০৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
কয়লাখনি অঞ্চলে বিস্ফোরণ, বেকারত্ব ও ক্ষোভ—ভোটের আগে চাপে পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ মধ্যযুগের স্বাস্থ্য রহস্য: নোংরা ও রোগের যুগেও কীভাবে সুস্থ থাকতেন মানুষ ১৯২৬ সালের ব্রিটিশ সাধারণ ধর্মঘট: ১৭ লাখ শ্রমিকের ঐক্য, তবু কেন পরাজয়ের ইতিহাস ড্রোন যুদ্ধের সূচনা: ১৮৪৯ সালের ভেনিস অবরোধ থেকে আধুনিক যুদ্ধের ভয়াবহ রূপ প্লাস্টিকের আবিষ্কার: ১৯শ শতকের পরীক্ষাগার থেকে ২০শ শতকের বিপ্লব রানি এলিজাবেথ দ্বিতীয়: সাম্রাজ্যের পতন থেকে আধুনিক ব্রিটেন—৭০ বছরের ইতিহাসে এক অটল নেতৃত্ব দাসত্বের অন্ধকার ভেঙে স্বাধীনতার কণ্ঠ: ফ্রেডেরিক ডগলাস ও আমেরিকার অসম স্বাধীনতার গল্প প্রাচীন রোমে ‘কাল্ট’ সংস্কৃতি থেকে খ্রিস্টধর্মের উত্থান: কীভাবে বদলে গেল ধর্মীয় মানচিত্র মধ্যযুগে নোংরা নয়, পরিকল্পিত ছিল টয়লেট ব্যবস্থা—ইউরোপের অজানা পরিচ্ছন্নতার ইতিহাস নওগাঁয় একই পরিবারের চারজনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

ওপেক+ প্রথম প্রান্তিকে উৎপাদন না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, তেলের দামে মৃদু ঊর্ধ্বগতি

সরবরাহ-চাহিদার ভারসাম্যে সতর্কতা
ওপেক+ ডিসেম্বরের ক্ষুদ্র বৃদ্ধি ছাড়াও ২০২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে উৎপাদন স্থির রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। লক্ষ্য—শীতকালীন অতিরিক্ত সরবরাহ এড়ানো। সাম্প্রতিক দুর্বল চাহিদা ও অস্থির অর্থনৈতিক সূচকে সদস্য দেশগুলো বাজেট স্থিতি চাইছে। সিদ্ধান্তের পর ব্রেন্ট একটু বেড়েছে; শোধনাগারগুলো মৌসুমি জ্বালানি চাহিদা ও সম্ভাব্য রান-কাটের হিসাব কষছে।

দীর্ঘমেয়াদি সংকেত ও ইভি রূপান্তর
সংযম দামকে সহায়তা দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি বিদ্যুতায়িত পরিবহন ও জ্বালানি দক্ষতাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। বিশ্বব্যাপী দৈনিক চাহিদা এখনো ১০ কোটির বেশি ব্যারেল, তাই বাজার স্থিতি রাখতে উৎপাদন ব্যবস্থাপনাই জোটের প্রধান টুল। তবে মার্কিন শেল, নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার রপ্তানি, আর চীনের পণ্য রপ্তানি কোটার দিকেও নজর রাখতে হবে—এসবই ওপেক+-এর পদক্ষেপকে শক্ত বা দুর্বল করতে পারে। ২০২৬-এর মাঝামাঝি চাহিদা জোরদার হলে আবারও ‘বাজার ভাগ বনাম মূল্য শৃঙ্খলা’—এই পুরোনো দ্বিধায় পড়তে পারে জোট।

জনপ্রিয় সংবাদ

কয়লাখনি অঞ্চলে বিস্ফোরণ, বেকারত্ব ও ক্ষোভ—ভোটের আগে চাপে পশ্চিমবঙ্গের রানিগঞ্জ

ওপেক+ প্রথম প্রান্তিকে উৎপাদন না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত, তেলের দামে মৃদু ঊর্ধ্বগতি

০৫:২২:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫

সরবরাহ-চাহিদার ভারসাম্যে সতর্কতা
ওপেক+ ডিসেম্বরের ক্ষুদ্র বৃদ্ধি ছাড়াও ২০২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে উৎপাদন স্থির রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। লক্ষ্য—শীতকালীন অতিরিক্ত সরবরাহ এড়ানো। সাম্প্রতিক দুর্বল চাহিদা ও অস্থির অর্থনৈতিক সূচকে সদস্য দেশগুলো বাজেট স্থিতি চাইছে। সিদ্ধান্তের পর ব্রেন্ট একটু বেড়েছে; শোধনাগারগুলো মৌসুমি জ্বালানি চাহিদা ও সম্ভাব্য রান-কাটের হিসাব কষছে।

দীর্ঘমেয়াদি সংকেত ও ইভি রূপান্তর
সংযম দামকে সহায়তা দিলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি বিদ্যুতায়িত পরিবহন ও জ্বালানি দক্ষতাকে ত্বরান্বিত করতে পারে। বিশ্বব্যাপী দৈনিক চাহিদা এখনো ১০ কোটির বেশি ব্যারেল, তাই বাজার স্থিতি রাখতে উৎপাদন ব্যবস্থাপনাই জোটের প্রধান টুল। তবে মার্কিন শেল, নিষেধাজ্ঞায় রাশিয়ার রপ্তানি, আর চীনের পণ্য রপ্তানি কোটার দিকেও নজর রাখতে হবে—এসবই ওপেক+-এর পদক্ষেপকে শক্ত বা দুর্বল করতে পারে। ২০২৬-এর মাঝামাঝি চাহিদা জোরদার হলে আবারও ‘বাজার ভাগ বনাম মূল্য শৃঙ্খলা’—এই পুরোনো দ্বিধায় পড়তে পারে জোট।