০৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা স্থগিত , অনিশ্চয়তায় সমঝোতা ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রামের চরে গৃহহীন ৩০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৩ জুন ঘিরে সুনির্দিষ্ট হুমকি নেই, বললেন ডিএমপি কমিশনার শ্রমিক শ্রেণির ক্ষোভ, ভাঙা আস্থা এবং ব্রিটিশ রাজনীতির নতুন সন্ধিক্ষণ মার্কিন-ইরান সমঝোতার পরও অশান্ত মধ্যপ্রাচ্য, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত অন্তত ১৬ হোটেলের চেয়েও ব্যয়বহুল আশ্রয়শিবির! যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন নিয়ে নতুন বিতর্ক জনাথন ডেভিডের হ্যাটট্রিকে কাতারকে উড়িয়ে কানাডার ঐতিহাসিক ৬-০ জয় মেক্সিকোর ঐতিহাসিক জয়, সবার আগে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে স্বাগতিকরা নতুন সমঝোতার পথে ওয়াশিংটন-তেহরান: কেন কূটনীতির ভাষাই হয়ে উঠেছিল সবচেয়ে বড় বাধা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১২)

বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়

দোলমা

ছেলেবেলায়ও দোলমার চল ছিল দেখেছি। ছেলেবেলা বললেও ৬০ বছরতো হবেই। দোলমা পটলের দোলমা তুর্কি শব্দ। অর্থাৎ ঢাকায় প্রচলন হয় প্রাক মুঘল অথবা মুঘল যুগে। পটলের দোলমারই চলন ছিল বেশি। পটলের ভিতর মাংসের কিমা দিয়ে সুতা দিয়ে তা বেঁধে ঘিয়ে ভেজে দোলমা তৈরি হতো। এখন দোলমা প্রায় লুপ্ত।

পটলের দোলমা

দোসাদ

ভারতের আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত দোসাদ। অন্তর্জালে ‘ট্রাইব’ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়। সে-সময় থেকে দোসাদদের কেউ কেউ থেকে যান পূর্ববঙ্গে।

উনিশ শতকে একজন দোসাদ 

ওয়াইজ যখন অনুসন্ধান করেন তখন শুধু ঢাকাতেই ১৫/২০টি পরিবার পেয়েছিলেন। তার মানে, বিশ শতকে ঢাকায় আর দোসাদদের উত্তরাধিকারীরা ছিলেন না।

ওয়াইজ জানিয়েছেন, দোসাদরা দাবি করেন তারা তীম সেনের বংশধর। পূজা করেন রাহুর। ওয়াইজের মতে এরা সুপুরুষ। ঢাকায় তারা গৃহ-ভৃত্য বা পাংখাকুলি হিসেবে কাজ করতেন। বিহারে তাদের প্রধান পেশা ছিল চৌকিদার।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

জৈবপ্রযুক্তির নতুন বিশ্বযুদ্ধে ভারতের সামনে যে ঐতিহাসিক সুযোগ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১২)

০৯:০০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়

দোলমা

ছেলেবেলায়ও দোলমার চল ছিল দেখেছি। ছেলেবেলা বললেও ৬০ বছরতো হবেই। দোলমা পটলের দোলমা তুর্কি শব্দ। অর্থাৎ ঢাকায় প্রচলন হয় প্রাক মুঘল অথবা মুঘল যুগে। পটলের দোলমারই চলন ছিল বেশি। পটলের ভিতর মাংসের কিমা দিয়ে সুতা দিয়ে তা বেঁধে ঘিয়ে ভেজে দোলমা তৈরি হতো। এখন দোলমা প্রায় লুপ্ত।

পটলের দোলমা

দোসাদ

ভারতের আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত দোসাদ। অন্তর্জালে ‘ট্রাইব’ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়। সে-সময় থেকে দোসাদদের কেউ কেউ থেকে যান পূর্ববঙ্গে।

উনিশ শতকে একজন দোসাদ 

ওয়াইজ যখন অনুসন্ধান করেন তখন শুধু ঢাকাতেই ১৫/২০টি পরিবার পেয়েছিলেন। তার মানে, বিশ শতকে ঢাকায় আর দোসাদদের উত্তরাধিকারীরা ছিলেন না।

ওয়াইজ জানিয়েছেন, দোসাদরা দাবি করেন তারা তীম সেনের বংশধর। পূজা করেন রাহুর। ওয়াইজের মতে এরা সুপুরুষ। ঢাকায় তারা গৃহ-ভৃত্য বা পাংখাকুলি হিসেবে কাজ করতেন। বিহারে তাদের প্রধান পেশা ছিল চৌকিদার।

(চলবে)