্ত হবে। তাই সূক্ষ্ম অডিট দরকার—কী কাজ দিয়েছে, কী দেয়নি; এবং কাঠামোগুলো পুনর্ব্যবহারে কমিউনিটির মত নেওয়া—তবেই প্রদর্শনী থেকে দীর্ঘস্থায়ী সুফলে যাওয়া সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারী ব্যয় বাড়ানো ও দেশকে দেউলিয়া হবার পথে নিয়ে যাবার বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার রাজপথে তীব্র ছাত্র আন্দোলন

১৮৪ দিনের ওসাকা এক্সপো শেষ—২৮ মিলিয়ন দর্শনার্থীর পর স্থায়ী উত্তরাধিকার কী

১০:০০:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

বিশাল ভিড়, তবু প্রশ্ন—কী থাকছে, কী ভাঙছে

দ্য জাপান টাইমস-এর হিসাবে ১৮৪ দিন চলা ওসাকা এক্সপোতে প্রায় ২৮ মিলিয়ন মানুষ এসেছে। ‘গ্র্যান্ড রিং’ সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখার জনপ্রিয় স্পট হয়ে ওঠে—প্রতীকী এক জন–আসন। সমর্থকেরা বলছেন, ডিজিটাল যুগে সরাসরি অভিজ্ঞতার মর্যাদা মনে করিয়ে দিয়েছে মেলাটি। সমালোচকেরা জানতে চাইছেন—খরচ কত, উপকরণ কতটা পুনর্ব্যবহার হবে, আর কত দ্রুত এলাকা কাজে লাগানো যাবে। এখন মূল হিসাব—প্যাভিলিয়ন, পরিবহন–সুবিধা ও স্বল্পমেয়াদি চাকরির কত অংশ স্থায়ী উন্নতিতে রূপ নেবে।

এটি শুধু নস্টালজিয়ার নয়, নগর–পরিকল্পনারও পরীক্ষা। এক্সপো–গুলো ব্যবসায়িক সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেয়; কিন্তু লাভ সমান হয় না। তাপ–প্রবাহের যুগে ছায়া, কুলিং ও ভিড়–পরিচালনার নকশা ভবিষ্যৎ ইভেন্টের জন্য পাঠ হতে পারে। পর্যটনের গতি ধরে রাখতে সাময়িক আকর্ষণগুলোকে বাসিন্দাদের জন্যও কাজের স্থায়ী জেলায় রূপান্তর জরুরি। বাজেট নিয়ে স্বচ্ছতা ও উপকরণ–পুনর্ব্যবহারের প্রকাশ্য রোডম্যাপ সমালোচনা কমাতে পারে—কোথায় কোন স্টিল/টিমবার/ফিক্সচার যাবে—আগেভাগে জানালে আস্থা বাড়ে।

সমাজিক রায় সময় নেবে। পরিবহন–উন্নতি যদি যাতায়াত সহজ করে ও ওয়াটারফ্রন্ট প্রাণবন্ত থাকে, জনমত ব্যয়ের পক্ষে যায়; ফেলে রাখা খোলস বাড়লে বিপরীত ফল। ক্ষুদ্র ব্যবসা—পপ–আপ, সেবা–দোকান—অস্থায়ী উন্মাদনাকে টেকসই বিক্রিতে রূপ দিতে পারলে ‘সাফল্যগাথা’ শক্ত হবে। তাই সূক্ষ্ম অডিট দরকার—কী কাজ দিয়েছে, কী দেয়নি; এবং কাঠামোগুলো পুনর্ব্যবহারে কমিউনিটির মত নেওয়া—তবেই প্রদর্শনী থেকে দীর্ঘস্থায়ী সুফলে যাওয়া সম্ভব।