০২:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
পাক- আফগান যুদ্ধে পাকিস্তানের পাশে থাকবে আমেরিকা ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন দপ্তরে অ্যানথ্রপিকের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার বন্ধ, প্রতিরক্ষা দপ্তরের চোখে ‘সরবরাহ শৃঙ্খল ঝুঁকি’ উপহার হিসেবে নতুন স্নাইপার রাইফেল, কন্যাকে সামনে এনে শক্তির বার্তা দিলেন কিম জেল খানায় আরো এক ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যূ চীনা প্রযুক্তিকে বিশ্বমঞ্চের কেন্দ্রে তুলছে প্রদর্শনী রোবট তিন বছর পর ঝড় তুলে ফিরল ব্ল্যাকপিংক, ‘ডেডলাইন’ ঘিরে সিউলে গোলাপি উন্মাদনা নরসিংদীর আমেনা হত্যা ও ধর্ষণ: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র ছাত্র বিক্ষোভ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বয়স বাড়লেই কি স্বাদ–গন্ধ কমে যায়? কারণ, ঝুঁকি ও করণীয় জানুন বিস্তারিত ওপেনএআইতে ১১০ বিলিয়ন ডলারের ঝড়, অ্যামাজন–এনভিডিয়া–সফটব্যাঙ্কের বড় বিনিয়োগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দৌড়ে নতুন অধ্যায় ক্লিনটনের সাফাই: এপস্টেইনের সঙ্গে ছিল সম্পর্ক, ‘অপরাধের কিছু দেখিনি’

ট্রাম্প–সি বৈঠকের পর চীনা পণ্যে শুল্ক কমানোর ঘোষণা; আপাত ‘ট্যাকটিক্যাল ট্রুস

শুল্কে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন ও খাতভিত্তিক প্রভাব
দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, চীনা পণ্যে কিছু বিশেষ শুল্ক কমানো হবে—প্রথম ধাপে ফেন্টানিল-সংশ্লিষ্ট আইটেমে শুল্ক ১০ শতাংশে নামানো হবে। হোয়াইট হাউস বলছে, এর বিনিময়ে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্য বেশি কিনবে এবং সিন্থেটিক ওপিওইড তৈরির পূর্বধাপের রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণে আইন-প্রয়োগ সহযোগিতা বাড়াবে। বাজার এটিকে বড় ধরনের পুনরায় সমঝোতা নয়, বরং উত্তেজনা কমানোর কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাত বলছে—শুল্ক পরিষ্কার হলে শীত মৌসুমে সরবরাহ পরিকল্পনা সহজ হবে; তবে এক্সপোর্ট-কন্ট্রোল, ডেটা প্রবাহ ও নিরাপত্তাজনিত বিতর্ক অমীমাংসিতই রইল।

পরবর্তী ধাপ: বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও কূটনীতির সমীকরণ
এখন নজর থাকবে—শুল্ক কমানো কত দ্রুত বিধিতে পরিণত হয় এবং চীনের ক্রয়-অঙ্গীকার বাস্তবে কতটা আসে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, এনভিডিয়ার ব্ল্যাকওয়েল-শ্রেণির উন্নত এআই চিপ আলোচনায় ছিল না—মানে উন্নত কম্পিউটিং-নির্ভর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অপরিবর্তিত। খাতভিত্তিক সীমিত শুল্ক-রিলিফ ও প্রযুক্তিতে কড়া গার্ডরেইল—এই দ্বিমুখী পন্থা পূর্ণ সমঝোতার বদলে নিয়ন্ত্রিত ট্রুসের ইঙ্গিত দেয়। মিত্র রাষ্ট্রগুলো, বিশেষ করে কোরিয়া-জাপান, স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ শৃঙ্খলের অস্থিরতা কমবে বলে মানলেও, মাঝমেয়াদে মুদ্রা-শেয়ারবাজারে প্রবাহ পরিবর্তনের প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রে ঘটনাপ্রবাহ ও সংকট হটলাইন নিয়ে পাশের আলোচনাগুলোর বাস্তবায়ন হলে আস্থার সেতু গড়া যাবে। আপাতত কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্সিং, এন্টিটি-লিস্ট ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ঝুঁকি মাথায় রেখে কন্টিনজেন্সি পরিকল্পনা বজায় রাখতেই বলা হচ্ছে—কারণ মার্কিন নির্বাচনী রাজনীতি যেকোনো সময় অবস্থান কঠোর করতে পারে।

পাক- আফগান যুদ্ধে পাকিস্তানের পাশে থাকবে আমেরিকা

ট্রাম্প–সি বৈঠকের পর চীনা পণ্যে শুল্ক কমানোর ঘোষণা; আপাত ‘ট্যাকটিক্যাল ট্রুস

০৫:২৩:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

শুল্কে তাৎক্ষণিক পরিবর্তন ও খাতভিত্তিক প্রভাব
দক্ষিণ কোরিয়ায় বৈঠকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, চীনা পণ্যে কিছু বিশেষ শুল্ক কমানো হবে—প্রথম ধাপে ফেন্টানিল-সংশ্লিষ্ট আইটেমে শুল্ক ১০ শতাংশে নামানো হবে। হোয়াইট হাউস বলছে, এর বিনিময়ে বেইজিং যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি ও কৃষিপণ্য বেশি কিনবে এবং সিন্থেটিক ওপিওইড তৈরির পূর্বধাপের রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণে আইন-প্রয়োগ সহযোগিতা বাড়াবে। বাজার এটিকে বড় ধরনের পুনরায় সমঝোতা নয়, বরং উত্তেজনা কমানোর কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে। গাড়ি, সেমিকন্ডাক্টর ও জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাত বলছে—শুল্ক পরিষ্কার হলে শীত মৌসুমে সরবরাহ পরিকল্পনা সহজ হবে; তবে এক্সপোর্ট-কন্ট্রোল, ডেটা প্রবাহ ও নিরাপত্তাজনিত বিতর্ক অমীমাংসিতই রইল।

পরবর্তী ধাপ: বাণিজ্য, প্রযুক্তি ও কূটনীতির সমীকরণ
এখন নজর থাকবে—শুল্ক কমানো কত দ্রুত বিধিতে পরিণত হয় এবং চীনের ক্রয়-অঙ্গীকার বাস্তবে কতটা আসে। মার্কিন কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, এনভিডিয়ার ব্ল্যাকওয়েল-শ্রেণির উন্নত এআই চিপ আলোচনায় ছিল না—মানে উন্নত কম্পিউটিং-নির্ভর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অপরিবর্তিত। খাতভিত্তিক সীমিত শুল্ক-রিলিফ ও প্রযুক্তিতে কড়া গার্ডরেইল—এই দ্বিমুখী পন্থা পূর্ণ সমঝোতার বদলে নিয়ন্ত্রিত ট্রুসের ইঙ্গিত দেয়। মিত্র রাষ্ট্রগুলো, বিশেষ করে কোরিয়া-জাপান, স্বল্পমেয়াদে সরবরাহ শৃঙ্খলের অস্থিরতা কমবে বলে মানলেও, মাঝমেয়াদে মুদ্রা-শেয়ারবাজারে প্রবাহ পরিবর্তনের প্রশ্ন রয়ে যাচ্ছে। সমুদ্রে ঘটনাপ্রবাহ ও সংকট হটলাইন নিয়ে পাশের আলোচনাগুলোর বাস্তবায়ন হলে আস্থার সেতু গড়া যাবে। আপাতত কোম্পানিগুলোকে লাইসেন্সিং, এন্টিটি-লিস্ট ও দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা ঝুঁকি মাথায় রেখে কন্টিনজেন্সি পরিকল্পনা বজায় রাখতেই বলা হচ্ছে—কারণ মার্কিন নির্বাচনী রাজনীতি যেকোনো সময় অবস্থান কঠোর করতে পারে।