০২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প ডিলান–লেননের লিমুজিন আলাপ: সঙ্গীতের বন্ধুত্ব, দ্বন্দ্ব আর এক অস্বস্তিকর সত্য প্রোটিন আতঙ্ক নাকি প্রয়োজনীয় পরিবর্তন? স্মার্ট শহরের পথে বাংলাদেশ: প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে নগরজীবন ক্যাটওয়াক শেখার নতুন ট্রেন্ড: হাঁটার ভঙ্গিতেই বদলে যাচ্ছে আত্মবিশ্বাস বিশ্বজুড়ে অস্থিরতার মাঝেও শেয়ারবাজারে চমক, বিনিয়োগকারীদের আয়ে বড় ধাক্কা নয় বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে বিল ফাঁকিতে গেট বন্ধ রাখার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ — দুই বছর পর তদন্তে চমক ২১ এপ্রিল শুরু এসএসসি পরীক্ষা — রাজশাহী বোর্ডে ১ লাখ ৭৭ হাজার পরীক্ষার্থী প্রস্তুত অ্যান্টার্কটিকায় বিপদের সংকেত: জলবায়ু পরিবর্তনে সম্রাট পেঙ্গুইনসহ বন্যপ্রাণী ঝুঁকিতে বিশ্বব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ও বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির যৌথ বিবৃতি: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা

পাঁচ বছরে সবচেয়ে কমের কাছে তেল—কার লাভ, কার ক্ষতি

ইনভেন্টরি, চাহিদা ও দামের চাপ
প্রায় পাঁচ বছরে সবচেয়ে নিচের স্তরে নেমেছে তেলের দাম; মার্কিন ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৫৭ ডলারের নিচে। বড়সড় ইনভেন্টরি বৃদ্ধি, রেকর্ড উৎপাদন আর দুর্বল চাহিদার ইঙ্গিত—এই তিন কারণ মিলেই পতন ত্বরান্বিত করেছে। দামের চাপ কমায় পেট্রোল ও হিটিংয়ের খরচ কমতে পারে, তবে শেল প্রযোজকদের মুনাফা ও নগদপ্রবাহে ধাক্কা বাড়বে। ব্রেন্ট মূল্যও কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক পতনে।


কে জিতবে, কী ঝুঁকি রইল
ভোক্তা ও জ্বালানি-নির্ভর শিল্পগুলো স্বস্তি পাচ্ছে; এয়ারলাইন, শিপিং কোম্পানি হেজিংয়ে আগ্রহী হতে পারে। বিপরীতে তেল-নির্ভর অর্থনীতিগুলো বাজেট চাপে পড়বে এবং উৎপাদন কমানোর সমন্বয় ভাবতে পারে। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা—ওপেক+ নীতিবদল বা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বেড়ে গেলে দাম হঠাৎ ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আপাতত উচ্চ মজুত ও সতর্ক ম্যাক্রো সেন্টিমেন্টই বাজারকে টেনে ধরে রেখেছে। বিদ্যুৎ-খাত ও ডেটা সেন্টারের খরচে সাময়িক স্বস্তি এলেও, কম দামে পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ ধীর হতে পারে কিনা—সেটিই নজরে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তারকার ঝলক ছাপিয়ে গয়নার জাদু: রেড কার্পেটে নতুন ট্রেন্ডের গল্প

পাঁচ বছরে সবচেয়ে কমের কাছে তেল—কার লাভ, কার ক্ষতি

০৬:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

ইনভেন্টরি, চাহিদা ও দামের চাপ
প্রায় পাঁচ বছরে সবচেয়ে নিচের স্তরে নেমেছে তেলের দাম; মার্কিন ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ৫৭ ডলারের নিচে। বড়সড় ইনভেন্টরি বৃদ্ধি, রেকর্ড উৎপাদন আর দুর্বল চাহিদার ইঙ্গিত—এই তিন কারণ মিলেই পতন ত্বরান্বিত করেছে। দামের চাপ কমায় পেট্রোল ও হিটিংয়ের খরচ কমতে পারে, তবে শেল প্রযোজকদের মুনাফা ও নগদপ্রবাহে ধাক্কা বাড়বে। ব্রেন্ট মূল্যও কয়েক সপ্তাহের ধারাবাহিক পতনে।


কে জিতবে, কী ঝুঁকি রইল
ভোক্তা ও জ্বালানি-নির্ভর শিল্পগুলো স্বস্তি পাচ্ছে; এয়ারলাইন, শিপিং কোম্পানি হেজিংয়ে আগ্রহী হতে পারে। বিপরীতে তেল-নির্ভর অর্থনীতিগুলো বাজেট চাপে পড়বে এবং উৎপাদন কমানোর সমন্বয় ভাবতে পারে। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা—ওপেক+ নীতিবদল বা ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি বেড়ে গেলে দাম হঠাৎ ঘুরে দাঁড়াতে পারে। আপাতত উচ্চ মজুত ও সতর্ক ম্যাক্রো সেন্টিমেন্টই বাজারকে টেনে ধরে রেখেছে। বিদ্যুৎ-খাত ও ডেটা সেন্টারের খরচে সাময়িক স্বস্তি এলেও, কম দামে পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ ধীর হতে পারে কিনা—সেটিই নজরে।