০২:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নিজের শর্তে টিভিতে নোবেলজয়ী ওরহান পামুক, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেল ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ সিরিজ জাপানের মুনাফা প্রতিষ্ঠানগুলোও চাকরি কাটছে, যুবশক্তি পুনর্বিন্যাসে উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সতর্ক করল দুবাই স্কুল, সামাজিক মিডিয়ায় পোস্টে হতে পারে বড় প্রভাব রমজান উপলক্ষে সংযুক্ত আরব আমিরাতে হাজারো বন্দির মুক্তি অভিবাসনই অর্থনীতির ভরসা? স্পেনের সাহসী সিদ্ধান্তে নতুন বিতর্ক রমজানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে জীবনযাত্রার বদল সংস্কৃতির মিলন মেলার আমন্ত্রণে আবুধাবি: ‘এমিরাতি ভ্যালুজ ইফতার’ শুরু ইউক্রেনের ‘ভ্যাম্পায়ার’ ড্রোন: কখন মৃত্যুর দূত, কখন সামনের সারিতে খাবার পৌঁছে দেয় জেসি জ্যাকসনের মৃত্যু: নাগরিক অধিকার আন্দোলনের বজ্রকণ্ঠের অবসান রমজানে ৯০ হাজার কোরআন বিতরণ ঘোষণা, ধর্মচেতনা ও পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় করতে উদ্যোগ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১২)

বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়

দোলমা

ছেলেবেলায়ও দোলমার চল ছিল দেখেছি। ছেলেবেলা বললেও ৬০ বছরতো হবেই। দোলমা পটলের দোলমা তুর্কি শব্দ। অর্থাৎ ঢাকায় প্রচলন হয় প্রাক মুঘল অথবা মুঘল যুগে। পটলের দোলমারই চলন ছিল বেশি। পটলের ভিতর মাংসের কিমা দিয়ে সুতা দিয়ে তা বেঁধে ঘিয়ে ভেজে দোলমা তৈরি হতো। এখন দোলমা প্রায় লুপ্ত।

পটলের দোলমা

দোসাদ

ভারতের আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত দোসাদ। অন্তর্জালে ‘ট্রাইব’ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়। সে-সময় থেকে দোসাদদের কেউ কেউ থেকে যান পূর্ববঙ্গে।

উনিশ শতকে একজন দোসাদ 

ওয়াইজ যখন অনুসন্ধান করেন তখন শুধু ঢাকাতেই ১৫/২০টি পরিবার পেয়েছিলেন। তার মানে, বিশ শতকে ঢাকায় আর দোসাদদের উত্তরাধিকারীরা ছিলেন না।

ওয়াইজ জানিয়েছেন, দোসাদরা দাবি করেন তারা তীম সেনের বংশধর। পূজা করেন রাহুর। ওয়াইজের মতে এরা সুপুরুষ। ঢাকায় তারা গৃহ-ভৃত্য বা পাংখাকুলি হিসেবে কাজ করতেন। বিহারে তাদের প্রধান পেশা ছিল চৌকিদার।

(চলবে)

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের শর্তে টিভিতে নোবেলজয়ী ওরহান পামুক, দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে মুক্তি পেল ‘দ্য মিউজিয়াম অব ইনোসেন্স’ সিরিজ

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১২)

০৯:০০:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়

দোলমা

ছেলেবেলায়ও দোলমার চল ছিল দেখেছি। ছেলেবেলা বললেও ৬০ বছরতো হবেই। দোলমা পটলের দোলমা তুর্কি শব্দ। অর্থাৎ ঢাকায় প্রচলন হয় প্রাক মুঘল অথবা মুঘল যুগে। পটলের দোলমারই চলন ছিল বেশি। পটলের ভিতর মাংসের কিমা দিয়ে সুতা দিয়ে তা বেঁধে ঘিয়ে ভেজে দোলমা তৈরি হতো। এখন দোলমা প্রায় লুপ্ত।

পটলের দোলমা

দোসাদ

ভারতের আদিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত দোসাদ। অন্তর্জালে ‘ট্রাইব’ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়েছে। বিহার থেকে তারা পূর্ববঙ্গে এসেছিলেন মুখল আমলেই ভাগ্যান্বেষণে। আলীবর্দী খাঁর সেনাবাহিনীতে দোসাদ ছিলো বলে জানা যায়। সে-সময় থেকে দোসাদদের কেউ কেউ থেকে যান পূর্ববঙ্গে।

উনিশ শতকে একজন দোসাদ 

ওয়াইজ যখন অনুসন্ধান করেন তখন শুধু ঢাকাতেই ১৫/২০টি পরিবার পেয়েছিলেন। তার মানে, বিশ শতকে ঢাকায় আর দোসাদদের উত্তরাধিকারীরা ছিলেন না।

ওয়াইজ জানিয়েছেন, দোসাদরা দাবি করেন তারা তীম সেনের বংশধর। পূজা করেন রাহুর। ওয়াইজের মতে এরা সুপুরুষ। ঢাকায় তারা গৃহ-ভৃত্য বা পাংখাকুলি হিসেবে কাজ করতেন। বিহারে তাদের প্রধান পেশা ছিল চৌকিদার।

(চলবে)