০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
চীনের তরুণদের একা থাকার নতুন দর্শন: ‘নিজেকেই ভালোবাসো’ প্রজন্মের উত্থান বিশ্বে মানুষের আস্থাহীনতা বাড়ছে, সমাজও সংকটে ব্রস এবং প্যারামাউন্টের নতুন আলোচনার ধারা শুরু ইরানের ইতিহাস বদলে দেয় সেই বিপ্লব, আজ নারী ত্যাগের পথে অদম্য ইরানি প্রতিবাদ ও মানবিক সংগ্রাম: ইতিহাস, স্মৃতি ও আশা ইরানে সহিংসতার ছায়া: জনতার আন্দোলন ও প্রশাসনের কঠোর জবাব রমজানে মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রমজানের পবিত্র মাস শুরু বৃহস্পতিবার দালালের ফাঁদে সৌদি গিয়ে নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আকলিমা, দেশে ফেরানোর দাবি পরিবারের জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবো: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের তরুণদের একা থাকার নতুন দর্শন: ‘নিজেকেই ভালোবাসো’ প্রজন্মের উত্থান

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

০৯:০০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)