০৬:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার

হোক্কাইদোতে স্যামন রোর দাম চড়া—ধরা কম, খরচ বেশি

খাবার ও জলবায়ুর প্রভাব
জাপানে শরৎ মৌসুমে স্যামনের ডিম বা ‘ইকুরা’র দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হোক্কাইদোর বাজারে ১০০ গ্রামে প্রায় রেকর্ড দামের কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। কারণ—ছোট্ট মৎস্যধরা মৌসুম ও উষ্ণ সমুদ্রজল। স্থানীয় মৌসুমি রান্নার প্রধান উপাদান হওয়ায় সরবরাহে টান পড়লে রেস্তোরাঁগুলো পরিবেশন সাইজ কমাচ্ছে, মেনু বদলাচ্ছে বা বিকল্প টপিং দিচ্ছে। প্রভাব পড়ছে বেন্টো বক্স থেকে কনভিনিয়েন্স স্টোরের মৌসুমি অফারিংয়েও।

বিজ্ঞানীর পর্যবেক্ষণ, বাজারের কৌশল
সমুদ্রস্রোত ও তাপমাত্রা বদল স্যামনের ডিম ছাড়া, বেঁচে থাকা ও ফিরে আসায় প্রভাব ফেলছে—এমনটা দেখাচ্ছে গবেষণা। হ্যাচারি কিছুটা সাহায্য করলেও সমুদ্রের পরিবেশগত ঝুঁকি পুরোপুরি পুষিয়ে দেয় না। বিক্রেতাদের ধারণা—পিক মৌসুম জুড়ে দাম উঁচুতেই থাকবে; শেষভাগে ধরা বাড়লে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। পরিবারের জন্য পরামর্শ—আগে কেনাকাটা, বাজারদর তুলনা, প্রয়োজনে গত মৌসুমের হিমায়িত স্টক বিবেচনা। দীর্ঘমেয়াদে হোক্কাইদোর মৎস্যখাতে অভিযোজনই চাবিকাঠি—গিয়ার, টাইমিং ও কোটায় পরিবর্তন, সঙ্গে উন্নত সমুদ্র পর্যবেক্ষণ। জলবায়ু উষ্ণতা চলতে থাকলে জাপানের খাদ্যসংস্কৃতিতে ‘দামের অভিঘাত’ আরও ঘন ঘন দেখা দিতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি

হোক্কাইদোতে স্যামন রোর দাম চড়া—ধরা কম, খরচ বেশি

০৭:০০:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

খাবার ও জলবায়ুর প্রভাব
জাপানে শরৎ মৌসুমে স্যামনের ডিম বা ‘ইকুরা’র দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। হোক্কাইদোর বাজারে ১০০ গ্রামে প্রায় রেকর্ড দামের কথা জানিয়েছেন বিক্রেতারা। কারণ—ছোট্ট মৎস্যধরা মৌসুম ও উষ্ণ সমুদ্রজল। স্থানীয় মৌসুমি রান্নার প্রধান উপাদান হওয়ায় সরবরাহে টান পড়লে রেস্তোরাঁগুলো পরিবেশন সাইজ কমাচ্ছে, মেনু বদলাচ্ছে বা বিকল্প টপিং দিচ্ছে। প্রভাব পড়ছে বেন্টো বক্স থেকে কনভিনিয়েন্স স্টোরের মৌসুমি অফারিংয়েও।

বিজ্ঞানীর পর্যবেক্ষণ, বাজারের কৌশল
সমুদ্রস্রোত ও তাপমাত্রা বদল স্যামনের ডিম ছাড়া, বেঁচে থাকা ও ফিরে আসায় প্রভাব ফেলছে—এমনটা দেখাচ্ছে গবেষণা। হ্যাচারি কিছুটা সাহায্য করলেও সমুদ্রের পরিবেশগত ঝুঁকি পুরোপুরি পুষিয়ে দেয় না। বিক্রেতাদের ধারণা—পিক মৌসুম জুড়ে দাম উঁচুতেই থাকবে; শেষভাগে ধরা বাড়লে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। পরিবারের জন্য পরামর্শ—আগে কেনাকাটা, বাজারদর তুলনা, প্রয়োজনে গত মৌসুমের হিমায়িত স্টক বিবেচনা। দীর্ঘমেয়াদে হোক্কাইদোর মৎস্যখাতে অভিযোজনই চাবিকাঠি—গিয়ার, টাইমিং ও কোটায় পরিবর্তন, সঙ্গে উন্নত সমুদ্র পর্যবেক্ষণ। জলবায়ু উষ্ণতা চলতে থাকলে জাপানের খাদ্যসংস্কৃতিতে ‘দামের অভিঘাত’ আরও ঘন ঘন দেখা দিতে পারে।