০৮:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা সয়াবিন তেলের সংকটে বাজারে চাপ, আমদানি-ব্যাংকিং ও বৈশ্বিক দামের বড় পরীক্ষা কুড়িগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে শিশু সহ নিহত ৩, আহত অন্তত ১১ হবিগঞ্জ হাওরে জ্বালানি সংকট ও বৃষ্টির ধাক্কা: ধানের দাম অর্ধেকে নেমে কৃষকের দুশ্চিন্তা ইরান যুদ্ধ থামাবে না যুদ্ধবিরতি, বরং নতুন এক অন্তহীন সংঘাতের পথ খুলে দিল যুক্তরাষ্ট্র দুই দফা দরপত্রেও সাড়া কম, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় সার বাজারে গভীর সংকট গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন দায়িত্বে ঢাবির সাবেক ভিসি নিয়াজ আহমদ খান পশ্চিমবঙ্গের ভোটে চূড়ান্ত লড়াই, কারচুপির অভিযোগে উত্তপ্ত শেষ ধাপ নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁনের মন্তব্যে রাজনৈতিক উত্তাপ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে আজ লড়াই, সিমিওনের দুর্গ ভাঙতে পারবে কি আর্সেনাল?

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৬)

নানবাইরা রুটির মধ্যে বাকরখানি, শিরমল পাঞ্জাকাশ, নানখাতা, কুলি পরটা, এমনকি পরবর্তীকালে পাউরুটিও বানাতেন।

নটরডেম কলেজ

ঢাকার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্মীবাজারে সেন্ট গ্রেগরী স্কুল। এই স্কুলের কলেজ শাখা স্থাপিত হয় ১৯৪৯ সালে, নাম দেয়া হয় সেন্ট গ্রেগরী কলেজ।ক্যাথলিক পরিচালিত প্রথম কলেজ। স্কুলেই কলেজের ক্লাশ শুরু হয়। অবশ্য এক বছর পর তা অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৫৪ সালে বর্তমান জায়গায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নটরডেম কলেজ কংগ্রেগেশন অফ হলিক্রস, সোসাইট অফ প্রিস্টস দ্বারা পরিচালিত হয় কলেজটি।

নটরডেম কলেজ

নয়ন সুখ

মুঘল আমলে ঢাকায় তৈরি হতো এক ধরনের মসলিন, নাম নয়ন সুখ। অর্থাৎ যা দেখে চোখেও সুখ। মসলিনের নানা নামের মধ্যে এ নামটিই বোধ হয় শুধু বাংলায়। নয়ন সুখ সাধারণত ব্যবহার করা হতো গলাবদ্ধ রুমাল হিসেবে। নয়ন সুখ-এর একেকটি টুকরো ছিল লম্বা বিশ গজ ও চওড়ায় এক গজ।

নাখখাস

পুরনো নাখখাস এলাকাটির নাম পাওয়া যায়। হাকিম হাবিবুর রহমানের লেখায়। নাখখাস হচ্ছে দাস বাজার। ঢাকায়তো একসময় দাস কেনাবেচা হতো। যেখানে তা হতো তাই নাখখাস। পুরনো নাখখাস অনেকের মতে ছিল বর্তমান কার্জন হল, শিশু একাডেমি, বিজ্ঞান লাইব্রেরির মাঝের রাস্তাটুকু। চকবাজারেও বিক্রি হতো দাস।

নানবাই

নানবাইরা রুটি ও মাংসের খাবার বানাতেন। শুধু তাই নয় লোকের বাড়িতে নানা ধরনের খাবার সরবরাহ বা ভোজের আয়োজন করে দিতেন। বর্তমান ‘ক্যাটারার’দের মতো। এদের দোকানেও খাওয়ার বন্দোবস্ত ছিল।

নানবাইরা রুটির মধ্যে বাকরখানি, শিরমল পাঞ্জাকাশ, নানখাতা, কুলি পরটা, এমনকি পরবর্তীকালে পাউরুটিও বানাতেন। আর মাংসের খাবারের মধ্যে তৈরি করতেন কাবাবি রোস্ট, ঘিয়ে ভাজা মাংসের কিমা, কালিয়া, কোরমা ও দো-পিঁয়াজা।’

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৫)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৫)

১৩ পাউন্ডের ব্রোকলি নিয়ে ক্ষোভ, ‘শো’ হয়ে যাচ্ছে খাবার—রেস্তোরাঁ সংস্কৃতি নিয়ে পপি ও’টুলের তীব্র সমালোচনা

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৬)

০৯:০০:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৫

নানবাইরা রুটির মধ্যে বাকরখানি, শিরমল পাঞ্জাকাশ, নানখাতা, কুলি পরটা, এমনকি পরবর্তীকালে পাউরুটিও বানাতেন।

নটরডেম কলেজ

ঢাকার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্মীবাজারে সেন্ট গ্রেগরী স্কুল। এই স্কুলের কলেজ শাখা স্থাপিত হয় ১৯৪৯ সালে, নাম দেয়া হয় সেন্ট গ্রেগরী কলেজ।ক্যাথলিক পরিচালিত প্রথম কলেজ। স্কুলেই কলেজের ক্লাশ শুরু হয়। অবশ্য এক বছর পর তা অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৫৪ সালে বর্তমান জায়গায় কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। নটরডেম কলেজ কংগ্রেগেশন অফ হলিক্রস, সোসাইট অফ প্রিস্টস দ্বারা পরিচালিত হয় কলেজটি।

নটরডেম কলেজ

নয়ন সুখ

মুঘল আমলে ঢাকায় তৈরি হতো এক ধরনের মসলিন, নাম নয়ন সুখ। অর্থাৎ যা দেখে চোখেও সুখ। মসলিনের নানা নামের মধ্যে এ নামটিই বোধ হয় শুধু বাংলায়। নয়ন সুখ সাধারণত ব্যবহার করা হতো গলাবদ্ধ রুমাল হিসেবে। নয়ন সুখ-এর একেকটি টুকরো ছিল লম্বা বিশ গজ ও চওড়ায় এক গজ।

নাখখাস

পুরনো নাখখাস এলাকাটির নাম পাওয়া যায়। হাকিম হাবিবুর রহমানের লেখায়। নাখখাস হচ্ছে দাস বাজার। ঢাকায়তো একসময় দাস কেনাবেচা হতো। যেখানে তা হতো তাই নাখখাস। পুরনো নাখখাস অনেকের মতে ছিল বর্তমান কার্জন হল, শিশু একাডেমি, বিজ্ঞান লাইব্রেরির মাঝের রাস্তাটুকু। চকবাজারেও বিক্রি হতো দাস।

নানবাই

নানবাইরা রুটি ও মাংসের খাবার বানাতেন। শুধু তাই নয় লোকের বাড়িতে নানা ধরনের খাবার সরবরাহ বা ভোজের আয়োজন করে দিতেন। বর্তমান ‘ক্যাটারার’দের মতো। এদের দোকানেও খাওয়ার বন্দোবস্ত ছিল।

নানবাইরা রুটির মধ্যে বাকরখানি, শিরমল পাঞ্জাকাশ, নানখাতা, কুলি পরটা, এমনকি পরবর্তীকালে পাউরুটিও বানাতেন। আর মাংসের খাবারের মধ্যে তৈরি করতেন কাবাবি রোস্ট, ঘিয়ে ভাজা মাংসের কিমা, কালিয়া, কোরমা ও দো-পিঁয়াজা।’

(চলবে)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৫)

পুরান ঢাকার অতীত দিনের কথা ( কিস্তি-১১৫)