১১:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে? যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সন্ত্রাসবিরোধী কৌশল ঘিরে বিতর্ক, সমালোচনায় রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ নিউইয়র্কে আবাসন নির্মাণে বড় বাধা কমছে, বদলে যেতে পারে শহরের ভবিষ্যৎ ট্রাম্পের প্রতিশোধ রাজনীতি নিয়ে চাপে রিপাবলিকানরা ট্রাম্প-শি বৈঠকে বাণিজ্যের হাসি, আড়ালে তাইওয়ান-ইউক্রেন-ইরান উত্তেজনা ব্রিটিশ রাজনীতির নেতৃত্ব সংকট: জনপ্রিয়তার লড়াই নয়, বাস্তবতার পরীক্ষা লন্ডনে টমি রবিনসন ঘিরে উত্তেজনা, ফিলিস্তিনপন্থী পাল্টা বিক্ষোভে কড়া নিরাপত্তা জাকার্তার ‘সামতামা ভিলেজ’: বর্জ্য আলাদা করেই কমছে ল্যান্ডফিলে চাপ জ্বালানি সংকটে নতুন সতর্কবার্তা, জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে নবায়নযোগ্য শক্তিতে জোর দেওয়ার আহ্বান ছেলের হামলায় কুমিল্লায় প্রাণ গেল বাবার

শুধু নির্গমন কমালেই হবে না—অভিযোজনেই জোর দিন: ডব্লিউএসজে মতামতধারার আলোচ্য

যুক্তি, প্রেক্ষাপট ও পাল্টা বক্তব্য
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি মতামত নিবন্ধ বলছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধির গতির সঙ্গে শুধু মিটিগেশন বা নির্গমন কমানো তাল মেলাতে পারছে না; তাই ‘অ্যাডাপ্টেশন’ বা অভিযোজনে বড় বিনিয়োগ জরুরি। গ্রিড-পোর্ট শক্তিশালীকরণ, বন্যা প্রতিরোধ, বিল্ডিং কোড সংস্কার, দুর্যোগ বীমায় প্রাক-অর্থায়ন—এসবকে লেখক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেখছেন। সমর্থকরা বলছেন—পরিকল্পিত অভিযোজনে ক্ষয়ক্ষতি কমবে; সমালোচকেরা আশঙ্কা করেন—অভিযোজনকে প্রাধান্য দিলে নির্গমন কমানোর তাগিদ শিথিল হতে পারে।

কীভাবে ভারসাম্য টানা যায়
অভিযোজন ব্যয়বহুল; খারাপ পরিকল্পনায় বৈষম্য বাড়তে পারে—দামি এলাকায় সী-ওয়াল, বাকি পাড়ায় পানি। সমাধান হিসেবে বিশেষজ্ঞরা ‘কো-বেনিফিট’ প্রকল্পের কথা বলেন—শহরে গাছপালা ও ছায়া, পানি শোষণকারী রাস্তা, এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য ট্রান্সমিশন আপগ্রেড—যা নির্ভরযোগ্যতাও বাড়ায়। মূল চ্যালেঞ্জ—নিকটমেয়াদি সুরক্ষা দ্রুততর করা, আবার ২০৩০–৪০ লক্ষ্য রেখে ডিকার্বনাইজেশন চালিয়ে যাওয়া। কে অর্থ দেবে, কোন সম্পদ অগ্রাধিকার পাবে, বাজেটে ‘এভয়েডেড লস’ কীভাবে ধরা হবে—এগুলোই আগামী জলবায়ু রাজনীতির কেন্দ্র।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের কঠোর আশ্রয়নীতি কি স্থায়ী রূপ নিচ্ছে?

শুধু নির্গমন কমালেই হবে না—অভিযোজনেই জোর দিন: ডব্লিউএসজে মতামতধারার আলোচ্য

০৬:৩৩:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তি, প্রেক্ষাপট ও পাল্টা বক্তব্য
ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে প্রকাশিত একটি মতামত নিবন্ধ বলছে—তাপমাত্রা বৃদ্ধির গতির সঙ্গে শুধু মিটিগেশন বা নির্গমন কমানো তাল মেলাতে পারছে না; তাই ‘অ্যাডাপ্টেশন’ বা অভিযোজনে বড় বিনিয়োগ জরুরি। গ্রিড-পোর্ট শক্তিশালীকরণ, বন্যা প্রতিরোধ, বিল্ডিং কোড সংস্কার, দুর্যোগ বীমায় প্রাক-অর্থায়ন—এসবকে লেখক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে দেখছেন। সমর্থকরা বলছেন—পরিকল্পিত অভিযোজনে ক্ষয়ক্ষতি কমবে; সমালোচকেরা আশঙ্কা করেন—অভিযোজনকে প্রাধান্য দিলে নির্গমন কমানোর তাগিদ শিথিল হতে পারে।

কীভাবে ভারসাম্য টানা যায়
অভিযোজন ব্যয়বহুল; খারাপ পরিকল্পনায় বৈষম্য বাড়তে পারে—দামি এলাকায় সী-ওয়াল, বাকি পাড়ায় পানি। সমাধান হিসেবে বিশেষজ্ঞরা ‘কো-বেনিফিট’ প্রকল্পের কথা বলেন—শহরে গাছপালা ও ছায়া, পানি শোষণকারী রাস্তা, এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ নেওয়ার জন্য ট্রান্সমিশন আপগ্রেড—যা নির্ভরযোগ্যতাও বাড়ায়। মূল চ্যালেঞ্জ—নিকটমেয়াদি সুরক্ষা দ্রুততর করা, আবার ২০৩০–৪০ লক্ষ্য রেখে ডিকার্বনাইজেশন চালিয়ে যাওয়া। কে অর্থ দেবে, কোন সম্পদ অগ্রাধিকার পাবে, বাজেটে ‘এভয়েডেড লস’ কীভাবে ধরা হবে—এগুলোই আগামী জলবায়ু রাজনীতির কেন্দ্র।