০১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান মিডিয়াকর্পের ২০২৬ বিশ্বকাপ সংগ্রহ: ‘জাতীয় সেবা’ নাকি ব্যবসায়িক কৌশল? আসিয়ান কি মায়ানমারের নির্বাচন স্বীকৃতি দেবে? বিভাজন, রাজনৈতিক দ্বিধা ও ভবিষ্যতের অচেনা পথ কৌশলগত এআই ব্যবহারেই ব্যবসা সফল করতে চান সিঙ্গাপুর সরকার: কীভাবে শুরু করবেন বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক করল ‘নকল নোট’ ব্যবহারের বিষয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে প্রশ্নে অনিশ্চয়তায় বিএনপি মঙ্গলবার সিলেটে কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের জন্য ট্রাফিক নির্দেশিকা জারি ঢাকার স্টক এক্সচেঞ্জে ঝড়ের পর পতন, লেনদেন কমেছে জাতীয় নির্বাচন ইতিহাসে ‘রোল মডেল’: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার মূল্যায়ন

জলবায়ু পরিবর্তনে উদ্বাস্তু‌দের অভিবাসী সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

  • Sarakhon Report
  • ০৭:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪
  • 202

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। তা ছাড়াও অন্যান্য যেসব বিষয় জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে সেগুলোর ওপরও আলোকপাত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

 

এ কারণে জাতিসংঘের অভিবাসী ও শরণার্থী সংজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের সংজ্ঞা দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যতদূর আমরা জানি শুধু এই গ্রহে জীবনের উৎস রয়েছে।’

 

শনিবার তুরস্কের আন্টালিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্টালিয়া কূটনীতি ফোরামের প্রথম প্যানেল আলোচনায় বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু অভিবাসী ও জলবায়ু শরণার্থী সমস্যা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

 

“বিল্ডিং এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল আর্কিটেকচার: দ্য চ্যালেঞ্জ অব আনম্যাচিং ইন্টারেস্টস”র বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেনমালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং ভিয়েতনামের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ।

 

অন্যান্য অনেক ছোট ও দ্বীপ রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশও জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

গত তিন দশক ধরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

 

 

তিনি বলেন,‘এটি প্রতিনিয়ত জলবায়ু অভিবাসনের কারণে হচ্ছে। সমস্যাটি এখন এতটাই বাস্তব ও বাংলাদেশের জন্য যে,  অবিলম্বে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জলবায়ু অভিবাসী ও শরণার্থীদের সংজ্ঞা পরিবর্তন করা প্রয়োজন,’।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যদিও দেশ ও অনেক পরিবেশ বিজ্ঞানী বহু বছর ধরে বিষয়টির উপর গুরুত্বারোপ করেছেন, তবুও অনেক বিশ্ব নেতাই এটি বিশ্বাস করেন না। ইদানীং তা সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

হাসান বলেন, ‘তবুও বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রধান অবদানকারী ধনী দেশগুলো, সমস্যাটি মোকাবিলা করতে এবং আমাদের পরিবেশ রক্ষার জন্য খুব কম এগিয়ে এসেছে।’এটি স্থানীয় সমস্যা হলেও এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী ।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই রূঢ় বাস্তবতার অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে, বাংলাদেশ সব এক্টিভিস্ট ও বিশ্বনেতাদের জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের সংজ্ঞা পরিবর্তনের গুরুত্ব মেনে নেওয়ার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষার জন্য এর গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

পিতাকে হারিয়ে বড় হওয়া কন্যা, আজ স্বপ্ন পূরণ: ভিন্ন জীবনের পথে ভিনি টান

জলবায়ু পরিবর্তনে উদ্বাস্তু‌দের অভিবাসী সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

০৭:৫৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ মার্চ ২০২৪

সারাক্ষণ ডেস্ক

 

জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের বিরূপ প্রভাব পড়েছে। তা ছাড়াও অন্যান্য যেসব বিষয় জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তু বৃদ্ধিতে নেতিবাচক ভূমিকা রাখছে সেগুলোর ওপরও আলোকপাত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

 

এ কারণে জাতিসংঘের অভিবাসী ও শরণার্থী সংজ্ঞার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ করতে জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের সংজ্ঞা দ্রুত পরিবর্তন করার জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, ‘যতদূর আমরা জানি শুধু এই গ্রহে জীবনের উৎস রয়েছে।’

 

শনিবার তুরস্কের আন্টালিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্টালিয়া কূটনীতি ফোরামের প্রথম প্যানেল আলোচনায় বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন, জলবায়ু অভিবাসী ও জলবায়ু শরণার্থী সমস্যা নিয়ে কথা বলেন তিনি।

 

“বিল্ডিং এশিয়া-প্যাসিফিক রিজিওনাল আর্কিটেকচার: দ্য চ্যালেঞ্জ অব আনম্যাচিং ইন্টারেস্টস”র বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেছেনমালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং ভিয়েতনামের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপমন্ত্রী ।

 

অন্যান্য অনেক ছোট ও দ্বীপ রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশও জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতার সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

গত তিন দশক ধরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের সমগ্র উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান তিনি।

 

 

তিনি বলেন,‘এটি প্রতিনিয়ত জলবায়ু অভিবাসনের কারণে হচ্ছে। সমস্যাটি এখন এতটাই বাস্তব ও বাংলাদেশের জন্য যে,  অবিলম্বে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জলবায়ু অভিবাসী ও শরণার্থীদের সংজ্ঞা পরিবর্তন করা প্রয়োজন,’।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যদিও দেশ ও অনেক পরিবেশ বিজ্ঞানী বহু বছর ধরে বিষয়টির উপর গুরুত্বারোপ করেছেন, তবুও অনেক বিশ্ব নেতাই এটি বিশ্বাস করেন না। ইদানীং তা সবার কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

 

হাসান বলেন, ‘তবুও বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রধান অবদানকারী ধনী দেশগুলো, সমস্যাটি মোকাবিলা করতে এবং আমাদের পরিবেশ রক্ষার জন্য খুব কম এগিয়ে এসেছে।’এটি স্থানীয় সমস্যা হলেও এর প্রভাব বিশ্বব্যাপী ।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই রূঢ় বাস্তবতার অন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে, বাংলাদেশ সব এক্টিভিস্ট ও বিশ্বনেতাদের জলবায়ু অভিবাসী ও উদ্বাস্তুদের সংজ্ঞা পরিবর্তনের গুরুত্ব মেনে নেওয়ার এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ও ভবিষ্যত প্রজন্মের সুরক্ষার জন্য এর গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা প্রণয়ন করার আহ্বান জানিয়েছে।