০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
থাইল্যান্ডের ১.৬ বিলিয়ন বাথের ‘এআই পাসপোর্ট’ প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগে সরব বিরোধীরা যৌনতা বর্জন করলে কি সত্যিই ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স বাড়ে? ময়মনসিংহে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে দুই শ্রমিকের মৃত্যু সাভারে ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার ক্ষমতার ভারসাম্য যখন গণতন্ত্রকে রক্ষা করে এআই চিপের চাহিদায় স্যামসাংয়ের দিকে ঝুঁকছে গুগল, বিওয়াইডি ও এএমডি জি-৭-এর প্রশংসার পরও ইরানকে নতুন হুমকি ট্রাম্পের, চুক্তি বাস্তবায়নে অসন্তুষ্ট হলে ফের হামলার ইঙ্গিত ইন্দোনেশিয়ায় রুপিয়ার দরপতনে ওষুধের দাম ঊর্ধ্বমুখী, চাপে দীর্ঘমেয়াদি রোগীরা গরম কড়াইয়ের ছ্যাঁকা দিয়ে গৃহকর্মী নির্যাতন, থানা হেফাজতে পুলিশ দম্পতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নতুন ভূরাজনীতি এবং ভারতের প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার পরীক্ষা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)

জনপ্রিয় সংবাদ

থাইল্যান্ডের ১.৬ বিলিয়ন বাথের ‘এআই পাসপোর্ট’ প্রকল্প ঘিরে বিতর্ক, অনিয়মের অভিযোগে সরব বিরোধীরা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৩)

০৯:০০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল।

দৈনিক আজাদ [১৯৩৬-১৯৯০]

বলা যেতে পারে, পূর্ববঙ্গ/বাংলাদেশের প্রাচীনতম বাংলা দৈনিক আজাদ। ১৯৩৬ সালে মওলানা আকরাম খাঁ কলকাতা থেকে দৈনিক পত্রিকাটি প্রকাশ করেন। প্রধানত বাঙালি মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে, আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে মুসলিম লীগের মুখপত্র হিসেবে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দ্রুত পত্রিকাটি জনপ্রিয়তা লাভ করে। আমাদের দেশের চল্লিশ থেকে ষাট দশকের প্রথিতযশা অনেক সাংবাদিক যুক্ত ছিলেন পত্রিকাটির সঙ্গে।

১৯৪৭ এর পর আবু জাফর শামসুদ্দীন ঢাকায় [ঢাকেশ্বরীর পাশে] আজাদ স্থানান্তর করেন। মওলানা আকরাম খাঁ এর মালিক হলেও সম্পাদনার ভার গ্রহণ করেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন।

দৈনিক আজাদের প্রথমপাতা; পুরানো একটি সংখ্যা

তিনি ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে গুলিবর্ষণের কারণে পরিষদ থেকে পদত্যাগ করেন। আজাদ মূলত প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারার সমর্থক ছিল। অদ্ভুত বানানরীতি প্রচলন করতে চেয়েছিল। ১৯৬৯ সালে আকরাম খাঁর মৃত্যু হলে পত্রিকাটি প্রতিক্রিয়াশীল চিন্তাধারা থেকে সরে আসার চেষ্টা করে।

পরবর্তীকালে মালিকানায় দ্বন্দ্ব ও পতনশীল সার্কুলেশনের কারণে আজাদ বন্ধ হয়ে যায়। তবে, মুসলমান ‘জাগরণে’ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান, আব্বাস উদ্দিনের গান এবং আজাদ বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল।

মাওলানা আকরাম খাঁ। দৈনিক আজাদের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক 

(চলবে)